মেহেদি ডিজাইন ছবি সহ | মেহেদি ডিজাইন পিকচার

মেহেদি ডিজাইন ছবি সহ দেখার জন্য এই আর্টিকেলটি আপনাকে সহায়তা করবে। কারণ এই আর্টিকেলে আপনারা বিভিন্ন ক্যাটাগরির মেহেদি ডিজাইন পিকচার পেয়ে যাবেন। বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে আপনারা মেহেদি দিতে পছন্দ করেন।

মেহেদি-ডিজাইন-ছবি-সহ
বাংলাদেশের বিভিন্ন উৎসবের কথা মাথায় রেখে আলাদা আলাদা ক্যাটাগরিতে কিছু মেহেদি ডিজাইন ছবি সহ আপনাদের সঙ্গে এখন আমি তুলে ধরব।

সূচিপত্রঃ মেহেদি ডিজাইন ছবি সহ | মেহেদি ডিজাইন পিকচার

এই আর্টিকেল থেকে আপনি যা কিছু পাবেন তা এক নজরে দেখে নিন-

মেহেদি ডিজাইন ছবি সহ

আপনারা যারা সিম্পল মেহেদি ডিজাইন পছন্দ করেন তাদের জন্য এখানে কিছু ডিজাইন আমি তুলে ধরব। আবার ছেলেদের হাতের মেহেদি ডিজাইন আপনাদের দিয়ে দেব।


এই আর্টিকেল থেকে আপনারা যে সমস্ত মেহেদির ডিজাইনগুলো পাবেন তা সর্বপ্রথম দেখে নিন-
মেহেদি-ডিজাইন-পিকচার
তাহলে চলুন আমরা এখন পর্যায়ক্রমিক ভাবে মেহেদি ডিজাইন ছবি সহ দেখে নিই।

গর্জিয়াস মেহেদি ডিজাইন দেখে নিন

গর্জিয়াস-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

গর্জিয়াস-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

গর্জিয়াস-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

গর্জিয়াস-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

গর্জিয়াস-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

নতুন মেহেদি ডিজাইন দেখে নিন

নতুন-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

নতুন-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

নতুন-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

নতুন-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

নতুন-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

সিম্পল মেহেদি ডিজাইন দেখে নিন

সিম্পল-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

সিম্পল-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

সিম্পল-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

সিম্পল-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

সিম্পল-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

ঈদুল ফিতরের মেহেদি ডিজাইন দেখে নিন

ঈদুল-ফিতরের-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

ঈদুল-ফিতরের-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

ঈদুল-ফিতরের-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

ঈদুল-ফিতরের-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

ঈদুল-ফিতরের-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

ঈদুল আযহার মেহেদি ডিজাইন দেখে নিন

ঈদুল-আযহার-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

ঈদুল-আযহার-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

ঈদুল-আযহার-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

ঈদুল-আযহার-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

ঈদুল-আযহার-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

বিয়ের মেহেদি ডিজাইন দেখে নিন

বিয়ের-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

বিয়ের-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

বিয়ের-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

বিয়ের-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

বিয়ের-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

ছেলেদের মেহেদি ডিজাইন দেখে নিন

ছেলেদের-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

ছেলেদের-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

ছেলেদের-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

ছেলেদের-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

ছেলেদের-মেহেদি-ডিজাইন-ছবি

এখানকার সমস্ত ফটোগুলো আশা করছি আপনাদের কাজে লাগবে। আমরা প্রতিবছর এখানে নতুন নতুন মেহেদি ডিজাইন ছবি আপলোড করব। আপনাদের কেমন ধরনের মেহেদি ডিজাইন পিকচার প্রয়োজন তা আমাদের অবশ্যই জানাবেন।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে মেহেদি তৈরির উপায়

মেহেদি দেওয়ার জন্য আমরা অনেকেই বাজারের কেনা মেহেদি ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু এই মেহেদি গুলো আমাদের ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতি করে এটা কি আপনি জানেন? বাজারের কি না মেহেদি গুলো কৃত্রিম রং দেওয়া থাকে এবং কেমিক্যাল দেওয়া থাকে যার কারণে এগুলো আমাদের এড়িয়ে চলা উচিত।

ঠিক এজন্যই আমি আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব কিভাবে আপনারা বাসায় বসে প্রাকৃতিক উপাদান গুলো দিয়ে ভালো মেহেদি বানাতে পারেন সে সম্পর্কে।

