জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করার পদ্ধতি
জাতীয়
পরিচয়পত্র সংশোধন করার পদ্ধতি সম্পর্কে জানার জন্য আপনারা অনেকেই আমাকে মেসেজ
করেছেন। সুপ্রিয় পাঠক বন্ধুগণ ঠিক এজন্যই আমি আজকে আপনাদের এই আর্টিকেলে
বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করার এ টু জেড সহজ পদ্ধতি আলোচনা করব।
জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করার পদ্ধতি ভালোভাবে বুঝতে হলে আপনাকে সর্বপ্রথম এই
আর্টিকেলটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। এরপর আপনি আমার
দেখানো পদ্ধতি অনুসরণ করে যত প্রয়োজন জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন খুব সহজেই করতে
পারবেন।
সূচিপত্রঃ জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করার পদ্ধতি
এই ব্লক পোস্টটি পড়ে আপনি যে সমস্ত বিষয় জানতে পারবেন তা এক নজরে দেখে নিন-
জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করার পদ্ধতিঃ প্রথম কাজ
জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করার পদ্ধতিতে যাওয়ার আগে আপনার একটি কাজ করে নিতে
হবে। সেই কাজটি হচ্ছে- আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ডের নাম্বারে টাকা রিচার্জ করতে
হবে। হ্যাঁ আপনি ঠিকই শুনেছেন ন্যাশনাল আইডি কার্ডের নাম্বারেও টাকা লোড করা
যায়। ন্যাশনাল আইডি কার্ডের নাম্বারে টাকা লোড করার জন্য আপনাকে সাহায্য নিতে
হবে বিকাশ, নগদ অথবা রকেট এর।
আপনি যেকোন বিকাশের দোকানে গেলেও তারা আপনাকে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বারে
টাকা পেমেন্ট করে দিবে। আপনি যদি নিজে নিজেই শিখতে চান তাহলে নিচের স্টেপ গুলো
ফলো করুন।
আপনি কিভাবে বিকাশের মাধ্যমে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রে টাকা রিচার্জ করবেন তা
এখন দেখে নিন-
স্টেপ ১- প্রথমে আপনাকে বিকাশ অ্যাপ এ প্রবেশ করতে হবে এবং পেমেন্ট অপশনে ক্লিক
করতে হবে।
স্টেপ ২- এখন আপনি একটু নিচের দিকে আসলেই দেখতে পাবেন এনআইডি ফি সরকারি
সার্ভিস লেখা রয়েছে। এখানে ক্লিক করবেন।
স্টেপ ৩- এখন আপনি আবেদনের ধরন এই লেখাটিতে ক্লিক করবেন এবং এনআইডি কারেকশনে
ক্লিক করবেন। তারপর নিচে আপনার এনআইডি কার্ডের নাম্বারটি দিয়ে, পে-বিল অপশনে
ক্লিক করে দিবেন।
স্টেপ ৪- এখন মোবাইল স্ক্রিনে আপনাকে দেখাবে- আপনার এনআইডি কার্ড সংশোধন করতে কত
টাকা লাগবে। সাধারণত ২৩০ টাকা খরচ হয় তবে সময়ের ভিত্তিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কম
বেশি হতে পারে। আমি যে সময় এই আর্টিকেলটি লিখছি এই সময় ২৩০ টাকা করে নিচ্ছিল।
আমার সাজেস্ট থাকবে আপনি ২৫০ টাকা আপনার এন আইডি কার্ডের নাম্বারে পেমেন্ট করে
নিবেন।
স্টেপ ৫- এখন আপনাকে আপনার বিকাশের পিন নাম্বার দিয়ে কনফার্ম করতে হবে।
তাহলেই আপনার এনআইডি কার্ডের নাম্বারে টাকা পেমেন্ট হয়ে যাবে।
নগদ কিংবা রকেট অ্যাপ থেকে এন আই ডি কার্ড এ টাকা রিচার্জ করার জন্য সেম এভাবেই
আপনি স্টেপ বাই স্টেপ পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করবেন।
জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করার পদ্ধতিঃ দ্বিতীয় কাজ
জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের জন্য আপনার কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগবে। এই
কাগজপত্র গুলো ছাড়া আপনি জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে পারবেন না। আপনি
অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করার আগে আপনার যে সমস্ত কাগজগুলো সঠিক রয়েছে সে
কাগজগুলোর পরিষ্কার ছবি মোবাইলে তুলে নিন। যেমন ধরুন আপনার জন্ম নিবন্ধন কার্ড
অথবা আপনার একাডেমিক পরীক্ষার রেজাল্টের সার্টিফিকেট ইত্যাদি।
উপরের এই সমস্ত কাগজ গুলো, অর্থাৎ যে কাগজ গুলো আপনার সঠিক রয়েছে সে কাগজগুলো
আপনাকে সুন্দরভাবে মোবাইলে ছবি তুলে, এক একটা ছবির নাম দিয়ে রাখবেন। যেন আপনার
বুঝতে সুবিধা হয়। যেমন ধরুন আপনি আপনার জন্ম নিবন্ধনের ছবি তুলে সেই ছবিটির নাম
দিয়ে দিবেন জন্ম নিবন্ধন। এতে করে এই ছবিগুলো আপলোড করার সময় আপনি সহজে বুঝতে
পারবেন কোনটি আপনার কোন ছবি।
জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করার জন্য নির্দিষ্ট কোন কাগজপত্রের উল্লেখ নেই। তাই
আপনার যে কাগজপত্রগুলো সঠিক রয়েছে সেগুলোই আপনি এখানে সাবমিট করবেন। কারন আপনার
সঠিক কাগজগুলো সরকারি কর্তৃপক্ষ চেক করে দেখবে। এখন আপনি যদি আপনার ভুল কাগজ দেন
তাহলে তারা এটি কখনো সংশোধন করবে না। আশা করছি বুঝতে পেরেছেন।
জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করার পদ্ধতিঃ তৃতীয় কাজ
জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করার পদ্ধতি আপনাকে কেন জানা লাগবে? দেখুন অনেক সময়
জাতীয় পরিচয় পত্র পাবার পর লক্ষ্য করা যায় জাতীয় পরিচয় পত্রে ভুল রয়েছে। এই
ভুলগুলো সাধারণত অসাবধানতাবশত হয়ে থাকে। অথবা আপনি যদি জাতীয় পরিচয় পত্র আবেদন
করার সময় কোন ভুল করে থাকেন তাহলে আপনার এনআইডি কার্ড টি ভুল তথ্য সহকারে আপনার
হাতে আসবে। ঠিক এজন্যই আপনাকে ন্যাশনাল আইডি কার্ড সংশোধন করার পদ্ধতি জেনে রাখতে
হবে।
কারণ আপনার অথবা আপনার পরিবারের যে কাউরি এই ধরনের ভুল হতে পারে। এক্ষেত্রে আপনার
যদি জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করার সহজ এই নিয়মটি জানা থাকে, তাহলে আপনি ঘরে
বসে নিজে নিজেই যে কোন জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে পারবেন।
তাহলে চলুন আমরা এখন স্টেপ বাই স্টেপ শিখে নিই কিভাবে আপনি আপনার বা আপনার পরিচিত
কারো জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করবেন-
স্টেপ ১- সর্বপ্রথম আপনাকে একটি অ্যাপ্লিকেশন গুগল প্লে স্টোর থেকে নামাতে হবে।
এই অ্যাপ্লিকেশনটির নাম হচ্ছে এনআইডি ওয়ালেট।
স্টেপ ২- এখন আপনাকে গুগল ক্রোম ব্রাউজারে প্রবেশ করে একটি ওয়েবসাইটে ঢুকতে হবে।
ওয়েবসাইটে ঢোকার লিংক- https://services.nidw.gov.bd/nid-pub লিখে সার্চ
করুন।
একটা ৩- এখন আপনাকে একাউন্ট Registration করতে হবে এজন্য রেজিস্ট্রেশন অপশন এ
ক্লিক করতে হবে।
স্টেপ ৪- এখন আপনাকে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার অথবা ফর্ম নাম্বারটি
বসিয়ে দিতে হবে। এরপর আপনার জন্মতারিখ সুন্দরভাবে বসিয়ে দিবেন। সবশেষে আপনাকে
একটি ক্যাপচা কোড পূরণ করতে হবে এবং সাবমিট অপশন এ ক্লিক করতে হবে।
স্টেপ ৫- এখন আপনাকে সাবধানতার সহিত আপনার সমস্ত ঠিকানা গুলো আস্তে আস্তে পূরণ
করতে হবে এবং পরবর্তী অপশনে ক্লিক করতে হবে।
স্টেপ ৬- এখন আপনাকে একটা মোবাইল নাম্বার দেখাবে, সেই মোবাইল নাম্বারে একটি OTP
কোড যাবে। সুতরাং আপনার কাছে যদি সেই নাম্বারটা না থাকে তাহলে নম্বরটি পরিবর্তন
অপশনে ক্লিক করবেন। আর যদি সেখানে যে নাম্বারটা দেখাবে সেটাই আপনার কাছে থাকে
তাহলে বার্তা পাঠান অপশনে ক্লিক করুন।
