ছেলে ও মেয়েদের ফরজ গোসলের নিয়ম | তায়াম্মুমের বিবরণ
ছেলে ও মেয়েদের ফরজ গোসলের নিয়ম আমাদের প্রত্যেকেরই জানা উচিত। কারণ আমরা জানি
অপবিত্র অবস্থায় ইসলামে কোন আমল করলে তা কবুল হয় না। তাই যখনই ফরজ গোসলের
প্রয়োজন পড়বে সাথে সাথে ফরজ গোসল করে পবিত্র হয়ে যেতে হবে। এরপরে আপনাকে ইবাদত
বন্দেগী করতে হবে।
তাই আপনারা যদি ছেলে ও মেয়েদের ফরজ গোসলের নিয়ম অত্যন্ত সহজ ভাবে এবং
পর্যায়ক্রমিকভাবে জানতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনাদের অনেক সহায়তা করবে
ইনশাল্লাহ। এজন্য আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন তাহলেই আপনি আজকের পর থেকে ফরজ
গোসলের একদম সঠিক ও সহীহ নিয়ম জানতে পারবেন।
সূচিপত্রঃ ছেলে ও মেয়েদের ফরজ গোসলের নিয়ম | তায়াম্মুমের বিবরণ
এই আর্টিকেল থেকে আপনারা ফরজ গোসল এবং তায়াম্মুমের যেসকল বিষয়সমূহ জানতে
পারবেন তা এক নজরে দেখে নিন-
ছেলে ও মেয়েদের ফরজ গোসলের নিয়ম এবং দোয়া
ইসলামী শরীয়তের হুকুম আহকাম গুলো পালনের জন্য পবিত্রতা অর্জন করা অপরিহার্য।
পবিত্রতা অর্জনের জন্য তিন ধরনের ব্যবস্থা ইসলামে অনুমোদিত রয়েছে। যেমনঃ
- গোসল
- ওযু এবং
- তায়াম্মুম
সুতরাং বোঝা যাচ্ছে পবিত্রতা অর্জনের জন্য এই তিন ধরনের ব্যবস্থার মধ্যে গোসল
অন্যতম।
গোসলঃ গোসল একটি আরবি শব্দ। এর অর্থ হচ্ছে ধৌত করা। আর ইসলামি শরীয়তের
পরিভাষায় যে সকল কারণে গোসল ফরজ হয় সেই কারণ সমূহ হতে কোন একটি কারণ পাওয়া
গেলে পবিত্রতা অর্জনের জন্য গড়গড়ার সাথে কুলি করে নাকে পানি দিয়ে সর্বাঙ্গ ধৌত
করাকে গোসল বলা হয়।
ছেলে ও মেয়েদের ফরজ গোসলের নিয়ম ও নিয়ত
ছেলে এবং মেয়ে উভয়কেই ফরজ গোসলের পূর্বে অবশ্যই নিয়ত করে নিতে হবে। নিয়ত করা
ছাড়া ফরজ গোসল কবুল হবে না।
ফরজ গোসলের আরবি নিয়ত
উচ্চারণঃ নাওয়াইতুল গোসলা লেরাফয়িল জানাবাতি।
ফরজ গোসলের বাংলা নিয়ত
- হে আল্লাহ আমি গোসল করছি নাপাকি হতে পবিত্রতা লাভের জন্য
- অথবা আপনি বলতে পারেন- আমি নাপাকি দূর করার জন্য গোসল করছি।
কিভাবে ফরজ গোসল করতে হয়?
যেভাবে ফরজ গোসল করতে হয় তা জেনে নিন-
- প্রথমে ফরজ গোসল করার জন্য নিয়ত করে নিতে হবে যা আমি উপরেই দিয়ে দিয়েছি। আপনি বাংলা অথবা আরবীতে যে কোন ভাবেই এই নিয়ত করতে পারেন।
- তারপর উভয় হাতের কব্জি পর্যন্ত তিনবার ধৌত করতে হবে।
- তারপর দেহের ও কাপড়ের নাপাকি পরিষ্কার করতে হবে।
- তারপর ওযু করতে হবে, তবে ওযু করার সময় উভয় পা ধৌত করবেন গোসলের পরে।
- তারপর মাথায় তিনবার পানি দিতে হবে।
- তারপর ডান কাঁধে তিনবার এবং বাম কাঁধে তিনবার পানি ঢালতে হবে।
- তারপর সমস্ত শরীরের মধ্যে তিনবার পানি ঢালতে হবে।
- প্রত্যেকবার শরীরের পানি ঢালার সময় নাপাকি পরিষ্কার করার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
- শরীরে পানি ঢালার সময়ে লক্ষ্য রাখতে হবে যে সারা শরীরের একটি লোমও যেন শুকনা না থাকে।
- তারপর দুই পায়ে উত্তমরূপে পানি ঢেলে ধৌত করতে হবে যাতে পায়ের আঙ্গুলের মাঝখানের ফাঁকা জায়গাটুকু শুকনো না থাকে।
উপরের বর্ণনা অনুযায়ী গোসল করলে গোসল শুদ্ধ হবে অন্যথায় আপনার ফরজ গোসল শুদ্ধ
হবে না। তাই এই নিয়ম মেনে ফরজ গোসল করুন।
গোসল ফরজ হওয়ার কারণ কি কি?
