শাওমি মোবাইল কেমন | মোবাইল পাওয়ার র‍্যাংকিং

শাওমি মোবাইল কেমন তা আপনারা অনেকেই জানতে চেয়েছেন। এজন্য আমি আজকে আলোচনা করব শাওমি মোবাইলের এ টু জেড বিষয় নিয়ে। শাওমি চীন দেশের একটি কোম্পানি। ২০১০ সাল থেকে শাওমি কোম্পানির যাত্রা শুরু করে। এরপর থেকেই তারা বিভিন্ন কম দামের ভালো ভালো মোবাইল মার্কেটে নিয়ে এসেছে এবং জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
শাওমি-মোবাইল-কেমন
আপনারা যদি শাওমি মোবাইল কেমন সে সম্পর্কে ভালোভাবে ধারণা নিতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনাদের অনেক সহায়তা করবে। এছাড়া এখানে মোবাইল পাওয়ার র‍্যাংকিং সম্পর্কেও আলোচনা করা হবে। তাই আর্টিকেটে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক আজকের আলোচনা।

সূচিপত্রঃ শাওমি মোবাইল কেমন | মোবাইল পাওয়ার র‍্যাংকিং

এই আর্টিকেল থেকে আপনি যা যা জানতে পারবেন তা এক নজরে দেখে নিন অথবা আপনি যেখান থেকে পড়তে চান সেখানে ক্লিক করুন-

শাওমি মোবাইল কেমন

শাওমির যাত্রা শুরু হয় ৬ এপ্রিল ২০১০ সাল থেকে। প্রথম থেকেই শাওমি কম দামের মধ্যে ভালো ভালো প্রসেসর এবং বেশি স্পেসিফিকেশন দিয়ে জনগণের নিকট জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। শাওমি এমন একটা কোম্পানি যারা সীমিত পরিমান লাভ করে এবং কম দামের মধ্যে ভালো ভালো ফোন বাজারে নিয়ে আসে। এজন্য শাওমির মোবাইল গুলো অন্যান্য কোম্পানির মোবাইলের তুলনায় দাম একটু কম হয়।

শাওমির মার্কেটিং হচ্ছে- শাওমি কম লাভ করবে কিন্তু অন্যান্য কোম্পানির তুলনায় বেশি পণ্য বিক্রি করবে। প্রথম অবস্থায় শাওমি মিড বাজেটের ফোন নিয়ে আসলেও পরবর্তীতে ফ্ল্যাগসিপ লেভেল এর ফোন বাজারে নিয়ে আসে। এছাড়া শাওমি সর্বপ্রথম ফ্ল্যাগসিপ লেভেল এর ফোনগুলো মধ্যম হাই বাজেটের মধ্যেই বাজারে নিয়ে আসে।

অন্যান্য নামি দামি ব্র্যান্ডের ফ্ল্যাগসিপ ফোন গুলো যেখানে এক লাখ টাকার উপরে পাওয়া যেত সেখানে xiaomi ফ্ল্যাগসিপ লেভেলের ফোনগুলো ৮০ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি করতো। এছাড়া শাওমির ৪০ থেকে ৬০ হাজার টাকার ফোন গুলো অত্যন্ত ভালো পারফরমেন্স প্রধান করে। ঠিক এজন্যই শাওমি খুব অল্প সময়ে বিশ্বের মধ্যে একটি ভাল ব্র্যান্ড হিসেবে সুপরিচিতি পাই।


আমরা জানি মোবাইলের প্রসেসরের জগতে সবচেয়ে ভালো প্রসেসর কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন। কিন্তু অন্যান্য ব্র্যান্ডের ফোনগুলো মিড বাজেটে স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরের পরিবর্তে মিডিয়াটেক প্রসেসর ব্যবহার করত। 

সেখানে শাওমি সর্বপ্রথম মিড বাজেটের ফোনগুলোতে কোয়ালকম প্রসেসর দিয়ে মার্কেট দখল করে। এমনকি এখন পর্যন্ত শাওমি তাদের ফোনগুলোতে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর ব্যবহার করে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মিডিয়াটেক প্রসেসর ব্যবহার করতেও দেখা যায় কিন্তু এর পরিমাণ খুব কম।

বিশেষ করে শাওমি তাদের একদম লো বাজেটের ফোনগুলোতে মিডিয়াটেক এখন প্রদান করছে। কিন্তু মিড বাজেটের ফোনগুলোতে আগের মতই কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ব্যবহার করে। শাওমি মোবাইলের দুইটা সাব ব্র্যান্ড রয়েছে যেমন রেডমি এবং Poco। আমরা শাওমি মোবাইলকে mi মোবাইল নামেও অনেকেই চিনি।

