অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করার নিয়ম
অনলাইনে
জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করার নিয়ম আপনারা অনেকেই জানেন না। তাই আপনারা আমার
কাছ থেকে এই নিয়মটি শিখতে চেয়েছেন। এজন্য আমি আজকে এই আর্টিকেলে এ টু জেড
বিস্তারিত শেখাবো কিভাবে আপনি অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করবেন।
এই আর্টিকেলটি আপনি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন। কারণ আপনি প্রথম থেকে শেষ
পর্যন্ত না পড়লে অনলাইনে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করার নিয়ম সম্পর্কে
ভালোভাবে বুঝতে পারবেন না। তাহলে চলুন শুরু করা যাক আজকের টপিক।
সূচিপত্রঃ অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করার নিয়ম
আপনি এই পাশ থেকে যে সমস্ত বিষয় জানতে পারবেন তা এক নজরে দেখে নিন-
অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করার নিয়ম
আপনারা যদি সঠিকভাবে অনলাইনে জাতীয় পরিচয় পত্র ফরম পূরণ করে, তারপর সেই ফর্ম
আপনার নিকটস্থ এনআইডি কার্ড সংগ্রহ কেন্দ্র জমা দেন, তাহলে আপনাকে সাথে সাথে
জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদান করবে না। জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করতে কিছুটা দেরি
হয়।
আরো পড়ুনঃ নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র আবেদন করার
নিয়ম
কিন্তু এই সময়ের মধ্যে আপনার যদি জাতীয় পরিচয় পত্রের প্রয়োজন পড়ে তখন আপনি
কি করবেন? টেনশন নেওয়ার কোন কারণ নেই কারণ আমি আজকে এই আর্টিকেলে আলোচনা করব
কিভাবে আপনি সাময়িক কাজের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় পত্রটির অনলাইন
কপি ডাউনলোড করবেন।
NID ডাউনলোড করার নিয়ম নিম্নরূপ নিচে দেওয়া হলঃ
স্টেপ ১- সর্বপ্রথম আপনাকে এনআইডি ওয়ালেট (NID Wallet) অ্যাপসটি গুগল প্লে
স্টোর থেকে ইন্সটল করতে হবে।
স্টেপ ২- এরপর আপনাকে যেকোনো ব্রাউজারে গিয়ে সার্চ করতে
হবে https://services.nidw.gov.bd/nid-pub লিখে। ক্রোম ব্রাউজার থেকে
সার্চ করলে সবচেয়ে ভালো বুঝতে পারবেন।
স্টেপ ৩- এরপর আপনার কাছে নিচের ছবির মত অপশন আসবে। এখন আপনাকে রেজিস্ট্রেশন
অপশনে ক্লিক করতে হবে।
স্টেপ ৪- এখন আপনাকে আপনার ফর্ম নাম্বারটি প্রদান করতে হবে। অর্থাৎ আপনি
কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরে আপনাকে যে ছোট স্লিম দিয়েছে, সেই স্লিপে আপনি একটি
ফর্ম নাম্বার পাবেন। ওইটা প্রথমে বসাবেন। এরপর আপনাকে জন্ম তারিখ বসাতে হবে।
এবং একটি জল ছাপ বা ক্যাপছা কোড পূরণ করে সাবমিট দিতে হবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ যারা পুরনো এন আই ডি কার্ড হারিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন ভাবে
আবেদন করেছেন তারা পুরানো আইডি কার্ড নাম্বারটি বসাবেন।
স্টেপ ৫- এরপর আপনাকে আপনার বিভাগ, জেলা, উপজেলা এ সমস্ত বিষয়গুলো পূরণ
করতে হবে। আপনার এনআইডি কার্ডে যেভাবে আপনি ঠিকানা দিয়েছেন ঠিক সেভাবেই এখানে
বসাবেন।
স্টেপ ৬- এরপর আপনাকে আপনার মোবাইল নাম্বার দেখাবে। ওই মোবাইল নাম্বারে একটি
কোড যাবে। ওই মোবাইল নাম্বারটা যদি আপনার কাছে না থাকে তাহলে মোবাইল নাম্বার
পরিবর্তন অপশনে ক্লিক করে নতুনভাবে আপনার একটি মোবাইল নাম্বার দিবেন। সেই মোবাইল