চারটি কারণে ছেলেদের এবং মেয়েদের গোসল ফরজ হয়ে যায়। সে কারণগুলো আমাদের প্রথমে
জানতে হবে। যেমনঃ
- স্ত্রী বা পুরুষ সঙ্গম করলে। স্ত্রীর লজ্জাস্থানের ভেতর পুরুষাঙ্গের অগ্রভাগটুকু প্রবেশ করলেই বীর্য বের হোক কিংবা না হোক উভয়ের গোসল করা ফরজ।
- স্বপ্নে বীর্যপাত হলে নারী এবং পুরুষ উভয়েরই গোসল ফরজ হয়ে যায়। অর্থাৎ স্বপ্নদোষ হলেই আপনাকে ফরজ গোসল করতে হবে।
- পুংমৈথুন হস্তমৈথুন ইত্যাদি যেকোনো উপায়ে কামউত্তেজনাসহ পুলকের সাথে বীর্য নির্গত হলে গোসল করা ফরজ।
- স্ত্রী লোকের হায়েজ কিংবা নিফাসের রক্তস্রাব বন্ধ হলে ফরজ গোসল করতে হবে।
ফরজ গোসলের ফরজ কয়টি?
ফরজ গোসলের ফরজ তিনটি। যেমনঃ
- রোজার সময় ব্যতীত গড় গড়ার সহিত কুলি করা। রোজাদার হলে গড়গড়া করতে হবে না কারণ তাতে রোজা ভঙ্গ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- নাকের নরম হাড় পর্যন্ত পানি পৌঁছে দেওয়া। রোজাদার হলে এটা করতে হবে না কারণ তাতে রোজা ভঙ্গ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- সমস্ত শরীর ভালোভাবে ধোয়া যাতে মাথা হতে পা পর্যন্ত শরীরের একটি পশমের গোড়াও শুকনা না থাকে। নদী বা পুকুরে গোসল করলে তাতে সরাসরি নেমে শরীর মর্দন করবেন। আর বালতিতে বা কলসের পানিতে গোসল করলে ভালোভাবে পানি ঢেলে গোসল করবেন।
মনে রাখতে হবে এই কাজগুলোর কোন একটি বাদ পড়লে গোসল হবে না এবং আপনি অপবিত্রই
থেকে যাবেন। তাই খুব সতর্কতার সহিত এই কাজগুলো করুন। এমনভাবে ধৌত করুন যেন মাথা
থেকে পা পর্যন্ত শরীরের প্রতিটি পশমের গোড়ায় পানি প্রবেশ করে এবং মেয়েদের
চুলের গোঁড়া ভিজে যায়।
ফরজ গোসলের সুন্নত কয়টি?
ফরজ গোসলের সুন্নত পাঁচটি। যেমনঃ
- দুই হাত কব্জি পর্যন্ত ধোয়া।
- গোসল করার পূর্বে নারী হোক অথবা পুরুষ হোক তাদের লজ্জাস্থান ভালোভাবে ধৌত করে ফেলা।
- শরীরের অন্যত্র কোন প্রকার নাপাক লেগে থাকলে তা পূর্বেই ধুয়ে নিতে হবে।
- পা ধৌত করা ছাড়া অবিকল নামাজের ওযুর ন্যায় ওযু করে নিতে হবে।
- সমস্ত শরীরে ভালোভাবে পানি বয়ে দেওয়া।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ ক্বলস বা বালতির পানি দ্বারা দাঁড়িয়ে গোসল করলে গায়ে
তিনবার পানি দেওয়ার পর উক্ত স্থান হতে সরে গিয়ে তারপর পা তিনবার ধৌত করতে হবে।
আর পুকুর কিংবা নদীতে গোসল করলে গায়ে তিনবার পানি দেওয়ার বদলে তিনটি ডুব দিলেই
সুন্নত আদায় হয়ে যাবে।
তায়াম্মুমের বিবরণ
যে কারণে তায়াম্মুম বৈধঃ ইসলাম হচ্ছে মানবতার জন্য সহজ সরল শান্তির
ধর্ম। এ ধর্মে রয়েছে মানবতার মৌলিক শিক্ষা। ইসলাম ধর্মে কেউ বিপদে পড়লে তা
থেকে পরিত্রাণের সর্ব উৎকৃষ্ট সমাধান রয়েছে অত্যন্ত সুন্দর ও সহজ ভাবে। এমন
সমাধান ইসলাম ধর্মে দেয়া আছে যাতে কোন লোকের সমস্যায় পড়ার সম্ভাবনা নেই।
তায়াম্মুমও সে ধরনের একটি সমস্যার সমাধান। যার বিধান স্বয়ং আল্লাহ তায়ালাই
তার বান্দার জন্য প্রবর্তন করেছেন।
সূরা নিসায় বলা রয়েছে- যদি তোমরা অসুস্থ হও অথবা সফরে থাকো, কিংবা তোমাদের
মধ্যে কেউ পায়খানা প্রসবের কাজ সেরে এসে অথবা স্ত্রীদের সাথে মিলিত হয়, এরপর
তারা ওযু-গোসলের জন্য যদি কোন পানি না পায়, তবে তারা যেন পবিত্র মাটি দ্বারা
তায়াম্মুম করে নেয়।
তায়াম্মুম শব্দের অর্থ কি?