মেহেদি তৈরির উপকরণসমূহ বৈশিষ্ট্য সমূহ
তাজা মেহেদি পাতা পাতা যদি একেবারে সতেজ হয়, তাহলে রঙ আরও গাঢ় হবে।
চায়ের লিকার মেহেদির রঙ আরও গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে।
লেবুর রস মেহেদির রঙ ফুটিয়ে তোলার জন্য প্রাকৃতিক অ্যাসিডিক উপাদান।
ইমলি বা আমলকীর রস মেহেদির কালার আরও দীর্ঘস্থায়ী করতে পারে।
সুগন্ধী উপাদান (লবঙ্গ বা গোলাপ জল) সুগন্ধ ও মসৃণতা যোগ করতে ব্যবহার করা যায়।
সরিষার তেল এটি মেহেদির রঙ আরও সমৃদ্ধ করে ও ত্বকে সহজে বসতে সাহায্য করে।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে মেহেদি তৈরির ধাপসমূহ 

প্রথমে সতেজ মেহেদি পাতা সংগ্রহ করতে হবে এবং এটি ভালোভাবে শুকাতে হবে। আপনি যদি ভালোভাবে না শুকান তাহলে এটি ভালো গুড়া হবে না। মেহেদি পাতা ভালো গুড়া হলে রং ভালো হবে।

এরপর শুকিয়ে যাওয়া মেহেদি পাতা ভালোভাবে ব্লেন্ডারে গুড়া করে নিতে হবে অথবা পিষে গুড়া করে নিতে হবে। এখন গুড়া করা মেহেদি পাতাগুলো চালনির উপরে রেখে আরো ভালোভাবে ঝেঁকে নিতে হবে।

এখন আপনাকে মেহেদির পেস্ট তৈরি করতে হবে। এজন্য মেহেদি ঘোরার সাথে আধা কাপ পরিমাণ চায়ের লিকার মেশাতে হবে। এই মিশ্রণের সাথে আরো যোগ করতে হবে আমলকির রস, সরিষার তেল এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস। মিশ্রণটি তৈরি হয়ে গেলে এখন আপনাকে এটি ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে এতে করে আপনার মেয়েদের রং আরো ভালো বিকশিত হবে।

এখন তৈরিকৃত মেহেদি পেস্ট লাগানোর জন্য প্রস্তুতকরণ করতে হবে। এইজন্য প্রথমে মিশ্রণটি চেক করে নিতে হবে। এখন আপনি চাইলেই আরো লেবুর রস মিশাতে পারেন অথবা পানির রস মিশিয়ে মিশ্রণটি পাতলা করতে পারেন।

মেয়েদের ডিজাইন সুন্দরভাবে হাতে দেওয়ার জন্য এখন আপনি একটি মেহেদি কোন অথবা কাঠি ব্যবহার করতে পারেন।

ঘরোয়া উপায়ে তৈরি মেহেদি শুধু নিরাপদ নয় বরং এটি অনেক বেশি স্থায়ী হয় এবং এটি প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর রঙ প্রদান করে। যারা কেমিক্যালবিহীন স্বাস্থ্যকর মেহেদি খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি একটি আদর্শ সমাধান হবে বলে আমি মনে করি।

মেহেদির রং বেশি গাঢ় করার টিপস

আপনি কি মেহেদির রং আরো গারো করতে চান? তাহলে এখানে মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। কারণ এখানে আমি এখন সেক্রেট টিপস বলবো যার মাধ্যমে আপনি আপনার মেহেদির রং আরও বেশি গাঢ় করতে পারবেন।

আপনি যদি মেহেদির রঙ গাড় করতে চান তাহলে লবঙ্গ গরম করতে পারেন এবং এটার ভাপ হাতে লাগাতে পারেন। মেহেদির শুকিয়ে যাওয়ার পর লেবু ও চিনির মিশ্রণ হাতে লাগালে হাতের রঙ দীর্ঘস্থায়ী থাকে। মেহেদি শুকিয়ে যাওয়ার পর ভালোভাবে হাত ধুয়ে যদি ঘি অথবা তেল লাগাতে পারেন তাহলে রং আরও উজ্জ্বল হবে। 

কেন ঘরোয়া উপায়ে তৈরি মেহেদি ব্যবহার করা উচিত?

কেন বাসায় তৈরি মেহেদি প্যাক ব্যবহার করা উচিত তা জানার জন্য নিচে দেখুন-
  • বাসায় তৈরি মেহেদি প্যাকের কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এজন্য এটি ব্যবহার করা উচিত।
  • বাসায় তৈরি মেহেদি প্যাক আপনার শরীর, নখ, চুল এর জন্য অত্যন্ত উপকারী।
  • বাসায় তৈরি মেহেদি ফ্যাক্ট যেহেতু ত্বক ভালো রাখে সেহেতু ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
  • যারা শিশু রয়েছেন তাদের জন্য বাসায় তৈরি মেহেদি প্যাক একদম নিরাপদ।
  • যারা গর্ভবতী মহিলা রয়েছেন তাদের জন্য বাসায় তৈরি মেহেদি প্যাক একদম নিরাপদ।
  • প্রাকৃতিক মেহেদি ব্যবহার করলে শরীরের বিভিন্ন জ্বালাপোড়া, ফুসকুড়ি বা অন্যান্য ত্বকের সমস্যা প্রতিরোধ করে।