শাওমি মোবাইলের ব্যাপক জনপ্রিয়তার জন্য বর্তমানে শাওমি কোম্পানী আরও অনেক ধরনের ইলেকট্রিক পণ্য তৈরি করছে এবং এই সমস্ত ইলেকট্রিক পণ্য গুলো কম দামে বাজারে নিয়ে এসে আগের মতই মার্কেটিং স্ট্রাটেজি ধরে রেখেছে।

শাওমের রেডমি সিরিজের ফোন গুলো সাধারণত মধ্যম বাজেটের ক্রেতাদের উপর টার্গেট করে তৈরি করা হয়। এছাড়া শাওমির Poco সিরিজের ফোনগুলো মধ্যম বাজেটের গেমিং ক্রেতাদের উপর টার্গেট করে তৈরি করা হয়েছে।

আপনারা একটি জিনিস খেয়াল করবেন শাওমির মোবাইল গুলো গরম হয় না কারণ শাওমির মোবাইল গুলোতে প্রসেসর ভালো ব্যবহার করা হয়। মিডিয়াটেক প্রসেসরে মোবাইল বেশি গরম হয় কিন্তু কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরে মোবাইল বেশি গরম হয় না। প্রথম অবস্থায় শাওমির ক্যামেরা কোয়ালিটি তেমন একটা ভালো না থাকলেও বর্তমানে ক্যামেরার দিক দিয়ে অনেক উন্নত করেছে।

শাওমির ফ্ল্যাগসিপ লেভেলের ফোনগুলো বর্তমানে আইফোন এবং স্যামসাং এর ক্যামেরা কে পাল্লা দিচ্ছে। এছাড়া শাওমির মধ্যম বাজেটের ফোন গুলো অন্যান্য ফোনের তুলনায় ক্যামেরার দিক দিয়ে অনেক ভালো।

শাওমিতে রয়েছে আরো অনেক সুবিধা যেমন Xiaomi এর বুট লোডার আপনি আনলক করে খুব সহজেই কাস্টম রিকোভেরি এর মাধ্যমে রম চেঞ্জ করতে পারবেন। এই বিষয়গুলো একটু এডভান্স ব্যক্তিদের জন্য। তাই আপনারা যারা কাস্টম রিকোভেরি, কাস্টম রম বোঝেন না তারা শাওমির ফোনে এগুলো করতে যাবেন না।

শাওমি মোবাইলে ব্যাটারি ব্যাকআপ খুবই ভালো প্রদান করে। আমার মনে আছে আমি যখন প্রথম শাওমি রেডমি নোট ৩ কিনেছিলাম তখন সেই মোবাইল আমাকে এক চার্জে তিন দিন মেকআপ দিয়েছিল। এই চার্জের ব্যাকআপ দেখে আমি অবাক হয়ে গেছিলাম। যেহেতু শাওমি মোবাইলে ভালো প্রসেসর দেওয়া থাকে এবং মোবাইল গরম হয় না যেহেতু এই মোবাইলের চার্জও ভালো থাকে।

একটি মিড বাজেটের মোবাইল দিয়ে একজন গ্রাহককে সব ধরনের সুবিধা দেওয়ার জন্য শাওমি মোবাইল তাদের ফোনে সকল স্পেসিফিকেশন দিয়ে দিত। ভালো ভালো বেশি দামের মোবাইলে যে সমস্ত ফাংশন গুলো থাকতো এবং যে সমস্ত সুবিধা গুলো থাকত, সেই সকল সুবিধাগুলো শাওমি তাদের কম দামের মোবাইলে প্রদান করতো।

শাওমি মার্কেটে আসার পরেই বড় বড় ব্র্যান্ড গুলোর মোবাইল এর দাম কমাতে থাকে। আমরা জানি স্যামসাং পূর্বে অনেক দামে মোবাইল বিক্রি করতো। শাওমি মার্কেটে আসার পরে এজন্য Samsung এর মার্কেট শেয়ার অনেক কমে গিয়েছিল। এর ফলেই স্যামসাং আসতে আসতে শাওমির মত মিড বাজেটে বাজারে মোবাইল নিয়ে আসতে শুরু করে। কিন্তু Samsung মিড বাজেটে শাওমির মতো সুবিধা দিতে পারত না।

