বাংলা ব্যকরণ: বর্ণ সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর

বর্ণ সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর আজকে আমি নিয়ে এসেছি। বাংলা দ্বিতীয় পত্রের ব্যাকরণ বই থেকে বর্ণ যারা বুঝতে পারেন না তারা আজকে সহজভাবে এই আর্টিকেলের মাধ্যমে বর্ণ শিখে যাবেন। কারণ বই থেকে বর্ণ অনেকেরই বুঝতে সমস্যা হয়। তাদেরকে উদ্দেশ্য করে আমি আজকে বর্ণ বোঝার জন্য সহজ ভাবে তথ্য উপস্থাপন করব।
বর্ণ-সম্পর্কিত-প্রশ্ন-উত্তর
এছাড়া যারা সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারাও এই তথ্যগুলো থেকে প্রশ্ন কমন পাবেন। এই তথ্য গুলোর বাইরে অন্য কোন তথ্য আসবে না। তাই বর্ণ সম্পর্কিত তথ্য ভালোভাবে বুঝতে হলে আপনাকে আর্টিকেলটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে এবং খাতায় নোট করে নিতে হবে।

পোস্ট সূচিপত্রঃ বর্ণ সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর

বর্ণ অধ্যায় থেকে যে সমস্ত তথ্যগুলো আপনি জানতে পারবেন তা এক নজরে দেখে নিন-

বর্ণ সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর

চাকরির পরীক্ষায় বর্ণ সম্পর্কিত তথ্য থেকে দুই থেকে তিনটি প্রশ্ন হয়। এছাড়া এসএসসি এবং এইচএসসি mcq তে এই অধ্যায় থেকে দুই থেকে তিনটি প্রশ্ন হয়ে থাকে। তাই অগোছালো পড়াশোনা না করে গোছানো পড়াশোনার মাধ্যমে এই অধ্যায়টি আপনাকে শেষ করতে হবে।


কোন তথ্যের পর কোন তথ্য সংযোজন করলে আপনারা এই অধ্যায়টি সহজে আয়ত্ত করতে পারবেন তা আমি এখন স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করব।

বর্ণ সম্পর্কিত বেসিক প্রশ্ন উত্তর সমূহ নিম্নরূপঃ
  • প্রথম বর্ণ গবেষক অশুতোষ ভট্টাচার্য।
  • বর্ণ খোদাই কারীর নাম পঞ্চানন কর্মকার।
  • মুখে উচ্চারিত শব্দের ক্ষুদ্রতম একককে বলা হয় ধ্বনি।
  • ধ্বনি দুই প্রকার। যেমনঃ স্বরধ্বনি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি।
  • শব্দের ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি।
  • ধ্বনির লিখিত রূপ হচ্ছে বর্ণ।
  • বর্ণ সর্বমোট ৫০টি।
  • পূর্ণমাত্রা বর্ণ ৩২টি।
  • অর্ধমাত্রা বর্ণ ৮টি।
  • মাত্রা বিহীন বর্ণ ১০টি।
চলুন আমরা এখন নিচে বর্ণ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য গুলো জেনে আসি।

স্বরবর্ণ সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর

আমরা প্রথমে স্বরবর্ণ সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো দেখে নিব এরপরে আমরা ব্যঞ্জনবর্ণ সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো দেখব।
  • স্বরবর্ণ সর্বমোট ১১টি।
  • পূর্ণমাত্রা স্বরবর্ণ ৬টি।
  • অর্ধমাত্রা স্বরবর্ণ ১টি। যেমনঃ ঋ।
  • মাত্রা বিহীন স্বরবর্ণ ৪টি। যেমনঃ এ, ঐ, ও, ঔ।
  • হ্রসস্বর স্বরবর্ণ ৪টি। যেমনঃ অ, ই, উ, ঋ।
  • দীর্ঘস্বর স্বরবর্ণ ৭টি।
  • স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলে।
  • কার আছে সর্বমোট ১০টি।
  • স্বরবর্ণের কারহীন বর্ণ ১টি। যেমনঃ অ।
  • স্বরবর্ণের নিলীন বর্ণ হচ্ছে ১টি। যেমনঃ অ।
  • স্বরবর্ণের মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি।
  • স্বরবর্ণের যৌগিক স্বরধ্বনি বা বর্ণ ২টি। যেমনঃ ঐ, ঔ।
  • যৌগিক স্বরজ্ঞাপক ধ্বনি সর্বমোট ২৫টি।
  • স্বরবর্ণের সম্মুখ স্বরধ্বনি ২টি। যেমনঃ ই, এ।
  • স্বরবর্ণের মধ্য স্বরধ্বনি ১টি। যেমনঃ আ।
  • স্বরবর্ণের পশ্চাৎ স্বরধ্বনি ২টি। যেমনঃ অ, উ।
  • স্বরবর্ণের বিকৃত স্বরধ্বনি ১টি। যেমনঃ আ।
  • স্বরবর্ণের সংস্কৃত স্বরধ্বনি ২টি। যেমনঃ ই, উ।

