রমজান মাসে ৩০টি রোজা রাখার সঠিক নিয়ম | রোজা ভঙ্গের ১০টি কারণ

রমজান মাসে রোজা রাখার সঠিক নিয়ম আমাদের সকলের জানা উচিত কারণ শুধু সেহরি করলে এবং ইফতারি করলেই রোজা সম্পন্ন হবে না। সঠিকভাবে পতিটি রোজা কার্যকর হওয়ার জন্য আপনাকে কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে এবং ইবাদত করতে হবে।
রমজান-মাসে-রোজা-রাখার-সঠিক-নিয়ম
এজন্য আমি আজকে আপনাদের সাথে এই আর্টিকেলে রমজান মাসে রোজা রাখার সঠিক নিয়ম বিস্তারিতভাবে পর্যায়ক্রমিকভাবে আলোচনা করব। তাই আপনারা যদি সম্পূর্ণ রমজান মাসে সঠিকভাবে রোজা রেখে সোওয়াব অর্জন করতে চান তাহলে মনোযোগ দিয়ে এই ব্লক পোস্টটি পড়ুন।

সূচিপত্রঃ রমজান মাসে রোজা রাখার সঠিক নিয়ম | রোজা ভঙ্গের কারণ

এই আর্টিকেল থেকে রোজা সম্পর্কে আপনি যা যা তথ্য জানতে পারবেন তা একনজরে দেখে নিন-

রমজান মাসে রোজা রাখার সঠিক নিয়ম

রমজান মাসে রোজা রাখার সঠিক নিয়ম নিম্নরূপ নিচে দেওয়া হল-

১) প্রতিদিন রোজা রাখার আগে অর্থাৎ সেহেরির আগে নিয়ত করতে হবে।
রোজার-নিয়ত
আরবিতে বলতে না পারলে মনে মনে বাংলায় নিজের মত করে নিয়ত করবেন।

২) নিয়ত করার পরে সেহরি খেতে হবে কারণ রোজা করার জন্য সেহরি খাওয়া সুন্নত।

৩) পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে হবে এবং বেশি বেশি সুন্নত নামাজ আদায় করতে হবে।

৪) প্রতিদিন ২০ রাকাত তারাবির নামাজ আদায় করতে হবে।

৫) প্রতিদিন ভোরে ফজরের নামাজ পড়ার পর কোরআন তেলাওয়াত করতে হবে। অথবা দিনের বেলায় যখন সময় পাবেন তখন কোরআন তেলাওয়াত করবেন।

৬) যে সমস্ত কাজকর্ম করলে রোজা ভঙ্গ হতে পারে সে সমস্ত বিষয়গুলো থেকে বিরত থাকতে হবে।

৭) সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল ধরনের পানাহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

৮) সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যৌন সঙ্গম করা যাবে না।

৯) গীবত করা, ঝগড়া করা অথবা মিথ্যা কথা বলা থেকে দূরে থাকতে হবে। শুধু রমজান মাস নয় বরং সারা বছরেই এ সমস্ত কাজগুলো করা উচিত নয়।

১০) ইফতার গ্রহণ করতে হবে। সূর্যাস্তের পর মাগরিবের আযান দেওয়ার সাথে সাথেই তাড়াতাড়ি ইফতার করা সুন্নত।

১১) ইফতার করার পূর্বে নিচের এই দোয়া পড়তে হবে।
ইফতারের-দোয়া
১২) যদি সামর্থ্য থাকে তাহলে গরীব দুঃখীদের দান ছদকা করতে হবে।

১৩) ইতিকাফ করা সুন্নত তাই যদি পারেন তাহলে রমজানের শেষ দশ দিন ইতিকাফ করবেন।

১৪) বেশি বেশি দোয়া করতে হবে এবং ইস্তেগফার পড়তে হবে।

১৫) শবে কদরের রাতে বেশি বেশি ইবাদত করতে হবে কারণ এই রাতে ইবাদত করা হাজার রাতের চেয়েও উত্তম।

১৬) রোজা থাকা অবস্থায় কথা কম বলতে হবে এবং ধৈর্য ও সংযম বজায় রাখতে হবে।

১৭) অলসতা পরিহার করতে হবে, সকলের সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে এবং হিংসা বিদ্বেষ পরিত্যাগ করতে হবে।

১৮) সব সময় পরিষ্কার ও পাক পবিত্র থাকতে হবে।

১৯) স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে।

২০) পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম নিতে হবে এবং ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে। নেতিবাচক কোন চিন্তা করা যাবে না।

২১) ইসলাম ও হাদিস সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে।

২২) সমাজসেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে হবে।

২৩) আল্লাহর প্রতি ভরসা সব সময় রাখতে হবে এবং ক্ষমা চাইতে হবে। আল্লাহর কাছে ভুল স্বীকার করতে হবে এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে।

