শীত কয় মাস থাকে | বাংলাদেশে শীত কত মাস থাকে

শীত কয় মাস থাকে? আজ আমি চলে এলাম শীতের খবর নিয়ে তথ্য শেয়ার করার জন্য। অনেকের পছন্দের ঋতু শীতকাল, আবার অনেকে আছেন যারা শীতকাল পছন্দ করেন না। তবে কেন জানিনা আমার শীতকাল খুব ভালো লাগে কারণ এই সময়ের প্রকৃতির সৌন্দর্য আমাকে বরাবরই তার কাছে টানে।
শীত-কয়-মাস-থাকে
আপনারা যদি জানতে চান শীত কয় মাস থাকে, এছাড়া শীতকালের যাবতীয় তথ্যগুলো যদি জানতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনাদের অনেক সহায়তা করবে। কারণ আমি এখানে শীতকালের বিভিন্ন বিষয়গুলো সম্পর্কে আলোচনা করব। তাই বাংলাদেশের শীত কত মাস থাকে তা বিস্তারিত ভাবে জানার জন্য এই আর্টিকেলটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

পোস্ট সূচিপত্রঃ শীত কয় মাস থাকে | বাংলাদেশে শীত কত মাস থাকে

এই আর্টিকেল থেকে আপনি যা কিছু জানতে পারবেন তা এক নজরে দেখে নিন-

শীত কয় মাস থাকে | বাংলাদেশে শীত কত মাস থাকে

বাংলাদেশে শীতকালঃ বাংলাদেশে শীতকাল শুরু হয় নভেম্বরের শেষ দিকে এবং শেষ হয় ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি। এই সময়ে বাংলাদেশের তাপমাত্রা ৮–৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে অবস্থান করে। উত্তরবঙ্গের এলাকাগুলোতে শীতের প্রকোপ তুলনামূলক বেশি থাকে। এখানে কুয়াশা, ঠান্ডা বাতাস এবং শুষ্ক আবহাওয়া শীতকালের মূল বৈশিষ্ট্য।


বিশ্বব্যাপী শীতকালঃ উত্তর গোলার্ধে শীতকাল শুরু হয় ডিসেম্বর মাস থেকে এবং শেষ হয় মার্চের মধ্যে। ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং এশিয়ার উত্তরাঞ্চলে তুষারপাত পড়ে এই সময়। তাপমাত্রা অনেক স্থানে হিমাঙ্কের নিচে নেমে যায়।
বাংলাদেশে-শীত-কত-মাস-থাকে
দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল শুরু হয় জুন মাসে এবং শেষ হয় আগস্টে। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার কিছু অংশে এই সময়ে শীত অনুভূত হয়। এখানে তুষারপাত কম হলেও শীতল বাতাস এবং কম তাপমাত্রা লক্ষ্য করা যায় অনেক বেশি।

শীতকাল কী এবং কেন হয়

শীতকাল হলো পৃথিবীর নির্দিষ্ট অক্ষাংশের তাপমাত্রা হ্রাস পাওয়ার একটি আল্লাহ প্রদত্ত এবং প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। শীতের সময় সাধারণত সূর্যের কিরণ সরাসরি পড়ে না এজন্য শীত অনুভূত হয়। শীতকালে দিন ছোট এবং রাত বড় হয়। বাংলাদেশে শীত সাধারণত নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হয় যা প্রায় ৩ মাসের মতো।

বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে শীতের মেয়াদ বিভিন্ন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপঃ স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোতে শীত প্রায় ৬ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়। আবার আফ্রিকার কিছু অঞ্চলে শীতকাল তেমন অনুভূত হয় না।

শীতকাল একটি বিশেষ ঋতু যা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ভিন্ন ভিন্ন সময়কাল ধরে বিরাজ করে। বাংলাদেশের মতো ঋতু বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশে শীতের মেয়াদ তুলনামূলকভাবে কম হলেও এর প্রভাব এবং তাৎপর্য খুব বেশি কারণ বাংলাদেশের ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষদের জীবনযাত্রার কর্মকাণ্ড পরিবর্তিত হয়। বাংলাদেশে শীতকালে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে কুয়াশা বেশি দেখা যায়। বিশেষ করে ভোরে এবং রাতে কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকে বাংলার প্রকৃতি।

কি কি মাস নিয়ে শীতকাল | শীতের মাস কি কি

বাংলাদেশে শীতকাল সাধারণত পৌষ এবং মাঘ মাস নিয়ে গঠিত। বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসারে, শীতকাল শুরু হয় অগ্রহায়ণ মাসের শেষের দিকে এবং শেষ হয় ফাল্গুনের শুরুর দিকে। তবে শীতের প্রকৃত ঠান্ডা অনুভূত হয় মূলত ইংরেজি মাসের ডিসেম্বর এবং জানুয়ারিতে।