স্বরধ্বনি সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর

স্বরধ্বনি

স্বরধ্বনিঃ অন্য ধ্বনির কোন রকম সাহায্য ছাড়া যে ধ্বনি পূর্ণভাবে উচ্চারিত হয় তাকে বলে স্বরধ্বনি।
স্বরধ্বনি দুই প্রকার। যেমনঃ মৌলিক স্বরধ্বনি ও যৌগিক স্বরধ্বনি।

মৌলিক স্বরধ্বনিঃ যে সমস্ত স্বরধ্বনিকে বিশ্লেষণ করা যায় না তাকে বলা হয় মৌলিক স্বরধ্বনি
  • মৌলিক স্বরধ্বনি সর্বমোট ৭টি। যেমনঃ অ, আ, ই, উ, ও, এ, এ্যা
যৌগিক স্বরধ্বনিঃ দুইটা স্বরধ্বনি মিলে যে স্বরধ্বনি হয় তাকে বলা হয় যৌগিক স্বরধ্বনি।
  • যৌগিক স্বরধ্বনি সর্বমোট ২টি। যেমনঃ ঐ, ঔ।

ব্যঞ্জনবর্ণ সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর

ব্যঞ্জনবর্ণ থেকে যে সমস্ত প্রশ্নগুলো হয়ে থাকে সেগুলো নিম্নরূপ নিচে দেওয়া হল-
  • সর্বমোট ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ১১টি।
  • পূর্ণমাত্রা ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে ২৬টি।
  • অর্ধমাত্রা ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে ৭টি।
  • মাত্রা বিহীন ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে ৬টি।
  • ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয় ফলা।
  • ব্যঞ্জনবর্ণের তাড়নজাত বর্ণ ২টি। যেমনঃ ড়, ঢ়।
  • ব্যঞ্জনবর্ণের কম্পনজাত বর্ণ ১টি। যেমনঃ র।
  • ব্যঞ্জনবর্ণের পার্শ্বিক বর্ণ ১টি। যেমনঃ ল।
  • ব্যঞ্জনবর্ণের উষ্ম বা শিশ বর্ণ ৪টি। যেমনঃ শ, স, ষ, হ।
  • ব্যঞ্জনবর্ণের অন্ত্যস্থ বর্ণ ৪টি। যেমনঃ য, র, ল, ব,
  • ব্যঞ্জনবর্ণ এর পরাশ্রয়ী বর্ণ ৩টি। যেমন- ং ঃ ঁ।
  • ব্যঞ্জনবর্ণের আনুনাশিক বর্ণ ১টি। যেমনঃ ঁ।
  • ব্যঞ্জনবর্ণের নাসিক্য বর্ণ ৫টি।
ব্যঞ্জনধ্বনি

ব্যঞ্জনধ্বনিঃ অন্য ধ্বনির সাহায্য নিয়ে যে ধ্বনি উচ্চারিত হয়, থাকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে।

ব্যঞ্জনবর্ণের ঘোষ, অঘোষ, অল্পপ্রাণ, মহাপ্রাণ এবং নাসিক্য ধ্বনি সমূহ নিম্নরূপঃ
ঘোষ-অঘোষ-অল্পপ্রাণ-মহাপ্রাণ-এবং-নাসিক্য-ধ্বনি
অঘোষ ধ্বনিঃ যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী স্পন্দিত হয় না তাকে বলা হয় অঘোষ ধ্বনি।

ঘোষ ধ্বনিঃ যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কম্পিত হয় তাকে বলা হয় ঘোষ ধ্বনি।

