কিওয়ার্ড রিসার্চ প্রক্রিয়া | কিওয়ার্ড এনালাইসিস
কিওয়ার্ড রিসার্চ প্রক্রিয়া শেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একটি আর্টিকেলের
প্রধান অঙ্গ হচ্ছে কিওয়ার্ড। আরও জেনে রাখুন একটি আর্টিকেলের হার্ট হচ্ছে
এসইও। তাই ব্লগিং করার আগে আপনাকে অবশ্যই কিওয়ার্ড রিসার্চ এবং এসইও করা জানতে
হবে।
আপনারা এই ব্লগ পোষ্টের মাধ্যমে এটুজেড কিওয়ার্ড রিসার্চ পদ্ধতি সহ, কিভাবে
একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে পারবেন তা জানিয়ে দিব।
সূচিপত্রঃ কিওয়ার্ড রিসার্চ প্রক্রিয়া | কিওয়ার্ড এনালাইসিস
এই আর্টিকেল থেকে আপনার যা কিছু জানতে পারবেন তা দেখে নিন-
কিওয়ার্ড রিসার্চ প্রক্রিয়া | কিওয়ার্ড এনালাইসিস
কিওয়ার্ড রিসার্চ করার পূর্বে আপনাকে কিছু বেসিক বিষয় সর্বপ্রথম জেনে নিতে হবে।
এই বেসিক বিষয়গুলো ক্লিয়ার না হওয়া পর্যন্ত আপনি কিওয়ার্ড ভালোভাবে রিসার্চ
করতে পারবেন না।
সর্বপ্রথম আপনাকে যে সমস্ত বেসিক বিষয়গুলো জেনে নিতে হবে তা হল-
- কিওয়ার্ড কি?
- কিওয়ার্ড কত প্রকার?
- কিওয়ার্ড রিসার্চ কি?
- কিওয়ার্ড রিসার্চ কত প্রকার?
1. কিওয়ার্ড কি?
যখন একটি ওয়েবসাইটে বিভিন্ন পোস্ট বিভিন্ন বিষয়ের উপরে লেখা হয়। এই পোস্ট
গুলোর মূল বিষয়বস্তুই হচ্ছে কিওয়ার্ড যা রিসার্চ করে বের করতে হয়। কিওয়ার্ড
মূলত একটি ওয়ার্ড বা একাধিক ওয়ার্ড। এই কিওয়ার্ড একটি আর্টিকেলে টাইটেলে থাকে,
H2-H3-H4 হেডিং এ থাকে এবং ব্লগ পোস্টের মধ্যে থাকতে পারে।
2. কিওয়ার্ড কত প্রকার?
কিওয়ার্ড দুই প্রকার হয়ে থাকে। যেমনঃ
- শর্ট টেইল কিওয়ার্ড এবং
- লং টেইল কিওয়ার্ড
একটি ওয়েবসাইটে সর্বপ্রথম শর্ট টেইল কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করা উচিত নয়। তাই যারা
নতুন তারা অবশ্যই লং টেইল কিওয়ার্ড গুলো নিয়ে কাজ করবেন। কারণ শর্ট টেইল
কিওয়ার্ড গুলো নিয়ে অলরেডি বিভিন্ন বড় বড় ওয়েবসাইট আর্টিকেল লিখে রেখেছে।
আপনি প্রথম অবস্থায় এই সকল শর্ট টেইল কিওয়ার্ড আর্টিকেল লিখলে গুগলে র্যাংক
করাতে পারবেন না। তাই আপনার ওয়েবসাইট যখন পুরনো হয়ে যাবে তখন আপনি শর্ট টেইল
কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে পারেন।
আপনাদের বোঝার সবিদার্থে বলে রাখি- শর্ট টেইল কিওয়ার্ড গুলো ছোট হয় এবং লং টেইল
কিওয়ার্ড গুলো একটু বড় বাক্য হয।
3. কিওয়ার্ড রিসার্চ কি?
ব্লগ পোস্ট গুগলে র্যাংক করানোর জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ করা অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রতিটি কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করলে আপনি ব্লগ পোস্ট গুগলের
প্রথম পেজে নিয়ে আসতে পারবেন না। তাই আপনাকে কোন ব্লগ পোস্ট লেখার পূর্বে অবশ্যই
সর্বপ্রথম কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে।
যখন কোন ব্লগ পোস্ট লেখার পূর্বে, ব্লগ পোস্টের টাইটেলে অটোমেটিক অথবা
ম্যানুয়ালি রিসার্চ করে, টাইটেল নির্বাচন করা হয় তখন তাকেই বলা হয় কিওয়ার্ড
রিসার্চ।
4. কিওয়ার্ড রিসার্চ কত প্রকার?