তায়াম্মুম (تيمم) শব্দটি আরবি ভাষার শব্দ, যার অর্থ হলো উদ্দেশ্য করা বা
মনোনিবেশ করা। এটি কুরআন ও হাদিস দ্বারা প্রমাণিত একটি বিধান।
তায়াম্মুম কাকে বলে?
ওযু কিংবা গোসলের প্রয়োজনে পবিত্র পানির অভাবে কিংবা শারীরিক অসুস্থতার কারণে
পানি ব্যবহারে অক্ষম হলে, পবিত্র মাটি বা ওই জাতীয় পবিত্র বস্তু (যেমনঃ বালু,
পাথর, সুরমা ও মাটির তৈরির যাবতীয় আসবাব ইত্যাদি) দ্বারা শরীর পবিত্র করাকে
তায়াম্মুম বলে।
কি কি কারনে তায়াম্মুম করতে হয়?
যে সমস্ত কারণে তা আম্মু করা যায় সেগুলো নিম্নরূপ নিচে দেওয়া হল-
- আপনার কাছে পানি আছে কিন্তু তা দ্বারা ওযু গোসল করলে রোগবৃদ্ধির আশঙ্কা থাকলে।
- সিংহ, বাঘ, সাপ ইত্যাদি কোন হিংস্র জন্তু পানির নিকটে থাকার কারণে পানি ব্যবহারে অসমর্থ হলে।
- পানির কাছে গেলে যদি শত্রু কর্তৃক প্রাণনাশ কিনবা বন্দী হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
- এক মাইল এর মধ্যে যদি পানি পাওয়া না যায়।
- অল্প পানি সংরক্ষণে থাকার কারণে অজু বা গোসল করলে যদি পরবর্তীতে পিপাসায় জীবনহানি ঘটার সম্ভাবনা বা আশঙ্কা থাকলে।
- কূপ থেকে পানি তোলার ব্যবস্থা না থাকলে।
- পানি দ্বারা ওযু বা গোসল করে ঈদের নামাজ কিংবা জানাজার নামাজ কিংবা যেকোন নামায পড়তে গেলে, সেই নামাজ ছুটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে।
- মুসাফিরী অবস্থায় পানির সন্ধান পাওয়া না গেলে অথবা বিধর্মীদের হাতে বন্দি থাকা অবস্থায় ওযু করতে বাধা প্রাপ্ত হলে।
তায়াম্মুম ফরজ কয়টি ও কি কি?
তায়াম্মুমের ফরজ তিনটি। যেমনঃ
- নিয়ত করা।
- মুখমন্ডল মাসেহ করা।
- উভয় হাত কনুই পর্যন্ত মাসেহ করা।
তায়াম্মুমের সুন্নত কয়টি ও কি কি?
