জাতীয় পরিচয় পত্র আবেদন করার নিয়ম | নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র আবেদন করার নিয়ম
জাতীয় পরিচয় পত্র আবেদন করার নিয়ম জানার জন্য আপনারা অনেকেই সার্চ করে থাকেন।
তাই আমি আজকে আপনাদের সঙ্গে খুব সহজ একটি পদ্ধতি আলোচনা করব এবং ছবির সাহায্যে
বুঝিয়ে দেবো কিভাবে আপনারা নতুন পদ্ধতিতে আবেদন করার নিয়ম সঠিকভাবে পূরণ করবেন।
এই আর্টিকেলটি আপনি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে না পড়লে নতুন জাতীয়
পরিচয় পত্র আবেদন করার নিয়ম বুঝতে পারবেন না। তাহলে চলুন শুরু করা যাক আজকের
আলোচনা।
পোস্ট সূচীপত্রঃ জাতীয় পরিচয় পত্র আবেদন করার নিয়ম
এই আর্টিকেল থেকে আপনি কি কি জানতে পারবেন তা এক নজরে দেখে নিন-
নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র আবেদন করার কাগজপত্র সমূহ
জাতীয় পরিচয় পত্র আবেদন করার নিয়ম জানার পূর্বে আপনাদের জানতে হবে জাতীয়
পরিচয় পত্র আবেদন করার জন্য কোন কোন কাগজপত্র আপনার প্রয়োজন।
তাহলে চলুন আমরা প্রথম প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলো সম্পর্কে জেনে নিই-
- সর্বপ্রথম আপনার ১৮ বছর হতে হবে তারপর আপনাকে নিম্নোক্ত কাগজ গুলো সংগ্রহ করতে হবে। 👇
- জন্ম নিবন্ধন সনদ। মনে রাখবেন জাতীয় পরিচয় পত্রের আবেদন করার জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদ থাকা অবশ্যই বাধ্যতামূলক।
- শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদ যদি থাকে তাহলে সেই কাগজের প্রয়োজন পড়বে। আর যদি শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ না থাকে তাহলে সেই কাগজের কোন প্রয়োজন নেই।
- নাগরিক সনদপত্র, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট, কমিশনারের সার্টিফিকেট (এটাও বাধ্যতামূলক)।
- প্রত্যয়ন পত্র। আপনার এলাকায় স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি প্রতিষ্ঠান থেকে এটি সংগ্রহ করবেন।
- আপনার পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের ক্লিয়ার ফটোকপি (এটাও থাকা বাধ্যতামূল)।
- ইউটিলিটি বিল যেমনঃ বৈদ্যুতিক বিল, পানির বিল, গ্যাসের লাইন বিল ইত্যাদি। (এটাও থাকা বাধ্যতামূল)
- ট্যাক্স বা কর পরিষদের রশিদ।
- আপনার রক্তের গ্রুপ। (এটা বাধ্যতামূলক নয় তবে দেওয়া ভালো)
- আপনার বয়স ১৮ বছর পার হয়ে যাওয়ার অনেকদিন পরেও আপনি যদি জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য আবেদন না করেন তাহলে বর্তমানে আপনাকে আবেদন করার জন্য একটি অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। অর্থাৎ নতুন যারা জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য আবেদন করছেন তাদের এটির প্রয়োজন নেই।
উপরের কাগজগুলো সংগ্রহ করার পরে আপনাকে যে কোন কম্পিউটারের দোকানে কাগজগুলো নিয়ে
গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। অথবা আপনি নিজে বাসায় বসেও আপনার কম্পিউটার বা
মোবাইলের মাধ্যমে এই আবেদনটি সম্পন্ন করতে পারবেন।
আরো দেখুন:
অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করার নিয়ম
তাহলে চলুন আমরা এখন জেনে নিই কিভাবে আমরা অনলাইনের মাধ্যমে নিজেরাই ঘরে বসে নতুন
জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য আবেদন করব।
