রাজশাহী জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য
রাজশাহী
জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ। আপনারা যদি রাজশাহীর ইতিহাস ও ঐতিহ্য
সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনাদের অনেক সহায়তা
করবে।
এই আর্টিকেলটি থেকে আপনারা রাজশাহী জেলার অনেক কিছু জানতে পারবেন। যারা রাজশাহীর
চাকরির ক্যান্ডিডেট রয়েছেন তাদের অনেক সময় ভাইবা বোর্ডে নিজ জেলা থেকে প্রশ্ন
করে তাই তারাও যদি আর্টিকেলটি পড়েন তাহলে অনেক কিছু জানতে পারবেন।
পোস্ট সূচিপত্রঃ রাজশাহী জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য
এই আর্টিকেলে আপনারা যা যা জানতে পারবেন তা সংক্ষেপে এক নজরে দেখে নিন-
- রাজশাহী জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য
- রাজশাহী বিভাগের জেলা উপজেলা ও ইউনিয়ন সমূহ
- রাজশাহী কিসের জন্য বিখ্যাত | রাজশাহী বিখ্যাত কেন
- শিক্ষা নগরী রাজশাহী
- রাজশাহীর বিখ্যাত গুণী ব্যক্তিবর্গগণ
- রাজশাহীর বিভিন্ন ধর্ম যাচকগণ
- রাজশাহীর যাতায়াত ব্যবস্থা
- রাজশাহী জেলার মানচিত্র
- রাজশাহী শহরের মানচিত্র
- রাজশাহীতে কি কি নদী আছে?
- FAQ
- শেষ মন্তব্য
রাজশাহী জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য
রাজশাহী জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। বাংলাদেশের প্রাচীনতম যে
কয়টি নগরী রয়েছে তাদের মধ্যে রাজশাহী অন্যতম। এই রাজশাহী একদম পদ্মা নদীর ধার
দিয়ে গড়ে উঠেছে। এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ যেমন সবুজে ঘেরা ঠিক তেমনি এখানকার
বাতাস একদম বিশুদ্ধ। সেই সাথে আপনি যদি রাজশাহীর বর্তমান রাস্তাঘাট গুলো দেখেন
তাহলে আপনার মন প্রাণ উভয়ই জুড়ে যাবে।
১৮১৫৪ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রাজশাহী বিভাগ বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম দিকে
অবস্থিত।রাজশাহী শহরের বিভাগীয় একটি শহর হচ্ছে এই রাজশাহী। এই রাজশাহী কে বলা
হয় শিক্ষা নগরী এবং শান্তি নগরী। এখানকার মানুষজন অত্যন্ত সৌখিন এবং আরামপীয়।
রাজশাহী জেলার ইতিহাস
রাজশাহী জেলার ইতিহাস জানতে হলে আপনাকে প্রাচীন মধ্য এবং আধুনিক যুগের রাজশাহী
ইতিহাস সম্পর্কে জানতে হবে। তাহলে চলুন আমরা এখন এই জেলার ইতিহাস জেনে নেই।
রাজশাহী প্রাচীন যুগঃ
প্রাচীন যুগের রাজশাহী ছিল প্রাচীন বাংলার পুন্ড্র সাম্রাজ্যের বৃহৎ একটি
অংশ। প্রাচীন যুগে রাজশাহীর রাজা ছিল বিজয় সেন। তিনি সেন বংশের রাজা ছিলেন। সেই
সময়ই রাজশাহী শহর থেকে ৯ কিলোমিটার দূরে রাজশাহীর রাজধানী অবস্থিত ছিল।
রাজশাহী মধ্যযুগঃ
মধ্যযুগের রাজশাহীর নাম ছিল রামপুর বোয়ালিয়া। মধ্যযুগে রাজশাহীর অনেক
কিছুই পরিবর্তন হতে শুরু করে। তারই সূত্রপাত ধরে আজকে আমাদের এই আধুনিক রাজশাহী।
রাজশাহীর আধুনিক যুগঃ
মধ্যযুগ পার হওয়ার পরে রাজশাহী আধুনিকতার সওয়াবেতে শুরু করে। আধুনিক যুগে
সর্বপ্রথম রাজশাহীতে একটি গঠন কমিটি গঠিত হয় ১৭৭২ সালে। এরপর ১৮৭৬ সালে
সর্বপ্রথম রাজশাহী পৌরসভা তৈরি হয়। এর দীর্ঘ সময় পর ১৯৯১ সালের রাজশাহী সিটি
কর্পোরেশন তৈরি হয়। বর্তমানে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন সম্পূর্ণ বাংলাদেশের মধ্যে
সবচেয়ে আধুনিক এবং গ্রীন সিটি একটি শহর।
রাজশাহী হচ্ছে উত্তরবঙ্গের একটি জেলা। বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের
সীমান্তবর্তী একটি জেলা হচ্ছে রাজশাহী। এই জেলাটি নানান দিক দিয়ে অত্যন্ত
সমৃদ্ধ। রাজশাহী গড়ে উঠেছিল বোয়ালিয়া এবং রামপুর নামক গ্রামের সমন্বয়ে।
রাজশাহী জেলার নামকরণ করেছেন কে?