ইংরেজি ক্যালেন্ডারের হিসেবে,
  • ডিসেম্বর (December)
  • জানুয়ারি (January)
বাংলা ক্যালেন্ডার হিসেবে,
  • পৌষ
  • মাঘ
এ সময় তাপমাত্রা বেশ কম থাকে এবং কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া দেখা যায়।

শীত প্রধান অঞ্চল

বাংলাদেশের শীত প্রধান অঞ্চলগুলো সাধারণত উত্তরবঙ্গে অবস্থিত। এছাড়া বাংলাদেশের মৌলভীবাজার এবং সিলেটে অনেক শীত পড়ে। সাধারণত যে সমস্ত এলাকায় গাছপালা বেশি সেই সমস্ত এলাকায় শীতের অনুভূতি বেশি হয়। সবথেকে বেশি শীত পড়ে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও সিলেটে। এছাড়া প্রচুর শীত পড়ে রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও ইত্যাদি অঞ্চলগুলোতে।

শীতের সময় ঢাকা শহরে শীত থাকে না বললেই চলে। শীতের সময় ঢাকা শহরে গাছপালা না থাকার কারণে এবং বিভিন্ন ধরনের কলকারখানা এছাড়াও মানুষের বেশি জনসংখ্যার কারণে শীত কম অনুভূতি হয়। সম্পূর্ণ শীতের মৌসুমে মাত্র কয়েকদিন ঢাকাতে শীত পড়ে। যখন শৈত্যপ্রবাহ হয় তখন ঢাকাতে শীত অনুভূত হয়। 

এছাড়া চট্টগ্রামের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকা যেমন বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ইত্যাদি এলাকাতে শীতের অনুভূতি বেশি হয়। কারণ এই সমস্ত এলাকাগুলো পাহাড়ী এলাকা এবং গাছপালায় পরিপূর্ণ।

শীত ঋতুর বৈশিষ্ট্য

শীত ঋতু বাংলাদেশের পরিবেশে এক অভিন্নরূপ সৌন্দর্য সৃষ্টি করে। শীতের সকালের সৌন্দর্য আল্লাহর এক অপরূপ সৃষ্টি। যারা শহর এলাকায় থাকেন তারা হয়তো শীতের সকালের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন না। কিন্তু যারা গ্রামে থাকেন তারা পরিপূর্ণ শীত ঋতুর বৈশিষ্ট্য গুলো খুঁজে পায়।

গ্রামের দিকে সাধারণত নভেম্বর মাস থেকেই শীতের আগমনী বার্তা প্রদান করে কিন্তু শহরের দিকে ডিসেম্বর মাসের শেষ দিক থেকে শীতের আগমনী বার্তা লক্ষ্য করা যায়। 

শহরের ব্যস্ততম মানুষ প্রতিদিনের মতোই শীতের সময় কাজে ব্যস্ত থাকে কিন্তু গ্রামের মানুষজন শীতের সকালে খুব ভোরবেলা কাজে বের হয় এবং বিভিন্ন বাড়িতে বাড়িতে প্রতিদিন পিঠাপুলির উৎসব দেখা যায়। যা আমাদের শৈশবের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।

শীতের সকালে গ্রামের বাড়ি গুলোতে রস থেকে গুড় তৈরি করার কাজ চলতে থাকে। এই সময় গুড়ের যে আসল সুঘ্রাণ আমাদের নাকে আসে তা সত্যিই আমাদের এক অন্য জগতে আমাদের নিয়ে যায়।

শীতের সকালে খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশে টাটকা খেজুরের রসের সাথে মুড়ি মিশিয়ে খাওয়ার মজাটাই আলাদা। এছাড়া শীতের সময় গ্রামগুলোতে রস পিঠা, ভাপা পিঠা সহ বিভিন্ন ধরনের রকমারি পিঠার আয়োজন করা হয়।

শীতের সময় গ্রামের চাষাবাদ জমিগুলোতে যতদূর চোখ যায়, শুধু সরিষার ফুলের সৌন্দর্য লক্ষ্য করা যায়। সরিষা ফলের ওপর যখন রোদের আলো পড়ে তখন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এক অনন্য রূপ লাভ করে। 
কৃষকরা জমিতে কাজ শেষে এবং সারাদিনের ক্লান্তি দূর করার জন্য সবাই মিলে গ্রামের চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দেয় এবং চা খায়। এর পাশাপাশি অনেক জায়গায় শুকনা ডালপালা এক জায়গায় করে আগুন জ্বালিয়ে সবাই মিলে আগুন পোহানো হয়।