শাওমি মোবাইলকে বলা হয় সবচেয়ে বেস্ট ভ্যালু ফর মানি একটি ফোন। তাই আপনারা যদি আপনার বাজেটে আপনার মন মত একটি মোবাইল পেতে চান তাহলে শাওমি মোবাইল কিনতে পারেন। আমি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি- আমি ২০১৫ সালের পরে শাওমি মোবাইল ছাড়া আর কোন মোবাইল ব্যবহার করিনি। কারণ আমার কাছে এই ব্র্যান্ডের মোবাইল ব্যবহার করতে অনেক ভালো লাগে।

মোবাইল পাওয়ার র‍্যাংকিং

মোবাইলের পাওয়ার র‍্যাংকিং সম্পর্কে এখন আমরা জেনে নেব। ২০২৫ সালে এসে কোন মোবাইল কেমন পাওয়ার র‍্যাংকিং এ অবস্থানে রয়েছে তা নিয়ে অনেকের ভিন্ন মতামত থাকতে পারে। আসলে এই বিষয়গুলো এক একজনের আলাদা আলাদা হয়।
মোবাইল-পাওয়ার-র‍্যাংকিং
তাই আমি এখন যে রেংকিং প্রদান করব এই র‍্যাংকিং সম্পূর্ণই আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে শেয়ার করব। তাহলে চলুন আমরা এখন জেনে আসি বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মোবাইল কোনগুলো রয়েছে তার একটি লিস্ট দেখে আসি।
  • অ্যাপল মোবাইল
  • স্যামসাং মোবাইল
  • গুগল মোবাইল
  • ওয়ান প্লাস মোবাইল
  • শাওমি মোবাইল
  • মোটরওয়ালা ফোন
  • আইকু
  • Realme মোবাইল
  • হুয়াওয়ে মোবাইল
  • Vivo মোবাইল
  • Oppo মোবাইল
এছাড়া আরো রয়েছে-
  • এলজি মোবাইল
  • লেনোভো মোবাইল
  • এইচটিসি মোবাইল
  • নকিয়া
  • লাভা
  • ব্ল্যাকবেরি
  • সনি মোবাইল ইত্যাদি
কিন্তু উপরের এই মোবাইল গুলো এখন আর আগের মত জনপ্রিয় নয় এবং এই মোবাইল গুলো মার্কেটে তাদের স্থান হারিয়েছে।

আরো দুটি মোবাইল কোম্পানি রয়েছে যারা কম দামে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি মার্কেট দখল করে রেখেছে। তারা হচ্ছে টেকনো এবং ইনফিনিক্স। বিশেষ করে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের হাতে কম দামের টেকনো এবং ইনফিনিক্স মোবাইল বেশি দেখা যায়। কম দাম বলতে একদম লো বাজেটের যে স্মার্টফোনগুলো রয়েছে সেগুলোকে বোঝাচ্ছি। এই দুইটা কোম্পানি বাংলাদেশের মার্কেটে কম বাজেটের ফোন হিসেবে ভালো বিক্রি হয়।

অ্যাপেল মোবাইল কেমন

বিশ্বের সবচেয়ে নাম্বার ওয়ান মোবাইল কোম্পানি হচ্ছে- অ্যাপেলের মোবাইল। অ্যাপেলের মোবাইলগুলো যারা একবার ব্যবহার করে তারা আর অন্য কোন ব্র্যান্ড ব্যবহার করতে চায় না। তাছাড়া অ্যাপেলের মোবাইলগুলোর দাম অনেক বেশি হওয়াতে সবাই এই ফোন ব্যবহার করে না। শুধুমাত্র কিছু স্পেসিফিক ক্রেতাদেরকে টার্গেট করে অ্যাপেল তাদের মোবাইল গুলো বাজারে নিয়ে আসে।

বাংলাদেশে সবাই অ্যাপেল মোবাইল ব্যবহার না করলেও বাইরের দেশগুলোতে প্রত্যেকেই অ্যাপেল মোবাইল ব্যবহার করে। অ্যাপেল মোবাইল তাদের নিজস্ব প্রসেসর ব্যবহার করে, নিজস্ব ক্যামেরা, নিজস্ব ডিসপ্লে ব্যবহার করে।

তাদের মোবাইলের এই নিজস্ব বৈশিষ্ট্যগুলো আপনি আর অন্য কোন মোবাইলে পাবেন না। কারণ তারা তাদের প্রোডাক্টগুলো অন্য কোন কোম্পানির কাছে বিক্রি করে না। তাই অ্যাপেল পূর্ব থেকে সেরা ছিল এবং বর্তমানেও সেরা রয়েছে।