কিওয়ার্ড রিসার্চ দুই প্রকার। যেমনঃ
- কিওয়ার্ড রিসার্চ করার দিক দিয়ে কিওয়ার্ড
- আর্টিকেলে কিওয়ার্ডের প্রয়োগ এর দিক দিয়ে কিওয়ার্ড।
কিওয়ার্ড রিসার্চ এর দিক দিয়ে কিওয়ার্ডঃ
কিওয়ার্ড রিসার্চ এর দিক দিয়ে কিওয়ার্ড এর প্রকারভেদ ২ প্রকার। প্রথমটি হচ্ছে
অটোমেটিক বা টুলস এর মাধ্যমে এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে গুগল এর ম্যানুয়েল পদ্ধতিতে।
টুলস এর মাধ্যমে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার চেয়ে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কিওয়ার্ড
রিসার্চ করা বেশি ভালো। তাছাড়া এই সমস্ত টুলস গুলো ফ্রিতে আপনাকে বেশি কিওয়ার্ড
প্রদান করবে না।
এ সমস্ত কথা বিবেচনা করে ম্যানুয়াল ভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা সবচেয়ে ভালো এবং
ম্যানুয়াল ভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হয় সম্পূর্ণ গুগলের মাধ্যমে। অর্থাৎ
গুগল আপনাকে দেখাবে কোন কিওয়ার্ডে কতগুলো সার্চ হচ্ছে এবং কোন কিওয়ার্ডে কতজন
পোস্ট লিখে রেখেছে।
আপনি কিভাবে এই সমস্ত বিষয়গুলো চেক করবেন এবং একটি ব্লগ পোস্টের জন্য সুন্দর
টাইটেল নির্বাচন করবেন তা আমি আপনাদের সহজভাবে শেখাবো।
আর্টিকেলে কিওয়ার্ডের প্রয়োগ এর দিক দিয়ে কিওয়ার্ডঃ
আর্টিকেলে কিওয়ার্ডের প্রয়োগ এর দিক দিয়ে কিওয়ার্ড তিন প্রকার। অর্থাৎ একটি
ব্লগ পোস্টে আপনি তিন ধরনের কিওয়ার্ড রাখতে পারবেন। বিভিন্ন ব্লগ পোস্টে অথবা
ভিডিওতে আপনি দেখতে পাবেন তারা শুধুমাত্র একটি কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করে।
কিন্তু আমি আজকে আপনাদের এমন একটি টেকনিক শেখাবো যার মাধ্যমে আপনি শুধু একটি
কিওয়ার্ড এর মাধ্যমে আপনার ব্লক পোস্ট র্যাংক করাতে পারবেন না বরং আপনি কিভাবে
একের অধিক কিওয়ার্ড ব্যবহার করে আপনার ব্লগ পোষ্ট বা আর্টিকেল র্যাংক করাবেন তা
শেখাবো।
আর্টিকেলে কিওয়ার্ডের প্রয়োগ এর দিক দিয়ে তিন প্রকার কিওয়ার্ডের নাম হচ্ছে-
- ফোকাস কিওয়ার্ড
- সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড
- সাব কিওয়ার্ড বা সাহায্যকারী কিওয়ার্ড বা অন্যান্য কিওয়ার্ড।
চলুন আমরা এখন স্টেপ বাই স্টেপ এই তিন ধরনের কিওয়ার্ড রিসার্চ করা শিখে আসি।
কিওয়ার্ড রিসার্চ কিভাবে করতে হয়
১) টুলস এর মাধ্যমে কিওয়ার্ড রিসার্চ প্রক্রিয়াঃ
টুলস এর মাধ্যমে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার সবচেয়ে ভালো ৩ টি টুলস হচ্ছে
Ahrefs, Ubersuggest এবং Semrush। সকল
ওয়েবসাইটে টুলস এর মাধ্যমে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার পদ্ধতি একই। তাই আমি একটি
টুলস ব্যবহার করে আপনাদের কিওয়ার্ড রিসার্চ করা এখন শেখাবো।
* প্রথমে গুগল ক্রোম ব্রাউজারে গিয়ে সার্চ করবেন Ahrefs লিখে।
* এখন আপনি স্ক্রল করে একদম নিচে চলে আসবেন এবং আপনি দেখতে পাবেন Keyword
Generator লেখা রয়েছে। সেখানে ক্লিক করলেই আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ করার অপশন
পেয়ে যাবেন।