রাজশাহী জেলার পূর্বের নাম ছিল মহাকালগড়। রাজশাহী এই অঞ্চলটি পূর্বে পাল ,সেন,
মৌর্য, গুপ্ত, মঙ্গল ও ইংরেজরা শাসন করে গেছে। রাজশাহী বিভাগের নামকরণ করা
নিয়ে অনেক মানুষের দ্বিমত রয়েছে। তাই আমরা এখন রাজশাহী নামকরণের দুইটা মতামত
সম্পর্কে জেনে নিব।
প্রথম মতামত,
পঞ্চাদশ শতাব্দীর দিকে তৎকালীন ভাদুড়িয়া দিনাজপুরের জমিদার রাজা ছিলেন “রাজা
শাহ” অরফে গণেশ।এজন্য অনেকেই মনে করে রাজা+শাহ এই দুইয়ের মিশ্রণে রাজশাহী এর
নামকরণ করা হয়েছে। রাজা থেকে এসেছে রাজ এবং এই শব্দটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অন্যদিকে শাহ শব্দটি এসেছে ফারসি শব্দ থেকে। রাজশাহীর মানুষেরা কথা বলার টানে ই
একটু বেশি ব্যবহার করে বলে রাজ+শাহ+ই মিলিয়ে নামকরণ করা হয়েছে রাজশাহী।
দ্বিতীয় মতামত,
অনেকেই মনে করেন রাজশাহীর নামকরণ করেছেন রানী ভবানী। ১৭১৪ সালের নাটোরের
দায়িত্বভার গ্রহণ করেন রামজীবন। ১৭১৪ সালে রামজীবনকে দায়িত্বভার হাতে তুলে
দেন নবাব মুর্শিদকুলি খান। এই রামজীবন ১৭৩০ সালে মারা যাওয়ার পর রাজার
দায়িত্বভার গ্রহণ করেন রামজীবনের দত্তপুত্র রামকান্ত। এরপর ১৭৫১ সালে যখন
রামকান্ত মারা যান তখন রামকান্তের স্ত্রী দায়িত্ব হওয়ার গ্রহণ করেন।
রামকান্তের স্ত্রীর নামই ছিল রানী ভবানী।
রাজশাহী জেলার আয়তন এবং ভৌগোলিক অবস্থানঃ
- রাজশাহী জেলাটির মোট আয়তন ২৪২৫.৩৭ বর্গ কিলোমিটার।
- রাজশাহী জেলার পশ্চিমে রয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- রাজশাহী জেলার পূর্বদিকে রয়েছে নাটোর।
- রাজশাহী জেলার উত্তর দিকে রয়েছে নওগাঁ।
- রাজশাহী জেলার দক্ষিণ দিকে রয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ মুর্শিদাবাদ+পদ্মা নদী+কুষ্টিয়া জেলা।
- পদ্মা নদী ভারতের ভেতর থেকে বাংলাদেশের মধ্যে প্রবেশ করেছে।
রাজশাহী জেলার ঐতিহ্য | শিল্প | সাহিত্য | সংস্কৃতি |
প্রত্যাাত্ত্বিক
রাজশাহী ঐতিহ্যগত দিক দিয়ে অত্যন্ত সমৃদ্ধ কারণ এখানে রয়েছে-
- হাত শিল্প
- তাঁত শিল্প
- রেশম শিল্প
সাহিত্য চর্চায় রয়েছে-
- ভাওয়াইয়া গান
- গম্ভীরা
সংস্কৃতিতে রয়েছে-
- পহেলা বৈশাখ
- ১৬ ডিসেম্বর
- ২৬ শে মার্চ
- একুশে ফেব্রুয়ারি
এছাড়া রয়েছে-
- সাঁওতাল আদিবাসী
- আদিবাসীদের সংস্কৃতি
রাজশাহীর প্রত্যাাত্ত্বিক নিদর্শনঃ
সম্পূর্ণ বাংলাদেশের মধ্যে রাজশাহীতে রয়েছে সবচেয়ে বেশি প্রত্যাত্ত্বিক
নিদর্শন। রাজশাহী বিভাগের ৮ টি জেলাতে আপনারা অনেক প্রত্যাত্ত্বিক নিদর্শন
পাবেন। রাজশাহী এই ব্রততাত্ত্বিক নিদর্শনের জন্য অত্যন্ত বিখ্যাত। রাজশাহী
