সারা জীবনের কাজা নামাজ আদায়ের নিয়ম | কাজা রোজা কখন রাখতে হয়
সারা জীবনের কাজা নামাজ আদায়ের নিয়ম আপনি কি জানতে চান? তাহলে আপনি আজকে ঠিক
জায়গায় এসেছেন কারণ আমি আজকে এই আর্টিকে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব কিভাবে
আপনারা সারা জীবনের কাজা নামাজগুলো বর্তমানে আদায় করবেন। এছাড়া রমজান মাসের
কাজা রোজা কখন রাখতে হয় এই বিষয়েও এখানে আলোচনা করা হবে।
তাই আপনারা যদি সারা জীবনের কাজা নামাজ আদায়ের নিয়ম এবং কাজা রোজা কখন রাখতে
হয়, এই দুই বিষয়ে পরিপূর্ণ ধারণা পেতে চান তবে আর্টিকেলটি প্রথম থেকে শেষ
পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। ইনশাল্লাহ আজকে থেকে এই দুই বিষয়ে অনেক কিছু জানতে
পারবেন।
সূচিপত্রঃ সারা জীবনের কাজা নামাজ আদায়ের নিয়ম | কাজা রোজা কখন রাখতে হয়
এই আর্টিকেল থেকে আপনি কাজা নামাজ এবং কাজা রোজা সম্পর্কে যে সমস্ত তথ্য
গুলো জানতে পারবেন তা এক নজরে দেখে নিন-
সারা জীবনের কাজা নামাজ আদায়ের নিয়ম
আমরা অনেকেই রয়েছি যারা অনেক বছর নামাজ পড়ি নাই। অর্থাৎ ছোট থেকে আমরা অনেক
নামাজ মিস করেছি। কিন্তু এখন আপনি নামাজ শুরু করেছেন এবং পূর্বের সকল প্রকারের
কাজা নামাজগুলো বর্তমানে তুলতে চাচ্ছেন।
এজন্য সারা জীবনের কাজা নামাজ আদায়ের নিয়ম এখন নিচে দেখে নিন-
প্রত্যেক সুস্থ-সবল সজ্ঞান ও বালেক মুসলিম নরনারীর ওপর যথাসময়ে নামাজ আদায় করা
ফরজ। এ ব্যাপারে আল্লাহ বলেন- “নির্ধারিত সময়ে নামাজ আদায় করা মুমিনদের
জন্য অবশ্যই কর্তব্য”। বিশেষ ওজর ছাড়া নামাজ তরফ করা কবিরা গুনাহ।
হাদীস শরীফে বর্ণিত রয়েছে- বিনা ওজরে এক ওয়াক্ত নামাজ কাজা করলে এক
হোকরা পরিমাণ জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করতে হবে।
- এক হোকরা পরিমাণ ২ কোটি ৮৮ লক্ষ বছর।
অনেকেই ছোটবেলা থেকে নামাজ আদায় করেনা। তারা যখন নিয়মিত নামাজ আদায়ের
সিদ্ধান্ত নেয় তখন পূর্বের কাজা নামাজ আদায়ের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে। যেহেতু
বালেগ হওয়া থেকেই ব্যবহারিক জীবনের ইবাদতের হিসাব শুরু হবে, তাই কতদিন, কত
ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেনি তার একটি আনুমানিক হিসাব করে তার চেয়ে কিছু বেশি হয়
এমন ভাবে উমরী কাজা আদায় করতে হবে।
ফরজ এবং ওয়াজিব নামাজের কাজা আদায় করতে হয়, অন্য কোন নামাজের কাজা আদায় করতে
হয় না। যদি ফজরের নামাজ কাজা হয় তবে উহা ঐদিন যোহরের পূর্বে আদায় করলে সুন্নত
সহ কাজা আদায় করতে হবে।
যদি কোন ওয়াক্তের নামাজ কাজা হয়ে যায় তবে সেই কাজা হওয়া নামাজ পরবর্তী
ওয়াক্তের প্রথমে আদায় করে ওয়াক্তিয়া নামাজ আদায় করতে হবে। আর যদি পাঁচ
ওয়াক্ত নামাজ কাজা হয় তবে উহার তরতিব রক্ষা করতে হবে।
আবার এর চেয়ে বেশি ওয়াক্ত কাজা হলে, যখন সময় পাবে তখনই কাজা নামাজ আদায় করতে
হবে। তবে নামাজ আদায়ে দেরি করা যাবে না।
মনে রাখবেন কাজা নামাজের জন্য কোন নির্দিষ্ট সময় নেই অর্থাৎ স্মরণ হওয়া মাত্রই
কাজা নামাজ আদায় করতে হবে। আর মাকরুহ ওয়াক্তে কাজা নামাজ আদায় করবেন না।
এছাড়া সফর রত অবস্থায় যদি নামাজ কাজা হয়ে যায় তবে গৃহে প্রত্যাবর্তন করে কছর
কাজা আদায় করতে হবে।
এটাই ছিল কাজা নামাজের আদায় করার পদ্ধতি। আপনারা উপরের এই নিয়মগুলো অবলম্বন করে