তায়াম্মুমের সুন্নত সাতটি। যেমনঃ
- বিসমিল্লাহ বলে শুরু করা।
- উভয় হাতের তালু পবিত্র মাটিতে মারা।
- মাটিতে রাখা অবস্থায় আঙুলগুলো ফাঁকা রাখা।
- মাটিতে হতে হাত উঠানোর পর উভয় হাত ঝেড়ে ফেলা।
- প্রথমে মুখমন্ডল ও পরে হাত মাসেহ করা।
- দুই অঙ্গ মাসেহ করার মধ্যখানে বিলম্ব না করা।
- তারতীব বজায় রাখা।
তায়াম্মুম করার নিয়ত ও নিয়ম
তায়াম্মুম করার আগে অবশ্যই আপনাকে নিয়ত করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি আরবি অথবা
বাংলায় যে কোনভাবে নিয়ত করতে পারেন।
তায়াম্মুম করার আরবি নিয়ত
উচ্চারণঃ নাওয়াইতুয়ান আতাইয়াম্মামা লিরাফ’ইল হাদাসি ওয়াল জানা-বাহ,
ওয়াস্তিবা হাতাল্লিছছলা-তি ওয়া তাক্বাররুবান ইলাল্লা-হি তা’য়ালা।
তায়াম্মুম করার বাংলা নিয়ত
আমি নাপাকি দূর করার জন্য, নামাজের শুদ্ধতার এবং আল্লাহ পাকের নৈকট্য লাভ করার
জন্য তায়াম্মুমের নিয়ত করছি বা করলাম।
তায়াম্মুম করার নিয়ম
* প্রথমে বাংলা অথবা আরবিতে নিয়ত করে নিতে হবে যা আমি উপরে দিয়ে দিয়েছি।
* অতঃপর দুই হাত পাক-পবিত্র বা সমমানের অন্য কিছুতে রেখে, দুহাতের তালুকে একটু
আগপিছ করবেন। এরপর হাত একটু ঝেড়ে মুখমণ্ডলের (ওযুতে যে পরিমান) সমুদয় স্থান
একবার মাসেহ করবেন।
* দ্বিতীয়বার একইভাবে দুই হাত মাটিতে রেখে বাম হাতের আঙ্গুলের অর্ধেক তালু এবং
মধ্যমা, অনামিকা ও কনিষ্ঠা আঙ্গুল দ্বারা ডান হাতের পিছন দিক আঙ্গুলের মাথা হতে
কনুইয়ের উপর পর্যন্ত একবার মাসেহ করবেন।
* আর বাম হাতের বাকি অর্ধ তালু এবং বৃদ্ধা ও তর্জনী আঙ্গুল দ্বারা ডান হাতের
সম্মুখভাগ পিছন ভাগের মতো সম্পূর্ণ স্থান মুছে ফেলবেন।
* পুনরায় এভাবে ডান হাত দ্বারা বাম হাত মাসেহ করবেন। তারপর এক হাতের আঙ্গুল অপর
হাতের আঙ্গুল দ্বারা খিলাল করবেন। আঙ্গুলে কোন আংটি পরা থাকলে তা সরিয়ে ফেলতে
হবে।
FAQs
প্রশ্নঃ ইসলামী পরিভাষায় তায়াম্মুম মানে কি?
উত্তরঃ ইসলামী পরিভাষায়, তায়াম্মুম হলো পানি না পাওয়া বা পানি ব্যবহারে
অক্ষমতার কারণে পবিত্র মাটি বা মাটি জাতীয় কিছু দিয়ে ওযু বা গোসলের একটি বিকল্প
মাধ্যম, যা পবিত্রতা অর্জনের একটি পদ্ধতি।
প্রশ্নঃ তায়াম্মুমের মাধ্যমে কী কী ইবাদত করা যাবে?
উত্তরঃ ওযুর বা গোসলের পরিবর্তে তায়াম্মুম করার মাধ্যমে আপনি নামাজ পড়তে
পারবেন, কোরআন তিলাওয়াত করতে পারবেন, এছাড়া অন্যান্য যাবতীয় ইবাদত করতে
পারবেন।
প্রশ্নঃ তায়াম্মুম বাতিল হওয়ার কারণ কী?
উত্তরঃ তায়াম্মুম বাতিল হওয়ার কারণগুলো হচ্ছে- যখন পানি সহজলভ্য থাকবে, তখন
তায়াম্মুম করে পবিত্র হওয়া যাবে না। আবার বাথরুম করা, নিদ্রা যাওয়া, রক্তপাত
ইত্যাদি কারণেও তায়াম্মুম বাতিল হয়ে যায়।
প্রশ্নঃ কী ধরনের জিনিস দিয়ে তায়াম্মুম করা যাবে?
উত্তরঃ মাটির সাথে সম্পর্কযুক্ত যেমনঃ পবিত্র বালি, মাটি, কাদা, পাথর, ধূলাবালি
ইত্যাদি জিনিস দিয়ে তায়াম্মুম করা যাবে।
শেষ আলোচনা
ছেলে ও মেয়েদের ফরজ গোসলের নিয়ম এটাই হচ্ছে সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি, যেটা আমি এই
আর্টিকেলে আপনাদের শিখিয়েছি। তায়াম্মুমের এই নিয়ম শিখলে আপনার আর অন্য কোন
নিয়ম শেখার প্রয়োজন নেই। তাই ফরজ গোসল ছাড়াও তায়াম্মুমের কোন নিয়ম বুঝতে যদি
সমস্যা হয় তাহলে আমাদেরকে অবগত করবেন। আপনার যে বিষয়ে বুঝতে সমস্যা হচ্ছে সে
বিষয়ে আমরা আপনাদের পুনরায় বুঝিয়ে দিব।