বিভাগের ৮ টি জেলা কেন বিখ্যাত তা আমি এই আর্টিকেলে নিচে বিস্তারিতভাবে
আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করব।
এই উপমহাদেশের প্রথম প্রত্যাখাত্ত্বিক নিদর্শন বরেন্দ্র জাদুঘর রাজশাহীতে
অবস্থিত। এছাড়া আরও রয়েছে-
- নাটোর রাজবাড়ি
- পুঠিয়া রাজবাড়ী
- বাগা মসজিদ
- হাওয়াখানা
- বিবির ঘর
- উপমবাড়ী
- জমিদার বাড়ি
- রাজবাড়ি
- মহাস্থানগড়
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার
- হলুদ বিহার
- জগদ্দল বিহার ইত্যাদি
এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নীচে পড়ুন।
ঢোপ কলঃ
প্রাচীন আমলে মহারানী হেমন্ত কুমারী সর্বপ্রথম রাজশাহীতে ঢপ কল প্রতিস্থাপন
করেন। রাজশাহীর এই ঐতিহ্য বর্তমানে নেই বললেই চলে। এই ঢোপক লের
উদ্দেশ্য ছিলো সমস্ত মানুষদের বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা।
মুক্তিযুদ্ধের রাজশাহীর অবদানঃ
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজশাহী জেলার পুলিশ লাইন অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ কালো রাতে এই
পুলিশ লাইনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আক্রমণের সুবাদে গোটা বাংলাদেশ আরও
সতর্ক এবং নির্ভীক হয়ে ওঠে এবং গোটা বাংলাদেশকে অগ্রিম সতর্কবার্তা প্রদান
করে বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার এই পুলিশ লাইন।
রাজশাহী বিভাগের জেলা উপজেলা ও ইউনিয়ন সমূহ
- রাজশাহীতে সর্বমোট জেলা রয়েছে ৮ টি।
- রাজশাহীতে সর্বমোট উপজেলা রয়েছে ৬৭ টি।
- রাজশাহীতে সর্ব মোট ইউনিয়ন রয়েছে ৫৬৩ টি।
রাজশাহী বিভাগের জেলা উপজেলা ও ইউনিয়ন সমূহ বিস্তারিত দেখুনঃ
জেলার নাম | উপজেলার নাম | ইউনিয়নের সংখ্যা |
source: www.rajshahidiv.gov.bd
রাজশাহী কিসের জন্য বিখ্যাত | রাজশাহী বিখ্যাত কেন
রাজশাহী কিসের জন্য বিখ্যাত তা আপনারা অনেকেই জানতে চান। আমরা পূর্বে জেনেছি
রাজশাহী বিভাগে আটটি জেলা রয়েছে। এই আটটি জেলায় কিছু না কিছু ঐতিহ্যগত কারণে
বিখ্যাত। তাহলে চলুন আমরা এখন রাজশাহী বিভাগের আটটি জেলা কেন বিখ্যাত তা জেনে
নিই।
রাজশাহী জেলা যে কারণে বিখ্যাতঃ
- পদ্মা নদী
- প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী একটি মহানগরী
- সিল্ক সিটি মহানগরী
- শিক্ষানগরী রাজশাহী
- পদ্মা গার্ডেন
- আই বাধ
- টি বাধ
- মুক্ত মঞ্চ
- বিজিবি
- রাজশাহী বরেন্দ্র জাদুঘর
- কলাই রুটি
- লালন শাহ পার্ক
- রাজশাহী জুট মিল
- রাজশাহী সুগার মিল
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
- রাজশাহী কলেজ