কাজা নামাজ আদায় করলে ইনশাল্লাহ সেই নামাজগুলো কবুল হবে।
কাজা নামাজের নিয়ত
উচ্চারণঃ নাওয়াইতু আন ইয়াদ্দিয়া লিল্লা-হি তা’আলা রাক’আতাই ছালা-তিল ফাওতিল
ফা-য়িতাতি ফারদবুল্লা-হি তা’আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা-জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি
আল্লা-হু আকবার।
অর্থঃ আমি কিবলামুখী হয়ে আল্লাহর ওয়াস্তে ফজরের দু রাকাত কাজা ফরজ নামাজের
নিয়ত করলাম, আল্লাহু আকবার।
অর্থাৎ যখন যে ওয়াক্তের কাজা নামাজ আদায় করবেন তখন সেই ওয়াক্তের নাম নিয়তের
সময় শুধু পরিবর্তন করবেন।
কাজা রোজা কখন রাখতে হয়
অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনেক সময় আমাদের রোজা কাজা হয়ে যায়। রোজা যেহেতু মুসলমান
ব্যক্তিদের উপরে ফরজ যেহেতু কাজা রোজা অন্য একটি সময় আপনাকে তুলে নিতে হবে।
জুবায়ের বিন ইমাম হুজুরের মতে- আপনি যদি কোন বৈধ কারণবশত রোজা রাখতে না পারেন
তাহলে আপনি সেই রোজা পরবর্তীতে তুলে নিতে পারবেন। কিন্তু আপনি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে
কোন রোজা ভঙ্গ করেন তাহলে সেই কাজা রোজা তুলতে পারবেন না।
* কাজা রোজা করার জন্য সুবহে সাদিকের পূর্বেই অবশ্যই আপনাকে নিয়ত করে রোজা থাকতে
হবে। আপনি যদি আগে থেকেই নিয়ত না করে রোজা থাকেন তাহলে আপনার কাজা রোজা সহি
মোতাবেক হবে না।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ সুবহে সাদিকের পরে রোজার নিয়ত করলে সে রোজা নফল রোজা
হয়ে যায়।
* যখন আপনারা কাজা রোজা আদায় করবেন তখন চেষ্টা করবেন রোজাগুলো সিরিয়াল বাই
সিরিয়াল রাখার জন্য। আপনি যেকোনো সময়েই কাজা রোজা আদায় করতে পারবেন তবে
সিরিয়াল বাই সিরিয়াল রোজা আদায় করলে ভালো।
* জেনে নিন রমজান মাস ব্যতীত অন্য যে কোন মাসে আপনি কাজা রোজা গুলো রাখতে পারবেন।
* আপনি কাজা রোজা আদায় করার সময় যদি নতুন একটি রমজান মাস চলে আসে তাহলে পূর্বের
কাজা রোজা গুলো আপাতত স্থগিত রাখতে হবে এবং নতুন বছরের রমজান মাসের রোজা গুলো আগে
করতে হবে। নতুন বছরের রমজান মাসের রোজাগুলো করা হয়ে গেলে পুনরাই আপনাকে পূর্বের
কাজা হওয়া রোজা গুলো আদায় করে নিতে হবে।
কাজা রোজা রাখার নিয়ত
আপনার যদি রোজা কাজা হয়ে যায় তাহলে আপনি কাজা রোজা তোলার পূর্বে নিচের এই নিয়ত
টি বলে তারপর সেহরি করবেন-
* হে আল্লাহ আমি রমজান মাসে এত নম্বর রোজাটি করতে পারিনি। এজন্য আমি আপনাকে
সাক্ষী রেখে সেই রোজাটি পুনরায় করছি।
* আপনি যদি পূর্ববর্তী বছরের কাজা রোজা গুলো তুলতে চান তাহলে এভাবে নিয়ত করুন-
হে আল্লাহ আমি এত সালের এত নম্বর রোজাটি করতে পারিনি। এজন্য আমি আপনাকে সাক্ষী
রেখে পুনরায় সেই রোজাটি করছি।
অর্থাৎ আপনি আপনার মত করে সুন্দরভাবে আল্লাহর সামনে নিয়ত উপস্থাপনা করবেন এতে
করে আল্লাহ অত্যন্ত খুশি হবে এবং আপনার কাজা হওয়া রোজা গুলো ইনশাল্লাহ গ্রহণ
করবেন।
উপরের আলোচনা থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে আপনি ইচ্ছাকৃতভাবে কোন রোজা যদি ভঙ্গ করে
ফেলেন তাহলে সে রোজা কখনোই তুলতে পারবেন না। তবে অনিচ্ছাকৃতভাবে কিছু রোজা কাজা
হয়ে গেলে সেগুলো তুলতে পারবেন।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে-
অনিচ্ছাকৃত ভাবে কোন কোন কারনে রোজা কাজা হয়ে গেলে পরবর্তীতে সেই রোজা তোলা
যায়?