অনলাইনে নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র আবেদন করার নিয়ম
অনলাইনে এনাইডি আবেদন করার নিয়ম নিম্নরূপ নিচে দেওয়া হলঃ
*স্টেপ ১ - প্রথমে আপনাকে যে কোন ব্রাউজারে গিয়ে সার্চ করতে হবে
https://www.nidw.gov.bd/ লিখে।
*স্টেপ ২ - এখন আপনাকে "নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন" এই অপশন এ ক্লিক করতে
হবে।
*স্টেপ ৩ - এখন আপনাকে আপনার জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী নাম, জন্মতারিখ এগুলো বসাতে
হবে।
*স্টেপ ৪ - এখন আপনি একটি জল ছাপ দেখতে পাবেন। অর্থাৎ অস্পষ্ট একটি লেখা
দেখতে পাবেন। সেটি সুন্দরভাবে পূরণ করে বহাল অপশনে ক্লিক করুন।
*স্টেপ ৫ - এখন আপনাকে একটা ফোন নাম্বার দিতে হবে এবং বার্তা পাঠান অপশনে
ক্লিক করুন। আপনি যে মোবাইল নাম্বারটা দিবেন সেই ফোন নাম্বারে একটি কোড আসবে।
*স্টেপ ৬ - এরপর আপনার ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে বহাল অপশনে ক্লিক
করুন।
*স্টেপ ৭ - এখন আপনার সামনে বিস্তারিত প্রোফাইল অপশন আসবে, বিস্তারিত
প্রোফাইল অপশন এ ক্লিক করুন।
*স্টেপ ৮ - এখন আপনাকে এডিট অপশনে ক্লিক করে আপনার ব্যক্তিগত তথ্যগুলো সব
পূরণ করতে হবে। যেমনঃ আপনার নাম, আপনার লিঙ্গ, আপনার ব্লাড গ্রুপ, আপনার জন্ম
নিবন্ধন নাম্বার, আপনার পিতা মাতার নাম ও ঠিকানা ইত্যাদি।
*স্টেপ ৯ - সবগুলো তথ্য পূরণ করা হয়ে গেলে আপনাকে পরবর্তী অপশনে ক্লিক করতে
হবে।
*স্টেপ ১০ - এরপর আপনাকে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, টিন নম্বর, ড্রাইভিং
লাইসেন্স, শারীরিক প্রতিবন্ধী, ধর্ম, মোবাইল নাম্বার ইত্যাদি বিষয়গুলো পূরণ করতে
হবে।
*স্টেপ ১১ - উপরের বিষয়গুলো সব পূরণ হয়ে গেলে আবার আপনাকে পরবর্তী অপশনে
ক্লিক করতে হবে।
*স্টেপ ১২ - এখন আপনি দেশের ভেতর থেকে স্থায়ী ঠিকানায় ভোটার আইডি কার্ড
পেতে চান নাকি দেশের বাইরে থেকে পেতে চান সেটি উল্লেখ করে দিন, এছাড়া ভোটার
ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানা, স্থায়ী ঠিকানা, বিভাগ, জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, সিটি
কর্পোরেশন, ইউনিয়ন ইত্যাদি বিষয়গুলো এখানে পূরণ করতে হবে।
*স্টেপ ১৩ - উপরের তথ্যগুলো পূরণ হয়ে যাওয়ার পরে পুনরাই আপনাকে পরবর্তী
অপশনে ক্লিক করতে হবে।
*স্টেপ ১৪ - এখন আপনার সামনে নিচের মত অপশন আসবে।
এখানে বলা থাকবে আপনার কোন কাগজপত্রের প্রয়োজন নেই। এখানে আপনি পুনরায় পরবর্তী
অপশনে ক্লিক করুন।
*স্টেপ ১৫ - এখন আপনার কাছে নিচের ছবির মত আসবে।
এখানে সাবমিট অপশনে ক্লিক করে আবেদনটি নিশ্চিত করুন।
*স্টেপ ১৬ - এখন আপনি ডাউনলোড অপশন দেখতে পাবেন।
ডাউনলোডে ক্লিক করে আপনার ফরমটি ডাউনলোড করে নিন।
*স্টেপ ১৭ - ফর্মটা ডাউনলোড হয়ে গেলে কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে ফরমটি
প্রিন্ট করে নিন।
কাগজপত্র জমা দেওয়ার নিয়ম
ডাউনলোডকৃত ফর্মটির সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে আপনাকে যেতে হবে আপনার
নিকটস্থ ভোটার আইডি কার্ড সরবরাহ কেন্দ্রে। কি কি কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে তা
আমি উপরেই বলে দিয়েছি। সে সমস্ত কাগজগুলো সংযোজন করুন। একেক এলাকায় একেক সরকারি
প্রতিষ্ঠানে এই ভোটার আইডি কার্ড মানুষকে প্রদান করে। তারা আপনার কাগজপত্র