বর্তমানে বিশ্বের এমন কোন মোবাইল নাই যা অ্যাপেলকে হারাতে পারে। কারণ অ্যাপেলের প্রসেসর বিশ্বের নাম্বার ওয়ান শক্তিশালী প্রসেসর এবং অ্যাপেলের ক্যামেরা বিশ্বের নাম্বার ওয়ান ক্যামেরা।

Samsung মোবাইল কেমন

পূর্বে Samsung মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেম এবং প্রসেসর তেমন একটা ভালো ছিল না। যার কারণে পূর্বের স্যামসাং মোবাইল গুলো অনেক গরম হত এবং গেম খেলা যেত না। তারপরেও Samsung যেহেতু ব্র্যান্ড এবং ডিসপ্লে ভালো, তার জন্য মানুষ স্যামসাং মোবাইল কিনতো।
Samsung-মোবাইল-কেমন
তাছাড়া স্যামসাং বর্তমানে তাদের ইউআই আগের চেয়ে অনেক ভালো করেছে। স্যামসাংয়ের মিড বাজেটের ফোনগুলোতে যে হ্যাং সমস্যা ছিল সেই সমস্যা এখন আর নেই।

এছাড়া Samsung এর ডিসপ্লে কে বলা হয় বিশ্বের নাম্বার ওয়ান ডিসপ্লে। Samsung শুধুমাত্র তাদের ডিসপ্লে বিক্রি করেও অনেক টাকা ইনকাম করে থাকে। আমরা পূর্বে জেনেছি আইফোন তাদের ডিসপ্লে কোথাও বিক্রি করে না ঠিক এজন্যই তাদের ডিসপ্লে সম্পূর্ণ ইউনিক।

বর্তমান সময়ে মধ্যম বাজেটের ফোনগুলোতে Samsung ভালো উন্নতি করেছে এবং মার্কেটে ভালো মোবাইল বিক্রি করছে। Samsung এর ফ্ল্যাগসিপ ফোন গুলোর ক্যামেরা অনেক আগে থেকেই ভালো ছিল কিন্তু এখন মধ্যম বাজেটের ফোনগুলোতেও ক্যামেরা আগের চেয়ে ভালো করেছে।

আপনি যদি একটি ভালো ডিসপ্লের মোবাইল কিনতে চান তাহলে Samsung আপনার জন্য একদম পারফেক্ট একটি ব্র্যান্ড হবে।

Realme মোবাইল কেমন

শাওমি যেমন হঠাৎ করে বাজারে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল ঠিক তেমনি রিয়েলমি হঠাৎ করে মার্কেটে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। শাওমি এবং রিয়েলমি বর্তমানে একে অপরের সাথে পাল্লা দিয়ে মোবাইল বিক্রি করছে।

কোন কোন ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে রিয়েলমি শাওমিকে পরাজিত করছে বিভিন্ন স্পেসিফিকেশন এর মাধ্যমে। কিন্তু রিয়েলমির উচিত মিডিয়াটেকার প্রসেসর ব্যবহার না করে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর ব্যবহার করা। যদি রিয়েলমি এই কাজটি করে তাহলে খুব সহজেই শাওমির সাথে পাল্লা দিতে পারবে।

বাংলাদেশের মার্কেটে ২০ থেকে ৩০ হাজারের আশেপাশে অথবা ১৫ থেকে ২০ হাজারের আশেপাশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় শাওমি এবং রিয়েলমি মোবাইল। সুতরাং বুঝতে পারছেন আপনি যদি এই বাজেটের মধ্যে ভালো একটি ফোন কিনতে চান তাহলে Realme হতে পারে আপনার অন্যতম পছন্দ।

ওয়ানপ্লাস মোবাইল কেমন

ওয়ানপ্লাস খুবই ভালো একটি মোবাইল। আমি বলব পঞ্চাশ হাজারের আশেপাশে যদি আপনি মোবাইল কিনতে চান তাহলে ওয়ান প্লাস মোবাইল কিনেন। কারণ ওয়ানপ্লাসের এই মোবাইল গুলো আপনাকে ফ্ল্যাগসিপ লেভেলের মজা প্রদান করবে।

কি পাবেন না আপনি এই মোবাইলে?