* এখন ধরুন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে আর্টিকেল লিখতে চান তাই, ডিজিটাল
মার্কেটিং লিখে Country সিলেক্ট করে ফাইন্ড কিওয়ার্ডে ক্লিক করুন।
* এখন এই টুলস আপনাকে ফ্রিতে ২০ টা কিওয়ার্ড দিয়ে দিবে এবং এই সমস্ত
কিওয়ার্ডের সার্চ ভলিউম, কিওয়ার্ড ডিফিকাল্টি সবকিছু আপনি দেখতে পাবেন।
* এখানে যে কিওয়ার্ডের সার্চ ভলিউম অনেক বেশি এবং কিওয়ার্ড ডিফিকালটি কম
থাকবে সেই কিওয়ার্ড নিয়ে আপনাকে আর্টিকেল লিখতে হবে। অর্থাৎ এখানে সবচাইতে বেশি
সার্চ করা কিওয়ার্ড এবং কম্পিটিশন কম থাকবে এমন একটি কিওয়ার্ড হবে আপনার
আর্টিকেলের ফোকাস কিওয়ার্ড।
* এরপর আপনাকে আরো একটি সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড পছন্দ করতে হবে। অর্থাৎ
ফোকাস কিওয়ার্ড ঠিক হয়ে গেলে আপনি এই ২০ টা কিওয়ার্ড থেকে একটি
সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড নির্বাচন করবেন। মনে রাখবেন একটি ব্লগ পোস্টে দুইটা
কিওয়ার্ড টাইটেলে ব্যবহার করা যায়। এজন্য আমরা ফোকাস কিওয়ার্ড এবং
সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড টাইটেল এ রাখবো। প্রথমে ফোকাস কিওয়ার্ড রাখবো এরপরে
সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড রাখবো।
* এখন আপনাকে ৮ টা সাব কিওয়ার্ড বা সাহায্যকারী কিওয়ার্ড, ওই ২০
টা কিওয়ার্ড থেকেই পছন্দ করে নিতে হবে।
* তাহলে আমাদের টোটাল কিওয়ার্ড হবে ১০ টি। একটি ফোকাস কিওয়ার্ড, একটি
সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড এবং আটটি সাহায্যকারী কিওয়ার্ড।
* এই কিওয়ার্ডগুলো আপনার ব্লগ পোস্টের H2 টাইটেলে থাকবে। অর্থাৎ আপনার আর্টিকেলে
দশটা H2 টাইটেল আমরা বের করে ফেললাম কিওয়ার্ড রিসার্চ করার মাধ্যমে।
* এখন আপনি আপনার নিজের মতো করে ভয়েস টাইপিং করে দশটি H2 টাইটেল এর বর্ণনা দিতে
থাকুন। অবশ্যই প্যারা প্যারা করে আর্টিকেল লিখবেন। একটি প্যারাতে তিন লাইন থেকে
চার লাইন থাকতে হবে।
২) গুগলের মাধ্যমে ম্যানুয়ালি কিওয়ার্ড রিসার্চ করার কৌশলঃ
এই কৌশলটি সবচাইতে বেস্ট কৌশল। অর্থাৎ Google নিজেই আপনাকে কিওয়ার্ডগুলো
সাজেস্ট করবে। টুলস এর মাধ্যমে কিওয়ার্ড রিসার্চ করলে তারা আপনাকে অনেক সময়
মানসম্মানও কিওয়ার্ড নাও প্রদান করতে পারে।
কিন্তু আমরা জানি গুগল একটি ট্রাস্টেড প্রতিষ্ঠান। Google নিজেই যখন এই
কিওয়ার্ডগুলো আপনাকে দিবে তখন বুঝতে হবে এই কিওয়ার্ড গুলো নিয়ে মানুষ সার্চ
করছে। তাই আমি সাজেস্ট করব আপনারা Google কে ব্যবহার করে ম্যানুয়ালি কিওয়ার্ড
রিসার্চ করুন।
চলুন আমরা এখন গুগল ক্রোম ব্রাউজারের মাধ্যমে গুগলকে ব্যবহার করে ম্যানুয়ালি
কিওয়ার্ড রিসার্চ প্রক্রিয়া শিখে আসি-
* ধরুন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে আর্টিকেল লিখতে চান সেজন্য আপনি প্রথমে
গুগল ক্রোম ব্রাউজারে সার্চবারে গিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং লিখবেন।
* আপনি এখন লক্ষ্য করুন Google আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কিত বিভিন্ন
কিওয়ার্ডগুলো সাজেস্ট করছে।