- শহীদ এ এইচ এম কামরুজ্জামান উদ্যান এবং চিড়িয়াখানা
- রাজশাহীর আম
- রাজশাহীর লিচু
- রাজশাহীর কালাভুনা
রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা যে কারণে বিখ্যাতঃ
- আম
- লিচু
- কালাই রুটি
- ছোট সোনা মসজিদ
- দারাস বাড়ি মসজিদ
- কানসহাটের জমিদার বাড়ি
- ধনিয়া চক মসজিদ
রাজশাহীর নাটোর জেলা যে কারণে বিখ্যাতঃ
- উত্তরা গণভবন
- নাটোরের কাঁচাগোল্লা
- নাটোর রাজবাড়ি
- চলনবিল
রাজশাহীর বগুড়া জেলা যে কারণে বিখ্যাতঃ
- বগুড়ার দই
- মহাস্থানগড়
- বৈরাগীর ভিটা
- গোকুল মেধ
- খোদার পাথর ভিটা
- মানকালীর ঢিবি
- মোহাম্মদ আলী প্যালেস মিউজিয়াম
- সাতমাথা
- প্রেম যমুনার ঘাট
- সান্তাহারের টাকি মাছ
- কালোজিরার ভর্তা
- মাছ দিয়ে আলু ঘাটি
- ছোট মাছের চচ্চড়ি
- ঝাল পোলাও
- সেমাইর জর্দা
- কাঁচা মরিচ
রাজশাহীর সিরাজগঞ্জ জেলা যে কারণে বিখ্যাতঃ
- বঙ্গবন্ধু সেতু
- রবীন্দ্র কাছারি বাড়ি
- নবরত্ন মন্দির
- শাহাদাতপুর দরগা মসজিদ
- বঙ্গবন্ধু সেতু ইকোপার্ক
- শহর রক্ষা বাঁধ
রাজশাহীর পাবনা জেলা যে কারণে বিখ্যাতঃ
- জোড় বাংলা মন্দির
- চাটমোহর শাহী মসজিদ
- তারা স্রষ্টার ইহাও
- জগন্নাথ মন্দির
- খিচুড়ি
- সিঙ্গারা
- দই
- নলতা সুইট
- প্যারাডাইসের প্যাড়া সন্দেশ
রাজশাহীর নওগাঁ জেলা যে কারণে বিখ্যাতঃ
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার
- আলতা দিঘী জাতীয় উদ্যান
- দল গাছির হলুদ বিহার
- কুসুম্বা মসজিদ
- জগদ্দল বিহার
রাজশাহীর জয়পুরহাট জেলা যে কারণে বিখ্যাতঃ
- পাথরঘাটা লালন পিরের মাজার
- নিমাই পিরের দরগা
- নান্দাইল দিঘী
- আছরাঙ্গা দিঘি
- লকমা রাজবাড়ী শিশু উদ্যান
- বারো শিবালয় মন্দির
শিক্ষা নগরী রাজশাহী
রাজশাহী শহরকে বলা হয় শিক্ষা নগরী কারণ এখানে রয়েছে-
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
- রাজশাহী কলেজ
- রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
- রাজশাহী মেডিকেল
- রাজশাহী নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রী কলেজ
- রাজশাহী সিটি কলেজ
- রাজশাহী মহিলা কলেজ
- ইসলামিয়া কলেজ
- শাহ আমন্ত
- পি এন গার্লস হাই স্কুল
- হেলেনা গার্লস হাই স্কুল
- রাজশাহী কোর্ট কলেজ
- মাসকাটাদিঘী থেকে হাই স্কুল এন্ড কলেজ
- রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
- শারীরিক শিক্ষা কলেজ
- টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট
- সার্ভে কলেজ
- শাহ মখদুম কলেজ
- অগ্রণী কলেজ
- বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়