স্টেপ ৭- এখন আপনাকে এনআইডি ওয়ালেট অ্যাপটি ওপেন করার জন্য বলবে। অর্থাৎ আপনি
যখন ওপেন এ ক্লিক করবেন তখন এনআইডি ওয়ালেট অ্যাপসে প্রবেশ করবে যেটা আমরা প্রথমে
ডাউনলোড করেছিলাম। সেই অ্যাপটিতে ঢোকার পরে আপনাকে ফেস ভেরিফাই করতে হবে।
ভেরিফাই করার জন্য বামে এবং ডানে তাকাবেন।
স্টেপ ৮- ফেস ভেরিফাই হয়ে গেলে আপনাকে পুনরায় অটোমেটিক্যালি আপনার ব্রাউজারে
নিয়ে আসবে এবং এখানে আপনি আপনার সম্পূর্ণ ডিটেইলস দেখতে পাবেন। এখন আপনি এড়িয়ে
যান অপশনে ক্লিক করুন। অথবা আপনি যদি চান পরবর্তীতে একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে ঢুকবেন
তাহলে পাসওয়ার্ড সেট করুন। তবে আপনি পাসওয়ার্ড সেট না করেও এড়িয়ে যান
অপশনটিতে ক্লিক করে সমস্ত কাজ করতে পারবেন।
স্টেপ ৯- এখন আপনাকে প্রোফাইল অপশনে ক্লিক করতে হবে।
স্টেপ ১০- এখন এখানে আপনি আপনার ছবি এবং সমস্ত ঠিকানা বাংলা-ইংরেজিতে দেখতে
পাবেন। এখানে প্রথমে আপনাকে এডিট অপশনে ক্লিক করতে হবে এবং তারপর বহাল অপশনে
ক্লিক করতে হবে।
স্টেপ ১১- এখন এখানে আপনার সকল তথ্যগুলো এডিট করতে পারবেন। মনে রাখবেন এখানে
সতর্কতার সহিত আপনার তথ্যগুলো এডিট করুন। এডিট হয়ে গেলে পরবর্তী অপশনে ক্লিক
করবেন।
স্টেপ ১২- এখন আপনি কি পরিবর্তন করেছেন সেটি আপনাকে দেখাবে। এখানে আপনি চেক করে
নিবেন যে আপনি যেটা পরিবর্তন করেছেন সেটা ঠিক আছে কিনা। এরপর পুনরায় পরবর্তী
অপশনে ক্লিক করবেন।
স্টেপ ১৩- এখন আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বারে যে টাকাটা রিচার্জ করেছেন
সেই টাকাটা দেখতে পাবেন। এখানে বিতরণের ধরন অপশন এর উপরে ক্লিক করলে রেগুলার এবং
স্মার্ট কার্ড অপশন দেখতে পাবেন। আপনি আপনার যে কার্ডের তথ্য সংশোধন করতে চান
সেটার উপরে ক্লিক করবেন। পূর্বের স্মার্ট কার্ড হচ্ছে রেগুলার এবং বর্তমান
কার্ড হচ্ছে স্মার্ট কার্ড। অর্থাৎ পূর্বের কার্ডের তথ্য সংশোধন করতে চাইলে
রেগুলারে ক্লিক করবেন এবং বর্তমান স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংশোধন করতে হলে স্মার্ট
কার্ড অপশনে ক্লিক করবেন। এরপর পরবর্তী অপশনে ক্লিক করবেন।
স্টেপ ১৪- এখন আপনাকে কাগজপত্র সংযোজন করতে হবে যে কাগজপত্রের কথা আমি উপরে
আপনাদের বলে দিয়েছি। আপনাদের যে সমস্ত কাগজপত্র সঠিক শুধু সেগুলো আপলোড করবেন।
আপলোড করা হয়ে গেলে পরবর্তী অপশনে ক্লিক করবেন।
স্টেপ ১৫- এখন আপনি কি সংশোধন করেছেন এবং কি কি কাগজপত্র সংযোজন করেছেন সেটি
আপনাকে দেখাবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আপনি সাবমিট বাটনে ক্লিক করলেই আপনার সংশোধন
করার আবেদনটির প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে।
স্টেপ ১৬- এখন আপনি ডাউনলোড অপশন দেখতে পাবেন। ডাউনলোডে ক্লিক করলেই আপনার ফর্মটি
পিডিএফ আকারে ডাউনলোড হয়ে যাবে। এখন আপনি আপনার ফর্মটি কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে
প্রিন্ট করে নিবেন।
এভাবে আপনি খুব সহজেই আপনার এনআইডি কার্ডের তথ্য সংশোধন করতে পারবেন। আপনার
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কিছুদিনের মধ্যেই আপনাকে মেসেজ করে জানিয়ে দেয়া হবে। সেই
মেসেজটি নিয়ে এবং আপনার ডাউনলোড কৃত ফর্ম, পুরনো এন আই ডি কার্ড এছাড়াও আরো
আপনার প্রয়োজনে কাগজপত্র নিয়ে আপনি আপনার নিকটস্থ এনআইডি সরবরাহ কেন্দ্র
যোগাযোগ করবেন।
জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করার পদ্ধতি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা
আমি আপনাদের যে ভাবে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করার পদ্ধতি শিখাব আপনি যদি এই
পদ্ধতি শিখে রাখতে পারেন তাহলে, এই একটি পদ্ধতি অবলম্বন করেই আপনি আপনার নাম,
আপনার বয়স, আপনার রক্তের গ্রুপ, আপনার ঠিকানা ইত্যাদি সবকিছু পরিবর্তন করতে
পারবেন। সুতরাং বুঝতে পারছেন কেন আমি প্রথমে বলেছি এই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে
পড়তে।
আপনারা অনেকেই মনে করেন জাতীয় পরিচয় পত্রের নামের ভুল বা ঠিকানার ভুলগুলো
সংশোধন করার জন্য আলাদা আলাদা অ্যাপ্লিকেশন করতে হয়। কিন্তু না আপনাকে আর
আলাদা আলাদা অ্যাপ্লিকেশন করার ঝামেলা পোহাতে হবে না।
ইন্টারনেটে অনেকেই আপনাকে
বিভিন্ন ভাবে শেখাবে কিন্তু সে সকল পদ্ধতি গুলো আপনার কাছে ঝামেলার মনে হবে।
তাই আপনি যদি ঝামেলা মুক্ত থেকে শুধুমাত্র একটি নিয়মেই সবগুলো ভুল সংশোধন করতে
পারেন, সে জন্য আমি চেষ্টা করেছি সহজ ভাবে এই পদ্ধতিটি আপনাদের বোঝানোর।
FAQ
১) জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন কীভাবে করবেন?
উত্তরঃ জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করার জন্য আপনাকে প্রথমে আপনার এনআইডি
নাম্বারে টাকা ডিপোজিট করতে হবে। আপনি বিকাশ, নগদ অথবা রকেট ব্যবহার করে
ডিপোজিট করতে পারবেন। ডিপোজিট করার পর আপনাকে এই আর্টিকেলের নিয়ম অনুযায়ী
জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে হবে।
২) জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন?
উত্তরঃ জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের জন্য আপনার প্রয়োজনীয় যে সকল
কাগজপত্র রয়েছে, সে সমস্ত সকল কাগজপত্র দরকার পড়বে।
৩) জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের ওয়েবসাইট কোনটি?
উত্তরঃ জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের ওয়েবসাইটের হচ্ছে-
https://services.nidw.gov.bd/nid-pub।
৪) জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য কোত ফি দিতে হয়?
উত্তরঃ জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করতে সাধারণত ২৩০ টাকা ফি দিতে হয়, তবে এটি
সময়ভিত্তিক কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।
৫) জাতীয় পরিচয় পত্রে কোন ধরনের ভুল সংশোধন করা সম্ভব নয়?
উত্তরঃ জাতীয় পরিচয় পত্রের সকল ধরনের ভুল সংশোধন করা সম্ভব যদি আপনার
কাছে সঠিক কাগজপত্র থাকে।
৬) জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন হতে কতদিন সময় লাগে?
উত্তরঃ আবেদন করার পর আপনাকে এক মাস থেকে দুই মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করা
লাগতে পারে।
৭) জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে কয়টি সিম তোলা যাবে?
উত্তরঃ জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১৫ টি সিম নিবন্ধন
করতে পারবে।
শেষ মন্তব্য
আমি আশা করছি আপনারা জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করার পদ্ধতি বুঝতে পেরেছেন।
তারপরও আপনাদের যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। আমরা
চেষ্টা করব আপনাদের সকল সমস্যার সমাধান করার। আপনাদের যেকোনো বিষয়ে তথ্য জানার
থাকলে অবশ্যই আমাদের অবগত করবেন। কারণ আপনাদের সঠিক এবং প্রয়োজনীয় তথ্য
দেওয়ার জন্য আমরা সব সময় প্রস্তুত। সবাই ভালো থাকবেন। আসসালামু আলাইকুম।