* একটি জিনিস লক্ষ্য করুন আমরা এখনো কিবোর্ডের ইন্টার বাটানে ক্লিক করেনি তবুও
গুগল আমাদের কিওয়ার্ড দেখাচ্ছে। এ সম্পর্কিতো আরো কিওয়ার্ড পাওয়ার জন্য
ইন্টার বাটনে ক্লিক করুন।তাহলে আপনি আরও অনেক কিওয়ার্ড পাবেন। বুঝতে নিচের
ছবিটি লক্ষ্য করুন।
* কিবোর্ড থেকে ইন্টার করার পূর্বে এবং কিবোর্ড থেকে ইন্টার করার পরে যতগুলো
কিওয়ার্ড আপনি পাবেন সবগুলো কিওয়ার্ড আপনি Google ডকুমেন্টে নোট করে রাখুন।
কোন কিওয়ার্ড কত জন সার্চ করে তা দেখার কৌশল
* এখন আপনি যে সমস্ত কিওয়ার্ডগুলো নোট করেছেন সেগুলো
গুগলে একটা একটা করে সার্চ করুন। এরপর
টুলস অপশনে ক্লিক করুন। টুলস অপশনে ক্লিক করলেই আপনি দেখতে পাবেন এই
কিওয়ার্ডটি কতজন সার্চ করেছে।
* এভাবে প্রত্যেকটি কি ওয়ার্ডের সার্চ ভলিউম আপনি দেখে নিন এবং ইম্পর্টেন্ট
কিওয়ার্ড গুলো বাছাই করে নিন।
* এই কিওয়ার্ডগুলো থেকে এখন আপনাকে ফোকাস কিওয়ার্ড, সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড এবং
সাব কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে। কিন্তু ফোকাস কিওয়ার্ড, সেকেন্ডারি
কিওয়ার্ড এবং সাব কিওয়ার্ড বের করার পূর্বে আপনাকে দেখে নিতে হবে কোন
কিওয়ার্ডে কতজন আর্টিকেল লিখে রেখেছে।
* যে কিওয়ার্ডে সবচেয়ে কম আর্টিকেল লেখা রয়েছে সেই কিওয়ার্ডটি আপনাকে ফোকাস
কিওয়ার্ড রাখতে হবে।
* এরপর সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড বাছাই করতে হবে।
* এরপর ৮ টি সাব কিওয়ার্ড আর্টিকেলের বিষয়বস্তুর ওপর লক্ষ্য রেখে নির্বাচন
করতে হবে।
কোন কিওয়ার্ড নিয়ে কতজন আর্টিকেল লিখেছে তা দেখার কৌশল
* প্রথমে কিওয়ার্ড গুগল সার্চবারে বসান এবং কি ওয়ার্ডের প্রথমে যুক্ত করুন
allintitle: ( উদাহরণ- allintitle:ডিজিটাল মার্কেটিং) এবং টুলস অপশনে ক্লিক
করুন।
* এই পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি সহজে দেখতে পাবেন এই কিওয়ার্ড নিয়ে কতজন লিখে
রেখেছে।
* যে কিওয়ার্ড গুলো নিয়ে মানুষ কম লিখেছে অর্থাৎ পাঁচ থেকে ছয় জন লিখেছে, সে
কিওয়ার্ড গুলো আপনি নির্বাচন করুন ফোকাস কিওয়ার্ড এবং সেকেন্ডারি কি
ওয়ার্ডের জন্য।
* সাব কিওয়ার্ড গুলোর কম্পিটিশন বেশি থাকলেও সমস্যা নেই কারণ আপনার মেইন
কিওয়ার্ড এবং আপনার সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড এর কম্পিটিশন কম থাকতে হবে। সাব
ওয়ার্ডগুলো আপনার আর্টিকেলকে সাহায্য করবে ভালো র্যাংক করার জন্য।
৩) গুগল কিওয়ার্ড প্ল্যানারঃ
এছাড়া আপনারা সরাসরি গুগলের কিওয়ার্ড প্ল্যানারের মাধ্যমে কিওয়ার্ড রিসার্চ
করতে পারবেন। কিওয়ার্ড রিসার্চ করার ক্ষেত্রে গুগল এখানে আপনাকে একদম পারফেক্ট
রেজাল্ট প্রদান করবে।
কিওয়ার্ড রিসার্চ করার পর আপনি কিভাবে এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখবেন তা
শেখার জন্য নিচের লিংকে প্রবেশ করুন। কারণ একটি ব্লগ পোস্টের শুধু
কিওয়ার্ড মেইন ফ্যাক্টর নয়। মেইন ফ্যাক্টর হচ্ছে আপনি কিভাবে আর্টিকেল
লিখছেন এবং এসইও করছেন।
তাই কিওয়ার্ড রিসার্চ করা শেখা হয়ে গেলে নিচের আর্টিকেলটি পড়ুন। যেখানে