পাওয়ার পরে, আপনার হাতের সিল, স্বাক্ষর এবং ছবি তুলে নেবে।
এরপর আপনাকে তারা একটি ছোট্ট কাগজ দিবে। এই কাগজটি ভালোভাবে সংরক্ষণ করে রাখবেন
কারণ এই কাগজটি দিয়েই আপনাকে কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে আপনার ভোটার আইডি কার্ড
অনলাইনে ডাউনলোড করে নিতে হবে। আবার এই ছোট কাগজটা দিয়েই আপনাকে অরিজিনাল
হার্ডকপি জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদান করবে। তাই এই ছোট কাগজটি ভালোভাবে সংরক্ষণ
করে রাখুন।
গুরুত্বপূর্ণ কথা
জাতীয় পরিচয় পত্র সঠিকভাবে আবেদন করার জন্য আপনাকে সঠিক তথ্য দিতে হবে।
কোনভাবেই ভুল তথ্য দেওয়া যাবে না কারণ ভুল তথ্য দিলে আপনার আবেদনটি পুনরায়
সংশোধন করতে হবে।
তাই আপনার বাবা-মার ভোটার আইডি কার্ড সহ আরো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সামনে নিয়ে
আবেদন কার্যটি সম্পন্ন করবেন। ভোটার আইডি কার্ডের ছবি তোলার সময় অবশ্যই
ভালোভাবে চুল এবং দাঁড়ি কেটে যাবেন।। যাদের দাড়ি বড় রয়েছে তারাও সুন্দরভাবে
দাড়িগুলো সাইজ করা যাবেন।
জাতীয় পরিচয় পত্র আপনার হাতে হস্তান্তর করার সময় যদি সেটা লিমিনেটিং করা না
থাকে তাহলে আপনাকে নিজ দায়িত্বে এনআইডি কার্ডটি লিমিনেটিং করে নিতে হবে। এতে
করে আপনার এনআইডি কার্ডটি সুরক্ষিত থাকবে।
এনআইডি কার্ড কোথায় আবেদন করা যায়?
এনআইডি কার্ড আপনি নিজে নিজেই আবেদন করতে পারবেন। আপনি যদি নিজেই আবেদন করতে না
চান তাহলে আপনি আপনার নিকটস্থ কম্পিউটারের দোকানে যাবেন। সেখানে আপনার সকল
কাগজপত্র সঙ্গে করে নিয়ে গেলেই তারা আপনাকে অতি দ্রুত এনআইডি কার্ডের জন্য
আবেদন করে দিবে।
তাদের আবেদন কৃত ফর্মটি সাবমিট করার আগে আপনি ভালোভাবে তথ্যগুলো চেক করে নিন।
বানানে ভুল রয়েছে কিনা তা দেখে নিন।
ভোটার হালনাগাদ কবে হবে?
প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট সময়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
যেমন ২০২৫ সালে ভোটার হালনাগাদ কর্মসূচি শুরু হয়েছিল ২০ জানুয়ারি। ভোটারের
তালিকা হালনাগাদ যেদিন থেকে শুরু হয় তার দুই সপ্তাহ পর্যন্ত এর কার্যক্রম চলতে
থাকে।
প্রতিবছর ভোটারের তালিকা হালনাগাদ শুরু হওয়ার এক মাস পূর্বেই বিভিন্ন সংবাদ
মাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়।
এনআইডি কার্ড হারিয়ে গেলে প্রথম করণীয়
আপনার যদি এনআইডি কার্ড হারিয়ে যায় তাহলে আপনাকে সর্বপ্রথম আপনার নিকটস্থ
থানায় গিয়ে জিডি করে আসতে হবে। এরপর আপনাকে পুনরায় নতুন এনআইডি কার্ডের জন্য
আবেদন করতে হবে অনলাইনের মাধ্যমে।
তাৎক্ষণিকভাবে আপনি হয়তো নতুন এনআইডি কার্ডটি হাতে পাবেন না কিন্তু আপনি
অনলাইনের মাধ্যমে ডাউনলোড কপি সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় কাজের জন্য ব্যবহার করতে
পারবেন।
FAQ
১) জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য আবেদন করার সময় কি কি কাগজপত্র
লাগবে?
উত্তরঃ জাতীয় পরিচয় পত্র আবেদন করার সময় আপনার যে সমস্ত কাগজপত্র গুলো
প্রয়োজন তা নিম্নরূপ নিচে দেওয়া হল- জন্ম নিবন্ধন সনদ, নাগরিক সনদপত্র,
পিতামাতার এনআইডি কার্ড, ইউটিলিটি বিল, কর রশিদ এবং স্থানীয় প্রতিনিধির
প্রত্যয়ন পত্র ইত্যাদি।
২) জাতীয় পরিচয় পত্র অনলাইনে আবেদন করা যায়?
