আর্টিকেল লেখার কৌশল | ব্লগে আর্টিকেল লেখার টিপস
শুধু আর্টিকেল
লিখলেই হবে না আর্টিকেল লেখার কৌশল জানতে হবে। আপনি যদি এই কৌশল না জেনে শুধু
শুধু আর্টিকেল লিখেন তাহলে আপনার আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ এসইও ভাবে তৈরি করা হবে
না।
তাই আপনি যদি একটি আর্টিকেল তৈরি করে+সেটিকে SEO করে ভালোভাবে গুগলে র্যাংকিং
এ নিয়ে আস্তে চান, তাহলে এই ব্লগ পোস্টটি আপনাদের অনেক সহায়তা করবে।
এছাড়া ব্লগে আর্টিকেল লেখার টিপস অতিরিক্ত ভাবে আমি এই আর্টিকেলে
সংযুক্ত করে দিব।
সূচিপত্রঃ আর্টিকেল লেখার কৌশল | ব্লগে আর্টিকেল লেখার টিপস
এই ব্লগ পোস্টে আপনারা যা শিখতে পারবেন তা এক নজরে দেখে নিন-
আর্টিকেল লেখার কৌশল | ব্লগে আর্টিকেল লেখার টিপস
একটি আর্টিকেল লেখার পূর্বে আপনার সর্বপ্রথম কাজ হচ্ছে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা। আপনি যদি কিওয়ার্ড রিসার্চ না করতে পারেন তাহলে সর্বপ্রথম এই আর্টিকেলটি দেখে আসুন।
কিওয়ার্ড রিসার্চ করার আর্টিকেল লিংকঃ কিওয়ার্ড রিসার্চ প্রক্রিয়া | কিওয়ার্ড এনালাইসিস
এরপর আমার দেখানো নিয়ম অনুসারে আর্টিকেল লিখুন। তাহলে আপনি খুব সহজেই গুগলের নিয়ম অনুযায়ী এবং এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল তৈরি করতে পারবেন।
একটি আর্টিকেল লেখার কৌশল সঠিকভাবে জানতে হলে আপনাকে নিচের নিয়ম গুলো অনুসরণ
করতে হবে। এই নিয়মগুলো অনুসরণ করে আর্টিকেল লেখার পরে আপনাকে আরো কিছু টিপস
আমি প্রদান করব। তাই আগে আপনারা কৌশল গুলো শিখে নিন এরপরে আমি অতিরিক্ত কিছু
টিপস দিয়ে দিব।
* প্রথমে আপনাকে একটি টাইটেল দিতে হবে। টাইটেল এর মধ্যে ফোকাস কিওয়ার্ড এবং
সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড রাখতে হবে। আপনি যদি শুধুমাত্র একটি কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ
করেন তাহলে সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড দেওয়ার দরকার নেই।
* একটি আর্টিকেলের টাইটেলে ১০ টা ওয়ার্ডের বেশি রাখা উচিত নয় তবে আপনি
প্রয়োজনের সুবিধার্থে ১৫ টি পর্যন্ত ওয়ার্ড রাখতে পারেন। প্রথম অবস্থায় আপনি
যেহেতু লং টেইল কিওয়ার্ডগুলো নিয়ে কাজ করবেন সেহেতু আপনার টাইটেলের ওয়ার্ড
১০ থেকে ১৫ টি শব্দের হতে পারে। আপনার ওয়েবসাইট যখন পুরনো হয়ে যাবে তখন শর্ট
টেইল কিওয়ার্ডগুলো নিয়ে কাজ করবেন।
* এরপর আপনাকে আপনার আর্টিকেল রিলেটেড দুই থেকে তিন লাইন সংক্ষেপে লিখতে হবে।
এই দুই থেকে তিন লাইনের ভেতর অবশ্যই আপনার ফোকাস কিওয়ার্ড একবার থাকতে হবে এবং
সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড একবার থাকতে হবে।
* এখন আপনাকে একটি ফিচার ইমেজ ১ তৈরি করতে হবে। এই ফিচার ইমেজের অল্টার টেক্সট
এবং টাইটেল টেক্সট এ ফোকাস কিওয়ার্ড রাখতে হবে।
* আবার আপনাকে দুই থেকে তিন লাইন সূচনা মূলক কিছু বাক্য লিখতে হবে। এখানে আপনি