- নর্থ বেঙ্গল বিশ্ববিদ্যালয়
- শারীরিক শিক্ষা কলেজ
- ভোকেশনাল টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট
- দারুস সালাম কামিল মাদ্রাসা
- মদিনাতুল উলুম কামিল মাদরাসা
রাজশাহীর বিখ্যাত গুণী ব্যক্তিবর্গগণ
রাজশাহীর বিখ্যাত গুণী ব্যক্তিবর্গগণ দের নাম নিম্নে নিচে দেওয়া হলঃ
- শাহমখদুম রহমতুল্লাহ আলাইহি
- শহীদ বুদ্ধিজীবী শামসুজ্জোহা
- আবু তোহা মোহাম্মদ আদনান (বাংলাদেশের ইসলামিক স্কলার)
- রানী ভবানী
- চারু মজুমদার
- শহীদ এএইসএম কামরুজ্জামান (জাতীয় চার নেতার এক নেতা)
- মহারানী হেমন্ত কুমারী দেবী
- সংগীত শিল্পী এন্ড্রু কিশোর
- ক্রিকেটার খালেদ মাসুদ পাইলট, সাব্বির রহমান, জুনায়েদ সিদ্দিকী, ফরহাদ রেজা, নাজমুল হোসেন শান্ত
- নরোত্তম দাস ঠাকুর (কবি ও সাহিত্যিক)
- নুসরাত ইমরোজ তিশা (নাটক এবং চলচ্চিত্র অঙ্গন)
- সংগীত শিল্পীর জেমস
- মোহসীন উল হাকিম (যমুনা টিভি সাংবাদ)
- অক্ষয় কুমার মৈত্রয়
- জামিল (কৌতুক অভিনেতা)
- আহমেদ রুবেল (শক্তিমান অভিনেতা)
- রহমত আলী (অভিনেতা)
- অপু বিশ্বাস, মাহিয়া মাহি, বিদ্যা সিনহা মিম (অভিনেত্রী)
- ওয়াহিদা মল্লিক জলি (অভিনেত্রী)
- শর্মিলী আহমেদ (অভিনেত্রী)
- রিজিয়া পারভিন (কণ্ঠশিল্পী)
- খোদা বক্স মৃধা (ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার)
- শাহরিয়ার আলম (রাজনীতিবিদ)
- ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজনীতিবিদ)
- এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন (রাজনীতিবিদ)
- মিজানুর রহমান মিনু (রাজনীতিবিদ)
- জিনাতুন নেসা তালুকদার (রাজনীতিবিদ)
- আয়েন উদ্দীন (রাজনীতিবিদ) ইত্যাদি
রাজশাহীর বিভিন্ন ধর্ম যাচকগণ
রাজশাহীর বিভিন্ন ধর্মগনের লিস্ট নিম্নে নিচে দেওয়া হলঃ
- শ্রী শ্রী নরোত্তম দাশ ঠাকুর
- শাহ আলী কুলি বেগ রহমাতুল্লাহ আলাইহি
- হযরত শাহ মখদুম রাযিআল্লাহু তা'আলা আনহু
- সুলতান নাসির উদ্দিন নুসরাত শাহ
রাজশাহীর যাতায়াত ব্যবস্থা
রাজশাহীতে আপনি যেকোন উপায়ে যাতায়াত করতে পারবেন। যেমন-
- রেলযোগে
- সড়ক যোগে
- বিমানযোগে
রাজশাহী জেলার মানচিত্র
রাজশাহী জেলার সম্পূর্ণ মানচিত্র দেখতে কেমন তা অনেকেরই দেখার আগ্রহ রয়েছে। তারা নিচের এই ফটোটি দেখলেই রাজশাহীর সম্পূর্ণ মানচিত্র টি দেখতে দেখতে পাবেন।
রাজশাহী জেলার মানচিত্র নিম্নরূপঃ
রাজশাহী শহরের মানচিত্র
আমরা রাজশাহীর মানচিত্র দেখলাম। তবে রাজশাহী শহরের মানচিত্র আপনি যদি না দেখে থাকেন তাহলে নিচের এই ফটোটি দেখুন।
রাজশাহী শহরের মানচিত্র নিম্নরূপঃ
রাজশাহীতে কি কি নদী আছে?