অল্পপ্রাণ ধ্বনিঃ যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের স্বল্পতা থাকে তাকে অল্পপ্রাণ ধ্বনি বলে।

মহাপ্রাণ ধ্বনিঃ যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে।

নাসিক্য ধ্বনিঃ যে সমস্ত ধ্বনি উচ্চারণের সময় নাক দিয়ে বাতাস বের হয় সে সমস্ত ধ্বনিকে বলা হয় নাসিক্য ধ্বনি।

বর্ণের আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর

উপরের তথ্যগুলো ছাড়াও বর্ণ সম্পর্কিত আরো কিছু অতিরিক্ত তথ্য রয়েছে যেগুলো মাঝে মাঝে পরীক্ষায় আসতে দেখা যায়। নিম্নে এই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হল-
  • স্বরবর্ণের কার ব্যবহৃত হয় ১০টি।
  • ব্যঞ্জনবর্ণের ফলা ব্যবহৃত হয় ৬টি।
  • বাংলায় ক থেকে ম পর্যন্ত ২৫টি ধ্বনিকে বলা হয় স্পর্শ ধ্বনি।
  • অনুনাসিক ধ্বনি ১টি।
  • অনুনাসিক বা সানুনাসিক বর্ণ ৫টি।
তাড়নজাত ধ্বনিঃ জিহবা দিয়ে দাঁতের মূলে আঘাত করে যে ধ্বনি উচ্চারিত হয় তাকে বলা হয় তাড়নজাত ধ্বনি।

নিলীন বর্ণঃ স্বরবর্ণের অ এর সংক্ষিপ্ত কোন রূপ নেই বলে একে বলা হয় নিলিন বর্ণ।

কম্পনজাত ধ্বনিঃ জিহবার অগ্রভাগ কম্পিত করে যে ধ্বনি উচ্চারিত হয় তাকে বলা হয় কম্পনজাত ধ্বনি।

পার্শ্বিক ধ্বনিঃ জিহবার দুইপাশ দিয়ে বাতাস বের করে যে ধ্বনি উচ্চারণ করা হয় তাকে বলা হয় পার্শ্বিক ধ্বনি।

উষ্ম বা শিশ ধ্বনিঃ যে সমস্ত ধ্বনি গুলো উচ্চারণের সময় শিশ দেয়ার মত আওয়াজ হয় তাকে বলা হয় উষ্ম বা শিশ ধ্বনি।

অন্তস্থ ধ্বনিঃ উচ্চারণের দিক থেকে স্বরধ্বনির ও ব্যঞ্জনধ্বনির মধ্যবর্তী ধ্বনিকে বলা হয় অন্তস্থ ধ্বনি।

পরাশ্রয়ী বর্ণঃ অন্যের আশ্রয় বা সাহায্য নিয়ে যে ধ্বনি উচ্চারিত হয় তাকে বলা হয় পরাশ্রয়ী বর্ণ।

আনুনাসিক ধ্বনিঃ নাসিক্য ধ্বনি গঠনে যে ধ্বনি সাহায্য করে তাকে বলা হয় আনুনাসিক ধ্বনি।

সেরা ৫টি বাংলা ব্যাকরণ বই সমূহ

বাংলা ব্যাকরণ শেখার জন্য একটি সঠিক বই বাছাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একটি বই পারে আপনাকে বাংলা ব্যাকরণ ভালোভাবে শেখাতে। আপনি যদি বাজার থেকে যে কোন একটি বাংলা ব্যাকরণ বই কিনে নিয়ে আসেন তাহলে সেটি আপনাকে পরিপূর্ণ ব্যাকরণ বোঝার জন্য সহজবোধ্যতা প্রদান করবে কিনা তা বলা মুশকিল।
সেরা-বাংলা-ব্যাকরণ-বই-সমূহ
ঠিক এজন্যই আপনাকে যাচাই-বাছাই করে তারপর বাংলা ব্যাকরণ বই কিনে নিয়ে পড়াশোনা করতে হবে। চলুন আমরা এখন কিছু বই সম্পর্কে জেনে আসি যেগুলো বাংলা ব্যাকরণের প্রস্তুতিতে আপনাকে অনেক সহায়তা করবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ মনে রাখবেন আমি এখানে যে বইগুলো দিব এগুলো আপনারা ক্লাস ফাইভ থেকে চাকরির পরীক্ষা পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন সুতরাং এই বইগুলো কিনে আপনার টাকা অপচয় হবে না।