এই স্মৃতিগুলো মনে পড়লে আমরা হারিয়ে যাই ছোটবেলার গ্রামের সেই রাজ্যে যেখানে আমরা বড় হয়েছি। কিন্তু এখন আমরা কাজের খাতিরে বা পরিবারকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য গ্রামে না থেকে শহরে চলে আসি এবং শীতের সময়ের আসল সৌন্দর্য আমরা বুঝতে পারি না। শহরের ব্যস্ততম পরিবেশে, এসমস্ত অপরূপ দৃশ্য এবং কার্যকলাপ সমূহ কখনই অনুভব করতে পারে না।

বছরের শীতলতম সময় কোনটি

সারা বিশ্বে বছরের শীতলতম সময়ের তারতম্য রয়েছে। যেমন বাংলাদেশে বছরের সবচেয়ে শীতলতম সময় ধরা হয় ডিসেম্বর এবং জানুয়ারি মাসকে। বাংলা মাস হিসাব করলে পৌষ মাস এবং মাঘ মাসকে সবচেয়ে বেশি শীতলতম সময় ধরা হয়। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলোতে শীতের সময় আলাদা আলাদা হয়ে থাকে।
বছরের-শীতলতম-সময়-কোনটি
প্রাকৃতিকগত দিক দিয়ে বিভিন্ন দেশে শীতের প্রভাব আলাদা আলাদা হয়। বাংলাদেশের শীতের সময় অন্যান্য দেশের মতো তুষারপাত হয় না। এর মূল কারণ হচ্ছে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান।  সাধারণত মাইনাস ডিগ্রি এর নিচে তাপমাত্রা থাকলে সেই সমস্থ দেশগুলোতে তুষারপাত ঘটে। কিন্তু বাংলাদেশে যেহেতু মাইনাস ডিগ্রীর নিচে তাপমাত্রা নামে না সেহেতু এই দেশে তুষারপাত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

শীতে কেন অসুস্থ হয়

শীতের সময় অসুস্থ হওয়ার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। শীতের সময় ঠান্ডা বাতাস নাক কিংবা কান দিয়ে প্রবেশ করলে আপনার সর্দি কিংবা কাশি হতে পারে। যাদের অ্যালার্জিজনিত সমস্যা রয়েছে তারা শীতের সময় সারা মাস সর্দি এবং কাশিতে ভুগে থাকেন।

এজন্য শীতের সময়ে নিজেকে অসুস্থতার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সবসময় গরম কাপড় পরিধান করে থাকতে হবে। এছাড়া কানে মাফলার অথবা টুপি ব্যবহার করতে হবে যেন কান দিয়ে ঠান্ডা না ঢুকে। এছাড়া আপনি নাকে মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে আপনার নাক দিয়ে ঠান্ডা প্রবেশ করবেন।

বেশি শীত অনুভূত হলে চেষ্টা করবেন উলের তৈরি পোশাকগুলো পরিধান করার জন্য। এতে করে আবাহাওয়ার ঠান্দা জলবায়ু আপনাকে সুরক্ষিত রাখবে। শীতের সময় ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য হালকা উষ্ণ গরম পানি খেতে হবে এবং গোসলের সময় হালকা উষ্ণ গরম পানি ব্যবহার করতে হবে।

সর্দি বেশি হয় কোন মাসে

অনেকেই মনে করেন সর্দি সাধারণত শীতকালে বেশি হয়। কিন্তু এ ধারণাটি ভুল কারণ সর্দি যে কোন সময় হতে পারে। তবে সাধারণত লক্ষ্য করা যায় আবহাওয়া যখন পরিবর্তন হয় ঠিক তখনই জ্বর সর্দির মতো অসুখগুলো মানুষের হয়। অর্থাৎ শীতকাল শুরুর প্রথমে এবং গরমকাল শুরুর প্রথমে মানুষের সর্দি জ্বরের প্রকোপ বেশি দেখা যায়।

সর্দির সময় আপনারা অনেকেই সর্দি বন্ধ হওয়ার ওষুধ খেয়ে থাকেন। কিন্তু এই ভুল কখনোই করা যাবে না কারণ সর্দি বের হয়ে গেলে আপনি অনেক আরাম পাবেন। সর্দি বন্ধ হওয়ার ওষুধ খেলে সাধারণত সেই সর্দি মাথায় বসে যায় এবং কিছুদিন পরে আবার সর্দি দেখা দেয়। তবে কিছু কিছু ওষুধ রয়েছে যে ওষুধগুলো সর্দি বের হয়ে যেতে সহায়তা করে। চেষ্টা করবেন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেই সমস্ত ওষুধগুলো খেতে।

FAQ

১) বাংলাদেশে শীতকাল কত মাস স্থায়ী হয়?
উত্তরঃ বাংলাদেশে শীতকাল সাধারণত তিন মাস স্থায়ী হয়। বাংলাদেশে শীতকাল নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলতে থাকে। 