একবার ফোকাস কিওয়ার্ড রাখতে পারেন।
* এখন আপনি আপনার মূল ফোকাস কিওয়ার্ড বসাবেন এবং H2 করে দিবেন। এরপর ফোকাস
কিওয়ার্ড সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে এখানে আলোচনা করবেন। একজন পাঠক যা জানতে চায়
তার সবটুকুই এখানে তুলে ধরবেন।
* ফোকাস কিওয়ার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা হয়ে গেলে এখন আপনি আপনার
সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড বসাবেন। এখানেও আপনারা সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড নিয়ে
বিস্তারিত বর্ণনা করবেন। সেকেন্ডারি কিওয়ার্ডে একটা ফিচার ইমেজ ২ তৈরি করবেন
এবং অল্টার টেক্সট+টাইটেল টেক্সট সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড বসাবেন।
* এখন সমস্ত সাব কিওয়ার্ড গুলো নিবেন এবং সংক্ষিপ্তভাবে আলোচনা করবেন প্যারায়
প্যারায়। এই সাব কিওয়ার্ড গুলোও H2 রাখবেন।
* এভাবে সর্বনিম্ন ১০ টি H2 রাখবেন একটি আর্টিকেলের মধ্যে। আপনি যদি আরও বেশি
H2 টাইটেল যুক্ত করতে পারেন তাহলে আরো ভালো। সাব কিওয়ার্ডের যেকোনো একটিতে
ফিচার ফিচার ইমেজ ৩ তৈরি করুন এবং অল্টার টেক্সট+টাইটেল টেক্সট বসান। অবশ্যই যে
H2 তে ফিচার ইমেজ ৩ বসাবেন সেই h2 এর টাইটেল বা সাব কিওয়ার্ড অল্টার টেক্সট এবং
টাইটেল টেক্সট এ বসাবেন।
* এখন আপনাকে কিছু ফ্রিকোয়েন্টলি আস্ক কোশ্চেন (FAQs) দিতে হবে। টাইটেল এ
লিখবেন FAQs এবং h2 করে দিবেন। People also ask সেকশন থেকে ফ্রিকোয়েন্টলি আস্ক
কোশ্চেন গুলো বাছাই করবেন। কিওয়ার্ড রিসার্চ করার সময় আমি বলে দিয়েছি কিভাবে
আপনারা People also ask খুজে পাবেন। তাই সে আর্টিকেলটি সর্বপ্রথম মনোযোগ দিয়ে
পড়ুন।
* সবশেষে আপনাকে শেষ আলোচনা দিয়ে আর্টিকেলটি শেষ করে ফেলতে হবে। আপনি পুরো
আর্টিকেলে কি বোঝাতে চেয়েছেন তা এখানে সংযুক্তভাবে তুলে ধরবেন।
আর্টিকেল SEO করার কৌশল
ব্লগার এবং ওয়ার্ডপ্রেসে আর্টিকেল লেখার কৌশল জানার পর আরো কিছু অতিরিক্ত টিপস
আমাদের জানা উচিত। একটি ওয়েবসাইটে উপরের দেখানোর নিয়ম অনুযায়ী আর্টিকেল
লিখতেই যথেষ্ট তবে আপনি যদি আরো অ্যাডভান্স নিয়মে আর্টিকেল লিখতে চান তাহলে
নিচের গুরুত্বপূর্ণ টিপস গুলো ফলো করুন।
* আর্টিকেলের একদম শুরুতে একটি ভূমিকা বাটন যুক্ত করতে হবে। এই ভূমিকা বাটনে
আপনার ফোকাস কিওয়ার্ড দিবেন। এখন এই লেখাটাকে বাটন এর রূপান্তর করার জন্য
প্রথমে আপনাকে #1 করে লিংকিং করতে হবে। এরপর Html সেকশনে গিয়ে একটি ক্লাস
ব্যবহার করতে হবে। বাটন দেওয়ার জন্য বিভিন্ন থিমের আলাদা আলাদা Class কোড
রয়েছে। আপনি যে থিম ব্যবহার করবেন সেই থিমের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যোগাযোগ
করবেন তাহলে তারাই আপনাকে বাটন Class দিয়ে দিবে।
যেমন আমি ব্যবহার করি
জেট থিম। জেট