প্রথমেই বলে রাখি বাজারে যে সমস্ত ব্যাকরণ বই পাওয়া যায় সেগুলো সবই তার নিজ নিজ জায়গা থেকে সেরা বই। শুধুমাত্র ভাষাগত সহজবদ্ধতা এবং বোঝানোর দক্ষতার পার্থক্য রয়েছে এই বইগুলোতে।


বাংলা ব্যাকরণ না বোঝার মূল কারণ হচ্ছে ব্যাকরণ বইয়ের ভাষাগুলো বুঝতে না পারা। সেক্ষেত্রে আপনাকে এমন বই পছন্দ করতে হবে যে বইগুলোর ভাষা সহজে বোঝা যায়। তাই বইয়ের দোকানে গিয়ে বই দেখে দেখে তারপর কিনবেন। 

আমি এখানে যে বইগুলোর লিস্ট দিব এগুলো আপনাকে কিনতে হবে এর কোন মানে নেই। অর্থাৎ আপনি আপনার কাছে যেটা ভালো মনে হবে সেটাই কিনবেন। তারপরেও আপনাদের সুবিধার্থে আমি কিছু এখানে বই উল্লেখ করে দিচ্ছি যেগুলো আপনারা পড়ে অনেক উপকারিতা হবেন।

বইয়ের নাম লেখকের নাম বৈশিষ্ট্য
১) বাংলা ব্যাকরণ এর পাঠশালা নিয়মে অনিয়মে লিটন দত্ত খুব সহজ ভাষায় লেখা
২) ক্লাস ৯-১০ বাংলা ব্যাকরণ বই মুনীর চৌধুরী উদাহরণ গুলো চাকরির পরীক্ষায় আসে
৩) বাংলা ব্যাকরণ ও রচনা প্রসঙ্গ কালিপদ চৌধুরী বিস্তারিত তথ্য সমৃদ্ধ তবে ভাষা জটিল
৪) উচ্চতর বাংলা ব্যাকরণ বামন দেব চক্রবর্তী অ্যাডভান্স ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য
৫) অগ্রদূত বাংলা অগ্রদূত প্রকাশনী বিগত সকল বছরের প্রশ্ন

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আপনারা যদি বাংলা ব্যাকরণ সহজভাবে শিখতে চান এবং পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করতে চান তাহলে ১ এবং ২ নাম্বার বইটি পড়ুন। এটা সম্পূর্ণ আমার মতামত।

এক নাম্বার বইটিতে এমন সহজ ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে যেগুলো আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন। বাংলা ব্যাকরণের জন্য আমরা জানি ক্লাস ৯-১০ এর বইটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে সেই বইটি পড়ার পূর্বে আপনি যদি বাংলা ব্যাকরণ এর পাঠশালা নিয়মে-অনিয়মে বইটি পড়েন তাহলে ৯-১০ এর সব উদাহরণ নিজে নিজেই পারবেন।

তিন নম্বর বইটিতে বাংলা ব্যাকরণ সহ বিভিন্ন ধরনের রচনা অর্থাৎ লিখিত পার্টগুলো খুব সুন্দরভাবে দেওয়া রয়েছে।

আর আপনি যদি আগে থেকেই বাংলা ব্যাকরণ ভালো বুঝতে পারেন তাহলে আপনি চার নাম্বার বইটি পড়ে দেখতে পারেন। কারণ আপনি যেহেতু আগে থেকেই বাংলা ব্যাকরণ ভালো পারেন সেহেতু আপনাকে বেশি বেশি উদাহরণ প্র্যাকটিস করতে হবে। তিন নম্বর বইটিতে প্রচুর পরিমাণে উদাহরণ দেওয়া রয়েছে। এই উদাহরণ গুলো প্র্যাকটিস করলে আপনি চাকরির পরীক্ষায় আনকমন সকল প্রশ্ন কমন পাবেন।