নাম্বারটা অবশ্যই আপনার কাছে থাকতে হবে কারণ সেই নাম্বারে কোড যাবে।
স্টেপ ৭- এখন আপনাকে ফেস ভেরিফাই করার জন্য এনআইডি ওয়ালেট অ্যাপসে ঢোকার
জন্য বলবে। আপনি নিজের মতো করে ফেস ভেরিফাই করে নিবেন। ফেস ভেরিফাই কিভাবে করবেন
তা আমি এই আর্টিকেলের নিচে দিকে আপনাদের বলে দিব। এজন্য আমি বলছি আর্টিকেলটি
পুরোটা আপনাকে পড়তে হবে তারপর আপনি নিজে নিজে ডাউনলোড করার চেষ্টা করবেন। আপনি
প্লে স্টোর থেকে যে অ্যাপসটি নামিয়েছেন সে অ্যাপসটির কাজ হচ্ছে আপনার ফেস
স্ক্যান করা।
স্টেপ ৮- আপনার ফেস স্ক্যান করা হয়ে গেলে আপনাকে অটোমেটিক্যালি পুনরায়
আবার ব্রাউজারে নিয়ে চলে আসবে। এখানে আপনি দেখতে পাবেন 'এড়িয়ে যান' এবং
'পাসওয়ার্ড সেট' অপশন। এখানে আপনি এড়িয়ে যান অপশনে ক্লিক করবেন। অথবা আপনি
চাইলে পাসওয়ার্ড সেট করতে পারেন এটা সম্পূর্ণ আপনার বিষয়। তবে পাসওয়ার্ড সেট
না করেও আপনি জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।
স্টেপ ৯- এখন আপনি দেখতে পাবেন আপনার এনআইডি কার্ডে সকল তথ্য আপনাকে
দেখাচ্ছে। এখানে আপনি নিচের দিকে ডাউনলোড করার একটি অপশন পাবেন। সেখান থেকে আপনার
এনআইডি কার্ড টি সাময়িক কাজের জন্য ডাউনলোড করে নিন। পিডিএফটি কম্পিউটারের
দোকানে গিয়ে প্রিন্ট করে নিবেন।
অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করার নিয়ম সম্পর্কে ২টি গুরুত্বপূর্ণ কথা
প্রথম গুরুত্বপূর্ণ কথাঃ
আপনাদের যখন ফেস ভেরিফাই করার জন্য এনআইডি ওয়ালেট অ্যাপসে নিয়ে যাবে তখন আপনাকে
খুব ভালোভাবে ফেস ভেরিফাই করতে হবে। যেমনঃ ফেস ভেরিফাই করার সময় আপনাকে
ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে ডানে, বামে ঘুরতে হবে এবং চোখের পলক ফেলতে হবে। কোন কোন
সময় আপনার ফেস ওপরে নিচে করতে হতে পারে।
আরো পড়ুনঃ জাতীয় পরিচয় পত্র যাচাই করার পদ্ধতি
আপনার ফেস কোন দিকে নিয়ে যেতে হবে এবং কোন দিকে ঘুরাতে হবে তা আপনি মোবাইলের
স্ক্রিনের উপরে করে দেখতে পাবেন। আপনি যদি এই কাজটি ভালোভাবে না করেন তাহলে আপনি
অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করতে পারবেন না।
দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ কথাঃ
স্টেপ নাম্বার ৪ এ শুধুমাত্র তারাই ফর্ম নাম্বারটা দিবেন যারা নতুন জাতীয় পরিচয়
পত্রের জন্য আবেদন করেছেন। কিন্তু যাদের কাছে জাতীয় পরিচয় পত্র আছে কিন্তু
হারিয়ে ফেলেছেন তাদেরকে ওখানে পুরনো এনআইডি কার্ডের নাম্বারটি বসাতে হবে। অর্থাৎ
ফরম নাম্বারটি শুধুমাত্র নতুন ভোটারদের জন্য এবং পুরনো ভোটারদের জন্য এনআইডি
নাম্বার। আশা করছি বুঝতে পেরেছেন
সংশোধিত জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড
আপনার ভোটার আইডি কার্ডে যদি তথ্য ভুল থাকে তাহলে আপনি সেটি সংশোধন করতে
পারবেন। কিন্তু ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার কতদিন পর আপনি সংশোধিত আইডি কার্ড
টা পাবেন তা নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। এজন্য মাঝে মাঝে আপনাকে আপনার এনআইডি
কার্ডটা অনলাইনে যাচাই করতে হবে।
অনলাইনে যাচাই করার সময় আপনি যদি দেখেন আপনার তথ্যগুলো সংশোধন করা হয়েছে
তাহলে বুঝবেন আপনাকে খুব তাড়াতাড়ি নতুন সংশোধিত আইডি কার্ডটি দিয়ে দেওয়া