থিমের ভূমিকা বাটন দেওয়ার ক্লাস হচ্ছে Class=“alert alert-primary”।
* এখন আপনাকে একটি ম্যানুয়াল ভাবে সূচিপত্র তৈরি করতে হবে। অথবা আপনি চাইলে
আপনার থিমের ডিফল্ট সূচিপত্র রেখে দিতে পারেন। যদি আপনি ম্যানুয়ালি সূচিপত্র
না তৈরি করতে পারেন তাহলে ডিফল্টভাবে যেটা দেওয়া রয়েছে সেটাই ব্যবহার করবেন।
তবে ম্যানুয়ালি সূচিপত্র তৈরি করলে এসইও স্কোর বাড়ে।
* সম্পূর্ণ পোস্ট অবশ্যই ১৫০০ ওয়ার্ডের হতে হবে। ১৫০০ ওয়ার্ডের উপরে লিখতে
পারলে আরো ভালো।
* সম্পূর্ণ পোস্টের মধ্যে ৭ থেকে ৮ জায়গায় ফোকাচ কিওয়ার্ড রাখতে হবে। ফোকাচ
কিওয়ার্ড গুলো এমনভাবে স্বয়ংক্রিয় উপায়ে রাখতে হবে যেন বোঝা না যায় জোর
করে ফোকাচ কিওয়ার্ড গুলো বসানো হয়েছে। মনে রাখবেন ফোকাস কিওয়ার্ড বেশি
দেওয়া যাবে না।
* এরপর সম্পূর্ণ আর্টিকেলে সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড তিন থেকে চার জায়গায় রাখতে
হবে সহংক্রিয়ভাবে। যেমনটা আমি ফোকাস কিওয়ার্ড বসানো শিখিয়েছি ঠিক সেভাবে।
* সাব কিওয়ার্ডগুলো সম্পূর্ণ পোষ্টের মধ্যে এক থেকে দুই জায়গায় থাকলেই হবে।
* আর্টিকেলের মধ্যে অবশ্যই তিনটা ফিচার ইমেজ থাকতে হবে।
* আর্টিকেলের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় কোন তথ্য লিখে আর্টিকেল বড় করা যাবে না।
যতটুকু তথ্য দিবেন সঠিক এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য দিয়ে আর্টিকেল বড় করবেন।
* আর্টিকেলের বানানগুলো ঠিক রয়েছে কিনা তা চেক করে নিবেন। এর জন্য সম্পূর্ণ
আর্টিকেলটি লেখার পরে অবশ্যই একবার রিভিশন দিবেন।
* আর্টিকেলের মধ্যে আরো পড়ুন সেকশন যুক্ত করতে হবে। অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটের
অন্য কোন পোষ্টের লিংক এড করতে হবে। অবশ্যই দুই থেকে তিনটার বেশি আরো পড়ুন
সেকশন যুক্ত করবেন না। এবং এখানে যে সমস্ত পোস্টগুলো লিংকিং করবেন সেগুলো
অবশ্যই আপনার আর্টিকেলের পোস্ট এর সাথে সম্পর্কিত হতে হবে।
* আর্টিকেল লেখার সময় নিজের ভাষায় ভয়েস টাইপিং করে লিখবেন সহজ ভাষা ব্যবহার
করে। মনে রাখবেন কোন ওয়েবসাইট থেকে কপি করা পোস্ট লিখলে আপনার ওয়েবসাইটের
পোস্ট র্যাংক করবে না এবং আপনি এডসেন্স পাবেন না।
* এআই বা অটোমেটিক জেনারেটেড আর্টিকেল পাবলিশ করা যাবে না। তবে হ্যাঁ আপনি একটি
আর্টিকেলকে সুন্দরভাবে উপস্থাপনা করার জন্য এআই এর সাহায্য নিতে পারেন। কিন্তু
এআই আপনাকে যে লেখাগুলো দিবে সেগুলো সরাসরি আপনার ওয়েবসাইটে বসিয়ে পাবলিশ করা
যাবে না। এআই শুধুমাত্র একটি দিক নির্দেশনা অর্থাৎ এআই আপনাকে যে দিকনির্দেশনা
দিবে সেটি মেনে চলে আপনি আপনার আর্টিকেলকে নিজের ভাষায় ভালোভাবে তৈরি করবেন।
* আর্টিকেলের লেখাগুলোকে জাস্টিফাই অ্যালাইনমেন্টে রাখতে হবে। জাস্টিফাই
অ্যালাইনমেন্ট মানে হলো লেখার দুই পাশেই সারিবদ্ধ থাকবে।
* আর্টিকেলের মধ্যে কোন টেক্সট লেখাকে বেশি কালার করবেন না। চেষ্টা করবেন কালো