এছাড়া আপনি যদি বিগত বছরের চাকরিতে আসা সকল ধরনের বাংলা ব্যাকরণের প্রশ্নগুলো পেতে চান তাহলে অগ্রদূত বাংলা বইটি সংগ্রহ করে রাখতে পারেন। এখানে চাকরির পরীক্ষায় আসা টপিকের ওপরে বিস্তারিত ভাবে লিখা রয়েছে। অগ্রদূত বাংলা বইটিতে আপনি বাংলা সাহিত্য অংশটুকু পেয়ে যাবেন।

বাংলা ব্যাকরণ পড়ার এবং বোঝার নিয়ম

বাংলা ব্যাকরণের সবচাইতে প্রধান সমস্যা হচ্ছে বুঝতে না পারা। এটা সকল স্টুডেন্টদের জন্যই অনেক বড় একটি সমস্যা। বইয়ের লেখাগুলো লেখকেরা এত কঠিন ভাষা ব্যবহার করে যে আমাদের বুঝতে অনেক সমস্যা হয়। আপনি যদি বাংলা ব্যাকরণ দীর্ঘদিনের জন্য মাথায় রেখে দিতে চান তাহলে আপনাকে একটি ট্রিক অবলম্বন করতে হবে।
বাংলা-ব্যাকরণ-পড়ার-এবং-বোঝার-নিয়ম
প্রথমে আপনি একটি মোটা খাতা কিনবেন। এর পরে আপনি সেই মোটা খাতায় প্রত্যেকটি অধ্যায় নিজের ভাষায় অর্থাৎ সহজ ভাষা ব্যবহার করে নোট করে রাখবেন। আপনি এই খাতায় যখন সহজ ভাষায় বিষয়গুলো লিখে রাখবেন এবং বারবার পড়বেন তখন দেখবেন বাংলা ব্যাকরণ আপনার কাছে ধীরে ধীরে সহজ হয়ে আসছে।


এই নোট খাতায় বেশি তথ্য তুলে ধরার প্রয়োজন নেই। এই নোট খাতায় শুধুমাত্র এমন তথ্য গুলো রাখবেন যেগুলো আপনাকে বাংলা ব্যাকরণ এর বিভিন্ন টপিক এবং বিভাগ বুঝতে সহায়তা করবে। নোট খাতা পড়ার পরে উদাহরণগুলো আপনি অবশ্যই বই থেকে পড়বেন।

FAQs

১) বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ কোনটি?
উত্তরঃ বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম হচ্ছে- গৌড়ীয় ব্যাকরণ।

২) আধুনিক বাংলা ব্যাকরণের জনক কে?
উত্তরঃ আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ এর জনক বলা হয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে।

৩) বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম বাংলা ব্যাকরণের রচয়িতা কে?
উত্তরঃ বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম বাংলা ব্যাকরণের রচয়িতা হচ্ছে রাজা রামমোহন রায়।

৪) বাংলা ব্যাকরণ এর জনক কাকে বলা হয়?
উত্তরঃ বাংলা ব্যাকরণের জনক বলা হয়- হ্যালহেড, ন্যাথানিয়েল ব্রাসি।

৫) রাজা রামমোহন রায়ের বাংলা ভাষায় রচিত বাংলা ব্যাকরণ সর্বপ্রথম কবে প্রকাশ লাভ করে?
উত্তরঃ ১৮৩৩ সালে রাজা রামমোহন রায় তার লেখা ইংরেজি ব্যাকরণ কে বাংলা ভাষায় অনুবাদ করে প্রকাশ করেন।

শেষ আলোচনা

আমি আশা করছি আপনারা বর্ণ অধ্যায়ের প্রশ্ন উত্তর গুলো গোছানোভাবে বুঝতে পেরেছেন। আমি বই থেকে গুছিয়ে সমস্ত তথ্য এক জায়গায় করে আপনাদের এখানে দিয়েছি। কিভাবে গুছিয়ে প্রশ্নগুলো দিলে আপনারা ভালো বুঝতে পারবেন তা আমি অনেক গবেষণা করে এখানে তুলে ধরেছি। আমি আশা করছি আপনারা যদি এখান থেকে প্রশ্নগুলো পড়ে ফেলেন তাহলে বর্ণ অধ্যায়ের সকল প্রশ্ন আপনারা কমন পাবেন এবং খুব সহজেই এই অধ্যায়ের প্রশ্নগুলো মনে রাখতে পারবেন।
এই পোস্ট শেয়ার করুন
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url