আমি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি কিভাবে সুন্দরভাবে একটি ব্লগ পোস্ট লেখা
যায় এবং এসইও করা যায়।
কিওয়ার্ড রিসার্চ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ
ধরুন আপনার একটি ওয়েবসাইট আছে এবং আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ না করে আর্টিকেল
লিখে যাচ্ছেন নিজের মতো করে। এক্ষেত্রে প্রবলেম যেটা হবে সেটা হচ্ছে- আপনার
আর্টিকেলগুলো বেশি ক্লিক আসবে না। অর্থাৎ মানুষ যে সমস্ত বিষয় নিয়ে সার্চ করে
না সেগুলো আপনি লিখলেন। তাতে আপনার সময়ই ব্যয় হবে।
ঠিক এজন্যই আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে আর্টিকেল লিখতে হবে। মানুষ যে বিষয়
নিয়ে সার্চ করে না, সে বিষয় নিয়ে আপনি আর্টিকেল লিখে ভাল ফলাফল পাবেন না। গুগল
সে সমস্ত আর্টিকেল কে পছন্দ করে যে সমস্ত আর্টিকেল গুলো মানুষ বেশি সার্চ
করে।
তাই সঠিকভাবে কিওয়ার্ড নির্বাচন করে আর্টিকেল লেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন
এবং পুরাতন প্রতিটি ওয়েবসাইটের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ।
FAQ
১) কিওয়ার্ড রিসার্চ এর উদ্দেশ্য কী?
উত্তরঃ কিওয়ার্ড রিসার্চ এর উদ্দেশ্য হচ্ছে- একটি আর্টিকেলকে গুগল সার্চ
ইঞ্জিনের প্রথম পেজে র্যাংক করানো এবং বেশি ভিজিটর নিয়ে আসার মাধ্যমে ক্লিক
বৃদ্ধি করা।
২) কিওয়ার্ড কিভাবে তৈরি করতে হয়?
উত্তরঃ একটি প্রধান কিওয়ার্ড এর আগে এবং পেছনে বিভিন্ন ওয়ার্ড ব্যবহার করে
কিওয়ার্ড তৈরি করা যায়।
৩) কিওয়ার্ড কিভাবে কাজ করে?
উত্তরঃ কিওয়ার্ড কাজ করে মানুষের সার্চের উপর ভিত্তি করে।
৪) ব্লগিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায়?
উত্তরঃ নতুন ব্লগারদের মাসে এভারেজ ২০ হাজার টাকা ইনকাম হয়। কিন্তু যারা
পুরনো ব্লগার তারা মাসে ব্লগার থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করে।
৫) ব্লগিং এর সংজ্ঞা কি?
উত্তরঃ যখন কোন একটি বিষয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করা হয় এবং সেই ওয়েবসাইটে একটি
বা মাল্টি নিশ নিয়ে আর্টিকেল লেখা হয় তাকে বলা হয় ব্লগিং।
৬) ব্লগার এর মানে কি?
উত্তরঃ ব্লগার মানে হল কনটেন্ট ক্রিয়েটর। কনটেন্ট ক্রিয়েটরা দুইভাবে কন্টেন্ট
তৈরি করে। ইউটিউব ভিডিওর মাধ্যমে এবং ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটের
মাধ্যমে।
শেষ আলোচনা
কিওয়ার্ড রিসার্চ প্রক্রিয়া খুব জটিল প্রক্রিয়া নয়। যদি আপনি সঠিকভাবে এটি
শিখতে পারেন তাহলে আপনি অন্যান্য ওয়েবসাইট থেকে নিজের ওয়েবসাইট কে ভালো
পজিশনে নিয়ে যেতে পারবেন। আমি আমার এই ওয়েবসাইটে ব্লগিং সম্পর্কে বিভিন্ন
তথ্য প্রদান করে থাকি।
আপনাদের ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোন বিষয়ে জানার আগ্রহ রয়েছে তা আমাকে বলবেন।
আমি আপনাদের সকল সমস্যার সমাধান করার জন্য প্রস্তুত আছি। কিওয়ার্ড রিসার্চ বা
এনালাইসিস, এসইও, ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে আরো তথ্য আমরা আস্তে আস্তে এই
ওয়েবসাইটে শেয়ার করব।