রাজশাহীতে অনেকগুলো নদী রয়েছে তার মধ্যে ৫ টি নদী বেশি উল্লেখযোগ্য। যেমন-
- পদ্মা (প্রধান নদী),
- যমুনা,
- মহানন্দা,
- আত্রাই,
- করতোয়া।
FAQ
১) রাজশাহী বিভাগের কয়টি জেলা রয়েছে?উত্তরঃ রাজশাহী বিভাগে ৮ টি জেলা রয়েছে।
২) রাজশাহী বিভাগে কতটি উপজেলা রয়েছে?
উত্তরঃ রাজশাহী বিভাগে ৬৭ টি উপজেলা রয়েছে।
উত্তরঃ রাজশাহী বিভাগে ৬৭ টি উপজেলা রয়েছে।
৩) রাজশাহী বিভাগে কতটি ইউনিয়ন রয়েছে?
উত্তরঃ রাজশাহী বিভাগে ৫৬৩ টি ইউনিয়ন রয়েছে।
উত্তরঃ রাজশাহী বিভাগে ৫৬৩ টি ইউনিয়ন রয়েছে।
৪) রাজশাহী জেলায় কতটি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে?
উত্তরঃ রাজশাহী জেলায় ১ টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
উত্তরঃ রাজশাহী জেলায় ১ টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
৫) রাজশাহী জেলায় কয়টি উপজেলা রয়েছে?
উত্তরঃ রাজশাহী জেলায় ৯ টি উপজেলা রয়েছে।
উত্তরঃ রাজশাহী জেলায় ৯ টি উপজেলা রয়েছে।
৬) রাজশাহী জেলায় কয়টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে?
উত্তরঃ রাজশাহী জেলায় ৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে।
উত্তরঃ রাজশাহী জেলায় ৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে।
৭) রাজশাহী জেলায় কতটি পৌরসভা রয়েছে?
উত্তরঃ রাজশাহী জেলায় ১৪ টি পৌরসভা রয়েছে।
উত্তরঃ রাজশাহী জেলায় ১৪ টি পৌরসভা রয়েছে।
৮) রাজশাহী জেলায় কতটি গ্রাম রয়েছে?
উত্তরঃ রাজশাহী জেলায় ১৭৩০ টি গ্রাম রয়েছে।
উত্তরঃ রাজশাহী জেলায় ১৭৩০ টি গ্রাম রয়েছে।
৯) রাজশাহী জেলায় কয়টি মৌজা রয়েছে?
উত্তরঃ রাজশাহী জেলায় ১৪৮১ টি মৌজা রয়েছে।
উত্তরঃ রাজশাহী জেলায় ১৪৮১ টি মৌজা রয়েছে।
১০) রাজশাহীতে থানার সংখ্যা কতটি?
উত্তরঃ রাজশাহীতে থানার সংখ্যা ১৩ টি। আরএমপি থানার সংখ্যা ৪ টি।
উত্তরঃ রাজশাহীতে থানার সংখ্যা ১৩ টি। আরএমপি থানার সংখ্যা ৪ টি।
১১) রাজশাহীতে পোস্ট অফিসের সংখ্যা কতটি?
উত্তরঃ রাজশাহীতে পোস্ট অফিসের সংখ্যা ২৩ টি।
উত্তরঃ রাজশাহীতে পোস্ট অফিসের সংখ্যা ২৩ টি।
১২) রাজশাহীতে শহরের সংখ্যা কতটি?
উত্তরঃ রাজশাহীতে একটি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে সেহেতু সিটি কর্পোরেশনের আন্ডারে একটি শহরে রয়েছে।
উত্তরঃ রাজশাহীতে একটি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে সেহেতু সিটি কর্পোরেশনের আন্ডারে একটি শহরে রয়েছে।
১৩) বাংলাদেশের সবচেয়ে শান্তিময় শহর কোনটি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে শান্তিময় শহর হচ্ছে রাজশাহী।
উত্তরঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে শান্তিময় শহর হচ্ছে রাজশাহী।
শেষ মন্তব্য
এই ছিল রাজশাহী জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যা আমি বিস্তারিতভাবে আপনাদের সঙ্গে
আলোচনা করেছি।আপনাদের যদি রাজশাহী সম্পর্কে আরো কিছু জানার থাকে তাহলে অবশ্যই
আমাকে বলবেন আমি চেষ্টা করব আপনাদের সকল তথ্য সঠিকভাবে দেওয়ার।