যদি এই প্রশ্নের উত্তর পেতে চান তাহলে নিচের আলোচনাগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
কি কি কারনে রোজা কাজা হয়
* ধরুন কোন ব্যক্তি রোজা অবস্থায় রয়েছে এবং হঠাৎ করেই বেহুশ হয়ে গেছে তবে সে
ক্ষেত্রে এ রোজাটি কাজা হয়ে যাবে এবং আপনাকে পরবর্তীতে এই রোজাটি তুলে নিতে হবে।
* ধরুন আপনি রোজা থাকা অবস্থায় পাগল হয়ে গেছেন অর্থাৎ আপনার মাথা স্বাভাবিকভাবে
কাজ করছে না। এই অবস্থায় আপনার রোজা কাজা হয়ে যাবে এবং পরবর্তীতে আপনাকে এ
রোজাটি তুলে নিতে হবে।
* ধরুন আপনি রোজা থাকা অবস্থায় কোনো এক জায়গায় ভ্রমন করছেন। সে ক্ষেত্রে আপনার
যদি প্রচন্ড কষ্ট হয়ে যায় তখন সে ক্ষেত্রে আপনার রোজা কাজা করতে পারবেন এবং
পরবর্তীতে সেই কাজে রোজা তুলতে পারবেন।
ভ্রমণ বা সফরটি অবশ্যই শরীয়ত সম্মত হতে হবে। তবে মনে রাখবেন আপনি যদি সফরের
পূর্বেই নিয়ত করে রোজা রাখেন এবং পরে সফরে বের হন তাহলে সেই সফরের জন্য রোজা
ভাঙ্গার জায়েজ নাই।
* ধরুন আপনি রোজা রয়েছেন এবং হঠাৎ করে আপনার পেটে প্রচন্ড ব্যথা শুরু হল
সেক্ষেত্রে আপনি রোজা কাজা করতে পারবেন এবং পরবর্তীতে এই রোজা আপনাকে তুলতে হবে।
* ধরুন আপনি রোজা রয়েছেন এবং আপনার স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত বেশি পিপাসা
লাগলো। এমন পিপাসা লেগেছে যে আপনি থাকতে পারছেন না। এক্ষেত্রে আপনি রোজা কাজা
করতে পারবেন এবং পরবর্তীতে তুলতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন আপনি যত কষ্ট করে রোজা
থাকবেন আল্লাহ তত বেশি খুশি হবে।
* ধরুন আপনার কোন রোগ হয়েছে এবং রোজা থাকার কারণে আপনার সেই রোগ বৃদ্ধি পাওয়ার
সম্ভাবনা রয়েছে অথবা অন্য কোন রোগ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেক্ষেত্রে
আপনি রোজা কাজা করতে পারবেন।
* ধরুন আপনি জটিল কোন অসুখ থেকে মুক্তি লাভ করেছেন। এখন রোজা রাখলে আপনার সেই
অসুখ পুনরায় ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে সেক্ষেত্রে আপনি রোজা কাজা করতে পারবেন
এবং পুনরায় পরে সেই কাজা রোজা তুলে নিতে পারবেন।
* আপনার বয়স যদি বেশি হয়ে থাকে এবং আপনি রোজা থাকার কারণে যদি খুবই দুর্বল হয়ে
পড়েন তাহলে আপনি রোজা কাজা করতে পারবেন এবং পরবর্তীতে সেই রোজা তুলতে পারবেন।
* আপনি রোজা থাকা অবস্থায় যদি কোন একটি কারণে আপনার জীবন চলে যাওয়ার সম্ভাবনা
থাকে তবে সে ক্ষেত্রে আপনি সেই রোজা কাজা করতে পারবেন এবং পরবর্তীতে সে রোজা
তুলতে পারবেন।
*জিহাদের জন্য রোজা কাজা হয়ে যায় এজন্য আপনাকে এই রোজা পরবর্তীতে তুলে নিতে
হবে।
* মহিলারা যারা গর্ভাবস্থায় রয়েছেন এবং রোজা থাকার কারণে যদি গর্ভের সন্তানের
ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে তবে সে ক্ষেত্রে রোজা কাজা করতে পারবেন অবশ্যই পরবর্তীতে এই
কাজা রোজা তুলে নিবেন।
* আপনি রোজা থাকা অবস্থায় যদি আপনার সন্তান পরিমিত পরিমাণে দুধ পান না করতে পারে
তাহলে আপনার সন্তানের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকবে। এক্ষেত্রে আপনি রোজা কাজা করতে
পারবেন।
মহিলাদের কাজা রোজা আদায়ের নিয়ম
মেয়েদের মাসিক হওয়ার জন্য রোজার মাসে পাঁচ থেকে সাতটি রোজা ভাঙতি হয়ে যায়।
এজন্য পরবর্তীতে এ রোজা গুলো আপনাদের তুলে নিতে হবে।
আমরা জানি, আমাদের নবী করীম
হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- রমজান মাসের রোজা
রাখার পরে শাওয়াল মাসের ছয় রোজা রাখলে সারা বছরের রোজা রাখার সোওয়াব পাওয়া
যায়।
* এজন্য মহিলাদের মাসিকের সময় রোজা ছুটে গেলে সেই কাজা রোজা শাওয়াল মাসের ছয়
রোজার আগেই তুলে নিতে হবে।
আরো পড়ুনঃ দুই ঈদের নামাজের নিয়ম
* এছাড়াও মাসিক ব্যতীত অন্য কোন কারণে যেমন অসুস্থতা বা গর্ভাবস্থা জনিত কারণে
রমজান মাসের রোজা ছুটে গেলে সেই রোজা আগে তুলে নিতে হবে এরপর শাওয়াল মাসের রোজা
রাখতে হবে।
FAQs
প্রশ্নঃ কাজা নামাজ কাকে বলে?
উত্তরঃ বাধ্যতামূলক ফরজ এবং ওয়াজিব এর নামাজ কোন কারণবশত ছাড়া পড়ে গেলে অর্থাৎ
পড়া না হলে পরবর্তীতে সেই নামাজ আদায় করে নেওয়াকে কাজা নামাজ বলা হয়।
প্রশ্নঃ কাজা নামাজের কারণ সমূহ কি কি?
উত্তরঃ কাজা নামাজের কারণ সমূহ হচ্ছে- অসুস্থতা বা অক্ষমতা, অবহেলা বা
ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ না পড়া, ঘুমিয়ে থাকা, অজান্তে বা ভুলে গেলে, অনিচ্ছাকৃত
ব্যস্ততা ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ রোজা কাকে বলে?
উত্তরঃ ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার, যৌনসম্পর্ক এবং খারাপ কাজ
থেকে বিরত থাকাকে রোজা বলা হয়।
প্রশ্নঃ রোজা কত প্রকার?
উত্তরঃ রোজা চার প্রকার। যেমনঃ ফরজ রোজা, ওয়াজিব রোজা, সুন্নত রোজা ও নফল রোজা।
প্রশ্নঃ বিনা কারণে রোজা কাজা দেরি করা কি?
উত্তরঃ বিনা কারণে রোজা কাজা দেরি করা হচ্ছে- মাকরূহ।
প্রশ্নঃ কাজা রোজা একাধারে রাখা কি?
উত্তরঃ কাজা রোজা একাধারে রাখা হচ্ছে- মুস্তাহাব। তবে মনে রাখবেন বিভিন্ন সময়েও
কাজা রোজা রাখার জায়গা আছে।
শেষ আলোচনা
এটাই ছিল আজকের আলোচনা। আমি আশা করছি আপনারা সারা জীবনের কাজা নামাজ আদায়ের
নিয়ম ভালোভাবে জানতে পেরেছেন। আমি চেষ্টা করেছি খুব সহজভাবে আপনাদের বোঝানোর
জন্য। কিন্তু তারপরও আপনাদের যদি কোন কিছু বুঝতে অসুবিধা হয় তাহলে কমেন্টে
জানাবেন। এছাড়া কাজা রোজা রাখার নিয়ম বিষয়ে কোনো তথ্য বুঝতে যদি সমস্যা হয়
তাহলেও আমাদের কমেন্টে জানাবেন। ইনশাল্লাহ আমরা আপনাদের তথ্যের সমাধান করে দিব।