হবে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এনআইডি কার্ড সংশোধন করার পরে আপনাদের যখন
প্রয়োজন পড়বে তখন আপনারা অনলাইন থেকে সংশোধিত আইডি কার্ড টা ব্যবহার করতে
পারবেন। যতদিন আপনারা এনআইডি কার্ডের সংশোধিত কপি হাতে না পাবেন ততদিন অনলাইনের
সংশোধিত আইডি কার্ড টি ব্যবহার করুন।
আমি এই আর্টিকেলে উপরে যেভাবে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করা শিখিয়েছি ঠিক
সেভাবেই আপনারা কাজগুলো সম্পন্ন করবেন। কারণ নরমাল জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড
করার পদ্ধতি এবং সংশোধিত জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করার পদ্ধতি একই।
পুরাতন জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড
বাংলাদেশের পুরাতন জাতীয় পরিচয় পত্রটি এখন আর কোন প্রতিষ্ঠানে গ্রহণযোগ্য
নয়। এজন্য পুরনো জাতীয় পরিচয় পত্র গুলো সার্ভার থেকে মুছে ফেলা হয়েছে।
অনলাইনে অনেকেই আপনাকে পুরনো জাতীয় পরিচয় পত্র বের করার সিস্টেম দেখাবেন
কিন্তু সেটা মূলত নতুন পরিচয় পত্র ডাউনলোডের সিস্টেম।
আপনি পুরনো ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে বর্তমানে চলতে পারবেন না কারণ স্মার্ট এন আই
ডি কার্ড ছাড়া এখন কোন প্রকারের প্রাতিষ্ঠানিক বা লেনদেন কার্য সম্পন্ন হয়
না। আমি এই আর্টিকেলে আপনাদের যেভাবে ডাউনলোড করা শিখিয়েছি ঠিক সেভাবেই অন্যরা
পুরাতন এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করার পদ্ধতি শেখায়।
স্লিপ নাম্বার দিয়ে ভোটার আইডি ডাউনলোড
স্লিপ নাম্বার দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড অথবা এন আই ডি কার্ডের নাম্বার
দিয়ে ভোটার আইডি কার্ডের ডাউনলোড একই প্রসেস। আপনারা এই আর্টিকেলের প্রথম
সেকশনে চার নম্বর স্টেপে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন সেখানে এনআইডি নাম্বার এবং
ফর্ম নাম্বার বা স্লিপ নাম্বার দেওয়ার জন্য একটি ঘর রয়েছে।
ওইখানে স্লিপ নাম্বার টা দিয়ে দিবেন। এভাবে খুবই সিম্পল প্রসেসে মাত্র একটি
পদ্ধতি অবলম্বন করে আইডি কার্ড নাম্বার অথবা স্লিপ নাম্বার দিয়ে ভোটার আইডি
কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।
ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড না হবার সমাধান
আপনি কি ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারছেন না? দেখুন আমারও এরকম সমস্যা
হয়েছিল এবং আমি ব্রাউজার চেঞ্জ করার মাধ্যমে এই সমস্যাটির সমাধান করেছি।
ফায়ারফক্স ব্রাউজার থেকে আমি ডাউনলোড দেওয়ার চেষ্টা করছিলাম কিন্তু ডাউনলোড
হচ্ছিল না। পরবর্তীতে ফায়ারফক্স ব্রাউজার থেকে ক্রোম ব্রাউজারে এসে ডাউনলোড
দেয়ার পর ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড হয়েছিল।
আপনাদের যখন এরকম ডাউনলোড সমস্যা হবে তখন আপনারা ব্রাউজার চেঞ্জ করে দেখবেন।
অর্থাৎ ধরুন আপনার ক্রোম ব্রাউজারে সমস্যা হয়েছে তখন আপনি ফায়ারফক্স
ব্রাউজারে চেষ্টা করবেন। আবার আপনার যখন ফায়ারফক্স ব্রাউজারে সমস্যা হবে তখন
ক্রোম ব্রাউজারে এসে চেষ্টা করবেন। ব্রাউজারে সার্ভার সমস্যার কারণে ডাউনলোড
ইস্যু জনিত সমস্যা হয়। এই সমস্যা আবার অটোমেটিক্যালি ঠিক হয়ে যায়।
FAQ
১) অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করার জন্য কি কি প্রয়োজন?