সবকিছুই পাবেন- যেমন ভালো গেমিং করতে পারবেন, ভাল ক্যামেরা পাবেন, ভালো একটি ডিসপ্লে পাবেন, ভালো অপারেটিং সিস্টেম পাবেন, ভাল চার্জ ব্যাকআপ পাবেন ইত্যাদি।

অপ্পো এবং ভিভো মোবাইল কেমন

অপ্পো এবং ভিভো মোবাইল শুধুমাত্র ক্যামেরা এবং লুকের দিক দিয়ে ভালো। অর্থাৎ আপনি যদি একটা আকর্ষণীয় সুন্দর মোবাইল কিনতে চান তাহলে অপ্পো এবং ভিভো কিনতে পারেন। এই দুইটা মোবাইলে ভালো গেমিং করা যায় না। তাছাড়া অপ্পো এবং ভিভো মোবাইল যারা ব্যবহার করে তারা গেম খেলার জন্য কিনে না।

বিশেষ করে মেয়েরা যদি ভালো ভালো সেলফি ফটো তুলতে চান এবং সুন্দর দেখতে একটি মোবাইল কিনতে চান তাহলে অপ্পো এবং ভিভো মোবাইল ব্যবহার করতে পারেন। ওপ্পো এবং ভিভো মোবাইল মেয়েরাই বেশি ব্যবহার করে থাকে। কারণ তাদেরকে টার্গেট করেই এই দুইটা কোম্পানি বাজারে মোবাইল ফোন লঞ্চ করে।

তবে ভিভোর একটি সাব ব্র্যান্ড রয়েছে যার নাম হচ্ছে- আইকু। এই আইকু মোবাইলটি আপনি গেমিংয়ের জন্য কিনতে পারেন কারণ এখানে অনেক ভালো প্রসেসর দেওয়া হয়।

Motorola মোবাইল কেমন

Motorola খুবই স্মার্ট একটি মোবাইল। অর্থাৎ মানুষের মধ্যে যেমন স্মার্ট রয়েছে ঠিক তেমনি মোবাইলের মধ্যে সবচেয়ে স্মার্ট মোবাইল মটোরোলা। মোটোরোলার ক্লিন ইউআই এবং আকর্ষণীয় ডিসপ্লে থাকার পাশাপাশি দেখতেও অসাধারণ। মটোরোলা মোবাইল বর্তমানে খুব ভালো ভালো ফোন মার্কেটে নিয়ে আসছে। মটোরোলার কার্ভ ডিসপ্লের ফোন গুলো বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কার্ভ সমৃদ্ধ ডিসপ্লে ফোন।

FAQs

১) অ্যাপল কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ অ্যাপেল প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল।

২) স্যামসাং কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ স্যামসাং প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৯ সালের ১৩ জানুয়ারি।

৩) Realme কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ Realme ২০১৮ সালের ৪ মে প্রতিষ্ঠিত হয়।

৪) ওয়ানপ্লাস কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ ওয়ানপ্লাস প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে।

৫) অপ্পো কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ অপ্পো প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে।

৬) ভিভো কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ ভিভো প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৯ সালে।

৭) নোকিয়া কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ নোকিয়া প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬৫ সালের ১২ মে।

৮) Motorola কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ Motorola সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯২৮ সালে। কিন্তু বর্তমানে এটি দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে গেছে ২০১১ সাল থেকে।

৯) সনি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ সনি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৪৬ সালের ৭ মে।

১০) ব্ল্যাকবেরি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ ব্ল্যাকবেরি ১৯৮৪ সালের ৭ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

শেষ আলোচনা

এই ছিল শাওমি মোবাইল কেমন তা নিয়ে আজকের আলোচনা। আমি আশা করছি আপনারা এই আর্টিকেল থেকে সব ধরনের মোবাইলের তথ্যগুলো জানতে পেরেছেন। আপনি কোন উদ্দেশ্যে মোবাইল কিনতে চান সেটি আগে নির্ধারণ করুন এবং তারপর যে কোন একটি মোবাইল পছন্দ করুন। 

আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে মধ্যম লেভেলের মোবাইলের মধ্যে শাওমি ভালো লাগে। আপনার কাছে কোন মোবাইল ভালো লাগে তা কমেন্টে জানাবেন এবং কেন ভাল লাগে তা উল্লেখ করবেন। এতে করে অন্যান্য পাঠকরা উপকৃত হবে এবং আপনার তথ্য জানতে পারবে।
এই পোস্ট শেয়ার করুন
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url