লিখা রাখতে। শুধুমাত্র লিংকিং গুলো নীল কালার বা অন্য কোন কালার করে নিতে
পারেন।
* প্রত্যেকটি আর্টিকেলের ক্যাটাগরি থাকতে হবে। একটি আর্টিকেল বিভিন্ন
ক্যাটাগরিতে না রাখাই উত্তম। অর্থাৎ একটি আর্টিকেল একটি ক্যাটাগরিতে রাখবেন।
তবে এটা বাধ্যতামূলক নয় আপনি চাইলে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতেও রাখতে পারেন।
* আর্টিকেলের পার্মালিঙ্ক অবশ্যই ১ থেকে ২ শব্দের মধ্যে রাখবেন। পার্মালিঙ্ককে
অবশ্যই কিওয়ার্ড থাকতে হবে। ধরুন আপনার আর্টিকেলটি ডিজিটাল মার্কেটিং
সম্পর্কিত তাহলে আপনার পার্মালিঙ্ক হবে= 'digital or digital-marketing'।
* ফিচার ইমেজের অল্টার টেক্সট এবং টাইটেল টেক্সট এর মাঝখানে কোন স্পেস রাখা
যাবে না, (যেমন= ডিজিটাল-মার্কেটিং-শেখার-উপায়)।
* আর্টিকেলের search description এ অবশ্যই ফোকাস কিওয়ার্ড এবং সেকেন্ডারি
কিওয়ার্ড রাখতে হবে। যদি সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড না থাকে তাহলে শুধু ফোকাস
কিওয়ার্ড রাখতে হবে।
* আর্টিকেলটি এমন সুন্দর ভাবে লিখতে হবে যেন পাঠকরা সহজে বুঝতে পারে। অর্থাৎ
আর্টিকেলের রিড এবিলিটি ভালো হতে হবে।
* এমন কিছু আর্টিকেল রয়েছে যেগুলো তথ্য দিতে হলে অন্য কোন আর্টিকেলের সাহায্য
নিতে হয়। আপনি যখন অন্য কোন আর্টিকেল থেকে তথ্য নিয়ে আপনার ওয়েবসাইটে বসাবেন
তখন অবশ্যই সেই ওয়েবসাইটের ক্রেডিট দিয়ে দিবেন।
* যদি পারেন তাহলে আর্টিকেলে আপনার নিজের তৈরি করা একটি ইউটিউব ভিডিও সংযোজন
করে দিবেন। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয় কিন্তু ইউটিউব থেকে ভিডিও নিয়ে সংযোজন
করলে র্যাংক ভালো হয়। ইউটিউব থেকে সরাসরি ভিডিও নিয়ে বসানো যাবে না এর জন্য
আপনাকে ইউটিউবের ইমবেডেড কোড ব্যবহার করতে হবে।
* আর্টিকেলে স্কিমা মার্কআপ জেনারেটর ব্যবহার করলে সে আর্টিকেলটির এসইও স্কোর
আরো ভালো হয়। তাই FAQ এর জন্য Schema Markup Generator ব্যবহার করুন।
* আর্টিকেল প্যারা প্যারা করে সুন্দরভাবে লিখে দিতে হবে। আর্টিকেলে বুলেট
পয়েন্ট ব্যবহার করতে হবে কারণ Google এটি খুব পছন্দ করে।
* এআই দিয়ে ফিচার ইমেজ তৈরি করতে হবে। ফিচার ইমেজ তৈরি করার সবচেয়ে ভালো
মাধ্যম হচ্ছে Canva, Lionardo AI, Copilot AI।
* এখন Semantic SEO এর সময়, তাই আপনাকে অবশ্যই আর্টিকেলটি Semantic SEO করতে
হবে। Semantic SEO অর্থ হলো আপনার আর্টিকেলের মধ্যে আপনার কিওয়ার্ড রিলেটেড
সকল তথ্য থাকতে হবে।
* আর্টিকেলের মধ্যে বারবার কিওয়ার্ড ব্যবহার করা যাবে না। একটি কিওয়ার্ড
বারবার ব্যবহার করলে সেটিকে বলা হয় কিওয়ার্ড স্টাফিং (Keyword Staffing)।
যেমন ধরুন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে আর্টিকেল লিখছেন। আর্টিকেলের মধ্যে
বারবার ডিজিটাল মার্কেটিং লিখবেন না। Google এমনি বুঝতে পারে আপনার আর্টিকেলটি