উত্তরঃ হ্যাঁ, জাতীয় পরিচয় পত্র অনলাইনে আবেদন করা যাবে এবং আপনি নিজে
নিজেই এই আবেদনটি করতে পারবেন তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে। আপনি কিভাবে
অনলাইনে নিজে নিজে আবেদন করবেন তাই ইতিমধ্যে আমি এই আর্টিকেলে শিখেছি।
৩) জাতীয় পরিচয় পত্রের আবেদন করার জন্য বয়স কত হওয়া প্রয়োজন?
উত্তরঃ আপনার বয়স যখন ১৮ বছর হবে তখন আপনি জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য
আবেদন করতে পারবেন।
৪) জাতীয় পরিচয় জমা দেওয়ার জন্য বিশেষ শর্ত কি?
উত্তরঃ এনআইডি কার্ডের আবেদন করার পর সেই আবেদন পত্রটি জমা দেওয়ার জন্য
বেশ কিছু শর্ত রয়েছে। যেমন এই কাগজগুলো আপনাকে সংযুক্ত করতে হবে- আবেদন
করার জন্য সঠিক কাগজপত্র, জন্ম নিবন্ধন সনদ, পিতামাতার এনআইডি, স্থানীয়
প্রশাসনিক সার্টিফিকেট ইত্যাদি।
৫) অনলাইনে জাতীয় পরিচয় পত্রের আবেদন কিভাবে করব?
উত্তরঃ অনলাইনে জাতীয় পরিচয় পত্র আবেদন করার জন্য আপনাকে এই
https://www.nidw.gov.bd/ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে, তারপর আমার দেখানো
পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করলেই আপনি আবেদন করতে পারবেন।
৬) কীভাবে জাতীয় পরিচয় পত্রের আবেদন ফরম পূরণ করব?
উত্তরঃ আপনি যখন আবেদনপত্রের জন্য তথ্য দিবেন তখন পর্যায়ক্রমিক ভাবে
আপনাকে তথ্যগুলো দিতে হবে। আপনি কোথায় কোন তথ্য নিবেন তা অনলাইনে আপনাকে
বলে দিবে। এভাবে আপনাকে স্টেপ বাই স্টেপ ফর্ম পূরণ করতে হবে।
৭) জাতীয় পরিচয় পত্রের আবেদন জমা দেওয়ার পর কী করতে হবে?
উত্তরঃ জাতীয় পরিচয় পত্রের আবেদন জমা দেওয়ার পরে আপনাকে একটি
নির্দিষ্ট তারিখ তারা বলে দিবে। সেই তারিখে গিয়ে আপনাকে ছবি তুলে আসতে
হবে এবং স্বাক্ষর দিয়ে আসতে হবে। তবে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে আপনার স্লিপটি ভালোভাবে সংরক্ষণ করে রাখা।
৮) এনআইডি কার্ড আবেদন করার পর ডাউনলোড করা যায়?
উত্তরঃ এনআইডি কার্ড আবেদন করার পরে আপনি সাময়িকভাবে ব্যবহার করার জন্য
একটি অনলাইন কপি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন।
৯) ভোটার আইডি কার্ড পেতে কতদিন সময় লাগবে?
উত্তরঃ ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে সাধারণত এক মাস থেকে পাঁচ মাস
পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে এই বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করে সরকারের
ওপর।
১০) এনআইডি কার্ড আবেদনের জন্য সবচেয়ে ভালো ব্রাউজার কোনটি?
উত্তরঃ অনলাইনে এনআইডি কার্ড আবেদন করার জন্য বা যেকোন ধরনের কাজ করার
জন্য সবচেয়ে ভালো ব্রাউজার হচ্ছে গুগলের ক্রোম ব্রাউজার।
শেষ মন্তব্য
আমি আশা করছি আপনারা খুব সহজেই এখন থেকে মোবাইল অথবা কম্পিউটারের মাধ্যমে এই
আর্টিকেল দেখে দেখে যাতে পরিচয় পত্রের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আপনাদের যদি
জাতীয় পরিচয়পত্র আবেদন করতে কোন সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যই আমাদের জানাবেন। এবং
আরো কি কি বিষয়ে তথ্য চান তা আমাদের বলবেন। কারণ আপনাদের সঠিক তথ্য দেওয়ার জন্য
আমরা সর্বদাই প্রস্তুত। আজ এ পর্যন্তই, সবাই ভালো থাকবেন। আসসালামু আলাইকুম।