২) শীতকালে বাংলাদেশে তাপমাত্রা কেমন থাকে?
উত্তরঃ বাংলাদেশে শীতকালে তাপমাত্রা ৮ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে। তবে উত্তরবঙ্গের এলাকায গুলোতে শীতের তীব্রতা তুলনামূলক বেশি থাকে। 

৩) বাংলাদেশে শীতকাল কোন কোন মাসগুলো নিয়ে গঠিত?
উত্তরঃ বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, শীতকাল মূলত পৌষ ও মাঘ মাস নিয়ে গঠিত। ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাস নিয়ে শীতকাল গঠিত। 

৪) বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে শীতকাল কি একই রকম হয়?
উত্তরঃ না, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শীতকাল একই রকমের হয় না। কারন বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে শীতের সময়কাল ভিন্ন। উত্তর গোলার্ধে শীতকাল ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত, আর দক্ষিণ গোলার্ধে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত স্থায়ী হয়ে থাকে। 

৫) বাংলাদেশে শীতকালের বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী কী?
উত্তরঃ বাংলাদেশের শীতকালের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- কুয়াশা, ঠান্ডা বাতাস এবং শুষ্ক আবহাওয়া। এছাড়া ভোরে এবং রাতে প্রচুর কুয়াশা করতে দেখা যায়।

৬) সবচেয়ে বেশি শীত কোথায় পড়ে?
উত্তরঃ রাশিয়ার ভেরখোয়ান্‌স্ক্‌ নামক এলাকায় সবচেয়ে বেশি শীত পড়ে। আরও একটি বিষয় জেনে রাখুন- পৃথিবীর সবচেয়ে কম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল রাশিয়ার এই অঞ্চলে।

৭) বাংলাদেশের সবচেয়ে শীতলতম জেলা কোনটি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে শীতলতম জেলা বলা হয় সিলেট কে। এছাড়া শ্রীমঙ্গলেও অনেক শীত থাকে।

৮) বাংলাদেশের কোথায় ঠান্ডা বেশি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের বাংলাদেশের দিনাজপুর, সিলেট এবং শ্রীমঙ্গলে ঠান্ডা বেশি হয়। এছাড়া রাজশাহী এবং রংপুরেও ভালো শীত পড়ে। 

৯) পৃথিবীর সবথেকে ঠান্ডা দেশ কোনটি?
উত্তরঃ পৃথিবীর সবথেকে বেশি ঠান্ডা দেশ হচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়াতে শীতের সময় গড় তাপমাত্রা মাইনাস এর নিচে থাকে।

১০) বাংলাদেশের শীতলতম শহর কোনটি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে শীতলতম শহর বলা হয় রংপুর শহরকে।

১১) পৃথিবীর সবচেয়ে গরম দেশ কোনটি?
উত্তরঃ পৃথিবীর সবচেয়ে গরম দেশের নাম হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া।

১২) পৃথিবীর সবচেয়ে গরমতম স্থান কোনটি?
উত্তরঃ পৃথিবীর সবচেয়ে গরমতম স্থান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেথ ভ্যালি।

১৩) বাংলাদেশের কোথায় সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে?
উত্তরঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে রাজশাহী জেলাতে।

১৪) ঠান্ডা লাগলে কি রোগ হয়?
উত্তরঃ ঠান্ডা লাগলে সাধারণত জ্বর, সর্দি এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা বেশি হয়। শিশুদের মধ্যে এবং বয়স্ক মানুষদের মধ্যে এই রোগ গুলো বেশি হয়।

১৫) ঠান্ডা লাগলে কি কাজে যাওয়া উচিত?
উত্তরঃ না, ঠান্ডা লাগলে কাজে যাওয়া উচিত নয় কারণ ঠান্ডা লাগলে সর্বপ্রথম আপনাকে একদিন অর্থাৎ দিন রাত ২৪ ঘন্টা রেস্ট নিতে হবে এবং নিজের পরিচর্যা করতে হবে। কাজ করতে হলে অনেক শারীরিক পরিশ্রম প্রয়োজন হয়। তাই ঠান্ডা লাগলে আপনি কাজ করতে পারবেন না এবং আরো বেশি অসুস্থ হয়ে যাবেন।

শেষ মন্তব্য

বাংলাদেশের কোন বছর শীত কম পড়ে আবার কোন বছর শীত বেশি পড়ে। শীত কম এবং বেশি পড়ার এই বিষয়টি নির্ভর করে এল নিনো এবং লা নিনার উপর। এল নিনো এবং লা নিনা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হয়ে থাকে।
এই পোস্ট শেয়ার করুন
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url