বাজারের কেনা মেহেদি দেওয়ার অপকারিতা

বাজারের কেনা মেহেদির যে সমস্ত অপকারিতা রয়েছে তা নিম্নে নিচে দেওয়া হল-
  • বাজারের কেনা মেহেদিতে রাসায়নিক উপাদান রয়েছে যা প্রত্যেক মানুষের ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
  • যেহেতু কেনা মেহেদিতে রাসায়নিক উপাদান রয়েছে সেহেতু ত্বকের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
  • বাজারের কেনা মেহেদি দিলে চুলের রুক্ষতা এবং আদ্রতা বৃদ্ধি পায় এবং চুল পড়া বেড়ে যায়।
  • নখের মধ্যে দুর্বলতা ভাব দেখা দেয়, নখের উজ্জ্বলতা নষ্ট হয় এবং নখ ভেঙ্গে যায়।
  • যেহেতু কেনা মেহেদিতে কৃত্রিম শোভন দিয়ে ব্যবহার করা হয় সেহেতু অনেকেরই এলার্জির সমস্যা হতে পারে এবং শ্বাসকষ্ট সমস্যা হতে পারে। 
  • ত্বকের দীর্ঘস্থায়ী এলার্জির সমস্যা সৃষ্টির অন্যতম কারণ এই সমস্ত রাসায়নিক বিষাক্ত দ্রব্য শরীরের প্রয়োগ করা।
  • বাজারের কেনা মেহেদিতে ফথ্যালেটস (Phthalates) থাকে এবং এই উপাদানটি আমাদের শরীরের হরমোনাল ব্যালেন্স নষ্ট করে দেয়।
  • অনেক বাবা মা রয়েছেন যারা ছোট শিশুদের আনন্দ দেওয়ার জন্য পাতলা ত্বকে বাজারের কেনা মেহেদি দিয়ে দেন। কিন্তু এতে করে শিশুদের মারাত্মক চুলকানি এবং এলার্জিজনিত সমস্যা হতে পারে।
  • অনেক সময় দেখা যায় কেনা মেহেদি ব্যবহার করলে হাতের চামড়া পাতলা হয়ে যায় এবং সেই জায়গা লাল হয়ে যায়।

মেহেদি দেওয়ার নিয়ম

মেহেদি হাতে দেওয়ার পূর্বে কিছু নিয়ম রয়েছে।। আমি এখন সে সমস্ত নিয়ম গুলো সম্পর্কে আলোচনা করব যেন আপনারা ঘরে বসে ভালোভাবে মেহেদি দিতে পারেন।

মেহেদি দেওয়ার পূর্বে সর্বপ্রথম আপনাকে আপনার ত্বক প্রস্তুত করতে হবে। আর ত্বক প্রস্তুত করার জন্য ত্বকে স্ক্রাপ করতে হব। ত্বকে স্ক্রাব করার মানে হচ্ছে মরা চামড়াগুলো তুলে ফেলা। ত্বকের মরা চামড়া দূর করতে চিনির সঙ্গে লেবু মিশিয়ে ঘোষতে হবে।

হাতে মেহেদি দেওয়ার পূর্বে কোনোভাবেই তেল বা ক্রিম অথবা লোশন ব্যবহার করা যাবে না। এতে করে মেহেদির স্বাভাবিক কার্যকারিতা হারিয়ে যাবে। মেহেদি দেওয়ার পূর্বে হাত অবশ্যই একদম শুকনা রাখতে হবে কারণ স্যাঁত সাথে হাতে মেহেদি ভালোভাবে স্থায়ী হবে না।

মেহেদি ভালোভাবে ডিজাইন করার জন্য কোণ বা টুথপিক ব্যবহার করুন এতে করে আপনার ডিজাইন আকর্ষণীয় হবে। রং বেশি গাড়ো করার জন্য অবশ্যই আট ঘণ্টা হাতে মেহেদি রেখে দিতে হবে। তবে আপনি চাইলে ৬ ঘন্টা রেখে দিতে পারেন এতেও মেহেদি ভালো রং হবে।

মেহেদি শুকানোর সময় সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আবহাওয়াতে শুকাতে হবে অর্থাৎ ফ্যানের বেশি বাতাসে শুকানো যাবে না এবং বেশি রোদে মেহেদি শুকানো যাবে না।