কোন ক্যাটাগরির, তাই আপনাকে বারবার কিওয়ার্ড দিয়ে বোঝাতে হবে না।
* আর্টিকেলের মধ্যে html class গুলোর ব্যবহার করা শিখতে হবে।
* html এবং css সম্পর্কে বেসিক ধারণা রাখতে হবে।
* ম্যানুয়াল ভাবে সূচিপত্র তৈরি করলে h2 এর সাথে id লিঙ্কিং করতে হবে।
* আর্টিকেলের মধ্যে টেবিল তৈরি করতে হবে। টেবিলের মধ্যে ছোট ছোট ইনফরমেশন গুলো
সারিবদ্ধ বসালে সেই আর্টিকেলটি ভালো রেঙ্ক করে।
* একটি আর্টিকেল লেখার পূর্বে অবশ্যই আপনাকে প্রচুর রিসার্চ করতে হবে। আপনি যত
রিচার্জ করবেন আপনার আর্টিকেলের মধ্যে তত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংযুক্ত করতে
পারবেন।
* ফটোশপের গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ জানলে আরো ভালো হয়। কারণ ফটোশপ থেকে আপনি
আকর্ষণীয় ফিচার ইমেজ তৈরি করতে পারবেন।
FAQ
১) কীওয়ার্ড ইনটেন্ট কি?
উত্তরঃ একটি কি ওয়ার্ডের বিভিন্ন উদ্দেশ্য থাকে। একটি কিওয়ার্ডকে টার্গেট করে
সেই কিওয়ার্ডটি কোন ক্যাটাগরির মধ্যে পড়ছে তা নির্ধারণ করে সমস্ত বিষয় এবং
উদ্দেশ্যকি ওয়ার্ডের মধ্যে উল্লেখ করাকে বলা হয় কীওয়ার্ড ইনটেন্ট। একটি কি
ওয়ার্ডের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ইনটেন্ট কিওয়ার্ড থাকতে পারে। সেগুলোও আপনাকে
আর্টিকেলের মধ্যে সংযুক্ত করতে হবে।
২) ব্লগে দ্রুত পোস্ট লেখার কার্যকরী উপায় কি?
উত্তরঃ ব্লগে দ্রুত পোস্ট লেখার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হচ্ছে ভয়েস
টাইপিং করা।
৩) আর্টিকেল লেখার জন্য তথ্য কিভাবে পাওয়া যায়?
উত্তরঃ আপনি যে আর্টিকেল লিখবেন সে আর্টিকেল সম্পর্কিত Google এ বিভিন্ন ধরনের
তথ্য পাবেন। এ ছাড়া বিভিন্ন বই এবং পত্রিকা পড়ে আপনি এ সমস্ত তথ্যগুলো সংগ্রহ
করে অন্যান্যদের চেয়ে আরও উন্নত আর্টিকেল লিখতে পারেন।
৪) নতুন ওয়েবসাইটে কয় শব্দের ব্লগ পোস্ট লিখতে হয়?
উত্তরঃ নতুন ওয়েবসাইটে বড় বড় ব্লগ পোস্ট লিখতে হয়, যেমন ১৫০০ শব্দের বা তার
চেয়ে বেশি।
৫) কোন ধরনের কন্টেন্ট সবচেয়ে ভালো?
উত্তরঃ যে সমস্ত কন্টেন্ট গুলো মানুষ জানতে চায় অর্থাৎ বেশি সার্চ করে সে সমস্ত
কন্টেন্ট গুলো সবচেয়ে ভালো।
৬) কনটেন্ট এর উদ্দেশ্য কি?
উত্তরঃ কনটেন্ট এর উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যবহারকারীকে সঠিক তথ্য প্রদান করা।
শেষ মন্তব্য
আর্টিকেল লেখার কৌশল আমি এই ব্লগে বিস্তারিতভাবে জানানোর চেষ্টা করেছি। একটি
আর্টিকেল লেখার জন্য যতগুলো বিষয় সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে তার সবটুকুই আমি
এখানে বলে দিয়েছি। কোন একটি বিষয় বা যে কোন বিষয় সম্পর্কে আপনার যদি বুঝতে
সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যই আমাকে জানাবেন। আমি চেষ্টা করব একটি সুন্দর ভিডিও তৈরি
করে আপনাদের না বোঝা বিষয়গুলো সহজ ভাবে বোঝাতে।