উত্তরঃ অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করার জন্য আপনার ফরম নাম্বার
অথবা এনআইডি কার্ডের নাম্বার প্রয়োজন।
২) পুরাতন এনআইডি কার্ড হারিয়ে ফেললে কি করতে হবে?
উত্তরঃ পুরাতন এনআইডি কার্ড হারিয়ে গেলে সর্বপ্রথম আপনাকে থানায় জিডি
করতে হবে এরপর থানার জিডি করা কাগজ নিয়ে আপনাকে উপজেলা নির্বাচন কমিশন
অফিসে দরখাস্ত করতে হবে। এরপর পুনরায় নতুন আইডি কার্ডের জন্য অনলাইনে
আবেদন করতে হবে। অনলাইনের আবেদন করার ফর্মটি উপজেলা নির্বাচন কমিশনে এসে
জমা দিতে হবে।
৩) জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করার জন্য কিসের ভেরিফিকেশন দরকার?
উত্তরঃ জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করার জন্য আপনাকে ফেস ভেরিফাই করতে হবে
এবং এটি মোবাইলের মাধ্যমে করা যাবে।
৪) NID Wallet কি?
উত্তরঃ NID Wallet হচ্ছে একটি অ্যাপ্লিকেশন। এটি আপনারা গুগল প্লে স্টোরে
পেয়ে যাবেন। এই অ্যাপস এর কাজ হচ্ছে- জাতীয় পরিচয় পত্রের ডাউনলোড,
সংশোধন বা ভোটার আইডি কার্ড সংশ্লিষ্ট যে কোন বিষয়ের জন্য ফেস ভেরিফিকেশন
করা।
৫) জাতীয় পরিচয় পত্র কি?
উত্তরঃ জাতীয় পরিচয় পত্র হচ্ছে সেই জিনিস যা দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের
পরিচয় পত্র।
৬) জাতীয় পরিচয় পত্রের আরেক নাম কি?
উত্তরঃ জাতীয় পরিচয় পত্রের আরেক নাম ন্যাশনাল আইডি কার্ড।
৭) নতুনদের জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করার জন্য কোন নাম্বার
প্রয়োজন?
উত্তরঃ নতুনদের যাতে পরিচয় পত্র ডাউনলোড করার জন্য ফরম নাম্বার প্রয়োজন।
৮) পুরনো ভোটারদের জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করার জন্য কোন নাম্বার
প্রয়োজন?
উত্তরঃ যারা পুরনো ভোটার রয়েছেন তাদের অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র
ডাউনলোড করার জন্য ন্যাশনাল আইডি কার্ডের নাম্বার প্রয়োজন।
৯) কত বছর বয়সে জাতীয় পরিচয় পত্রের আবেদন করা যায়?
উত্তরঃ বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম অনুযায়ী ১৮ বছর বয়সে জাতীয় পরিচয় পত্রের
জন্য আবেদন করা যায়।
১০) জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করার লিংক কোনটি?
উত্তরঃ জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করার লিংক-
https://services.nidw.gov.bd/nid-pub।
শেষ আলোচনা
আমি আশা করছি আপনারা এখন থেকে খুব সহজেই দরকারি কাজের জন্য অনলাইন থেকে জাতীয়
পরিচয় পত্র ডাউনলোড করতে পারবেন নিজে নিজেই। মনে রাখবেন এই এনআইডি কার্ড
শুধুমাত্র সাময়িক সময়ের জন্য। আপনি আপনার আসল এনআইডি কার্ডটি পাওয়ার পরে
অনলাইন এই কপি ব্যবহার করবেন না।
জাতীয় পরিচয় পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ নিয়ে
যদি আপনাদের আরো কোন কিছু শেখার থাকে অথবা জানার থাকে তাহলে আমাকে অবগত করবেন।
আমি আপনাদের সকল তথ্যগুলো সহজ ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করব। আজ এই পর্যন্তই। সবাই
ভালো থাকবেন। আসসালামু আলাইকুম।