মেহেদি দেওয়ার পর করণীয় ও বর্জনীয়

মেহেদি দেওয়ার পরে আরো কিছু নিয়ম রয়েছে যেগুলো আপনাকে মেনে চলতে হবে। তাই এখন আমরা মেহেদি দেওয়ার পর কিছু করণীয় ও বর্জনীয় নিয়ম কানুন সমূহ জেনে নিব।

মেহেদি দেওয়ার পর আপনারা যখন মেহেদি তুলে ফেলবেন তখন হাত শুষ্ক রাখবেন। মেহেদি তুলে ফেলার পাওয়ার অন্ততপক্ষে পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা হাতে পানি লাগাবেন না। এতে করে আপনার মেয়েদের রঙ দীর্ঘস্থায়ী হবে। আপনি যদি আরো ভালো ফলাফল পেতে চান তাহলে দিনরাত 24 ঘন্টা আপনি হাতে সাবান বাহের রস ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

মেহেদি তুলে ফেলার পর আপনি যদি সেই মেহেদি থেকে দীর্ঘস্থায়ী রং পেতে চান তাহলে হালকা গরম নারিকেল তেলের ভেতরে হাত চুবিয়ে রাখুন অথবা হালকা গরম তেল হাতে লাগিয়ে মালিশ করুন।

মেহেদি তুলে ফেলার পর আপনি যদি মেহেদির রং উজ্জ্বল করতে চান তাহলে দিনরাত 24 ঘন্টা পর আপনি হালকা গরম পানির ভাপ ব্যবহার করুন।

বাজারের মেহেদিতে কি কি ক্ষতিকর উপাদান থাকে?

বাজারের মেহেদির উপাদানগুলোতে যে সমস্ত ক্ষতিকার উপাদান থাকে এবং সে সমস্ত ক্ষতিকার উপাদান গুলো আমাদের ত্বকের যে ক্ষতি করে তারা নিম্নে নিচে দেওয়া হল-

বিষাক্ত ও ক্ষতিকর উপাদান ক্ষতিকর দিক সমূহ
প্যারাফেনিলেন ডায়ামিন (PPD) অ্যালার্জি, চুলকানি, ফোসকা, জ্বালাপোড়া, ত্বকের ক্যানসার, একজিমা ও স্থায়ী চর্মরোগ ইত্যাদি
লিড অক্সাইড (Lead Oxide) লিড বিষক্রিয়া, নিউরোলজিক্যাল সমস্যা, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, গর্ভবতীদের ঝুঁকি ইত্যাদি
অ্যামোনিয়া (Ammonia) ত্বকের স্থায়ী ক্ষত, শ্বাসকষ্ট ও অ্যাজমার ঝুঁকি, চুল রুক্ষ ও শুষ্ক ইত্যাদি
হাইড্রোজেন পারক্সাইড (Hydrogen Peroxide) চামড়া পাতলা, ত্বক লাল, নখ দুর্বল ইত্যাদি
আর্সেনিক (Arsenic) ও পারদ (Mercury) কিডনির ক্ষতি, লিভারের ক্ষতি, ত্বকের ক্যানসার, দীর্ঘস্থায়ী চর্মরোগ, প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস ইত্যাদি
সিন্থেটিক সুগন্ধি (Synthetic Fragrance & Perfume) মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, ত্বকের সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি, ইত্যাদি

FAQs

Q) মেহেদি দেওয়া কি?
A) মেহেদি দেওয়া সুন্নত।

Q) ছেলেদের হাতে এবং পায়ে মেহেদি দেওয়া যাবে কি?
A) ছেলেদের হাতে এবং পায়ে মেহেদি দেওয়া হারাম এবং কবিরা গুনাহ।

Q) ছেলেদের হাতে পায়ে এবং নখে মেহেদি দেওয়ার জায়েজ আছে?
A) ছেলেদের হাতে, পায়ে এবং নখে মেহেদি দেওয়ার জায়েজ নেই। কিন্তু ছেলেরা চুল এবং দাড়িতে মেহেদি দিতে পারবে।

শেষ আলোচনা

এই ছিল আজকের আলোচনা আমি আশা করছি আপনারা আনকমন মেহেদি ডিজাইন ছবি সহ পেয়ে গেছেন। আমি চেষ্টা করেছি বিভিন্ন ধরনের স্টোর থেকে ভালো ভালো মেহেদি ডিজাইনগুলো কালেক্ট করে আপনাদের দেওয়ার। ভবিষ্যতে আরো অনেক ডিজাইন এখানে দিয়ে দেওয়া হবে। নতুন কোন মেহেদি ডিজাইন আমাদের কাছে আসলেই আমরা এখানে সেই ডিজাইন পাবলিশ করে দিব। এই মেহেদি ডিজাইনগুলো সম্পূর্ণ ইউনিক এবং সম্পূর্ণ আমার নিজের সংরক্ষণ করা ছবি।
এই পোস্ট শেয়ার করুন
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url