২৪) সবশেষে সহানুভূতিশীল হতে হবে।

রোজা ভঙ্গের ১০টি কারণ

নিম্নলিখিত কারণে রোজা ভঙ্গ হয়ে যেতে পারে। মনে রাখবেন একটি রোজার পরিবর্তে একটি রোজা ক্বাজা করা ওয়াজিব। তাহলে চলুন আমরা এখন জেনে আসি যে দশটি কারণে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায় সে সম্পর্কে।
রোজা-ভঙ্গের-১০টি-কারণ
  • জোরপূর্বক কেউ যদি কাউকে কোন জিনিস পানাহার করায় তাহলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়।
  • কান অথবা নাকের ভেতরে ওষুধ অথবা তৈল জাতীয় কোন তরল পদার্থ প্রবেশ করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়।
  • মুখ ভরে বমি করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
  • রোজা রেখে ইচ্ছাপূর্বক পানাহার করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়।
  • রাত ভেবে ভোরে পানাহার করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
  • ওষুধ সেবন করলে অথবা কোন অখাদ্য খেয়ে ফেললে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
  • সূর্য অস্ত যাওয়ার পূর্বে ইফতার করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
  • দাঁতের ভেতর হতে জিবা অথবা আঙ্গুলি দ্বারা কোন জিনিস বের করে পুনরায় খেলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
  • কুল্লি করার সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে পানি পেটের ভেতরে প্রবেশ করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
  • স্বামী স্ত্রীদের মধ্যে সঙ্গম হলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।

ক্বাযা রোজা আদায়

নিম্নে বর্ণিত কারণে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায় তবে পরে ক্বাযা আদায় করা যাবে-
  • সফর অবস্থায় কষ্ট হলে।
  • অসুস্থ অবস্থায় অতিরিক্ত পিপাসা লাগলে।
  • দুধ পানে সন্তানের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলে।
  • মারাত্মকভাবে পেট ব্যথা করলে।
  • বৃদ্ধাবস্তার কারণে মারাত্মক দুর্বল হয়ে পড়লে।
  • প্রাণ হানির আশঙ্কা থাকলে।
  • জিহাদের জন্য।
  • বেহুশ হয়ে গেলে।
  • গর্ভাবস্থায় সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে।
  • পাগল হয়ে গেলে।

রোজা কাকে বলে?

আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য সুবহে সাদিক হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত যাবতীয় পানাহার হতে বিরত থাকা ও রোজা ভেংগে যায় এমন কোন কাজ থেকে বিরত থাকলে তাকে রোজা বলা হয়।

রোজার কয় প্রকার?

রোজার প্রকারভেদঃ রোজা ৩ প্রকার। যেমনঃ
  • ফরজ রোজা
  • ওয়াজিব রোজা ও
  • নফল রোজা
ফরজ রোজাঃ ফরজ রোজা হচ্ছে রমজানের রোজা এবং ক্বাজা ও কাফফারার রোজা।

ওয়াজিব রোজাঃ ওয়াজিব রোজা হচ্ছে মানত রোজা।

নফল রোজাঃ ফরজ এবং ওয়াজিব ব্যতীত অন্যান্য সমস্ত রোজা সমূহ কে নফল রোজা বলে।

রমজান মাসে রোজা রাখার গুরুত্ব ও তাৎপর্য

আরবি বৎসরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মহিমান্বিত মাস হচ্ছে রমজানুল মোবারক। এই মাসে দিনের বেলায় রোজা রাখা ফরজ, আর রাতের বেলায় তারাবি আদায় করা সুন্নত। নফল ইবাদত এই মাসে ফরজের সমান এবং প্রতিটি ফরজের ইবাদত ৭০ টি ফরজের সমান।


এই মাসে গোনাহ মাফ করে দেওয়া হয় এবং মুমিনদের রিজিক বাড়িয়ে দেওয়া হয়। রমজান মাসে রোজাদারের জন্য সমুদ্রের মৎস্যরা পর্যন্ত দোয়া করতে থাকে। এই সময় রোজাদারদের দোয়ার প্রতি ফেরেশতারা আমিন আমিন বলতে থাকে। এই আলোচনা থেকে বোঝা যাচ্ছে রমজান মাস আমাদের জন্য কতটা বরকতময়।

রমজান মাসের রোজা রাখার উপকারিতা

রোজা করলে যে সমস্ত উপকারিতা পাওয়া যায় তা নিম্নরূপ নিচে দেওয়া হল-
  • সম্পূর্ণ ত্রিশ দিন রোজা রাখার ফলে আল্লাহ আমাদের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দিতে পারেন। এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় উপকারিতা।
  • এছাড়া পরকালে আপনি জান্নাত লাভ করতে পারেন যদি আপনি ইসলামী সহীহ মোতাবেক রোজা করতে পারেন ও নামাজ পড়তে পারেন।
  • রোজা রাখার ফলে শরীর থেকে সকল ধরনের টক্সিন পদার্থ বের হয়ে যায়।
  • রোজার সময় মানসিক অনেক প্রশান্তি পাওয়া যায় এবং মন অনেক হালকা থাকে।
  • রোজা থাকলে মানুষের ধৈর্য এবং সহনশীলতা দুইটাই বৃদ্ধি পায়।
  • রোজা থাকলে ভালো কাজে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।
  • রোজা রাখার ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
  • রোজা রাখার মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো যায়, এছাড়া ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
  • দীর্ঘ ৩০ দিন রোজা রাখার ফলে পরিপাকতন্ত্র পরিষ্কার হয়ে যায় এবং পূর্বের তুলনায় ডাইজেসন ভালো হয়। কারণ এই সময় পরিপাকতন্ত্র বিশ্রাম নিতে পারে।
  • রোজা রাখলে এবং নামাজ পড়লে শরীরের ত্বক উজ্জ্বল হয়ে যায়, ফেস থেকে নূরানী বের হয়।

বছরে পাঁচ দিন রোজা রাখা হারাম

অর্থাৎ আপনি সারা বছরে পাঁচটা দিন রোজা রাখতে পারবেন না। এই দিনগুলো যদি রোজা রাখেন তাহলে এটা হারামের কাজ হবে। বছরে যে পাঁচ দিন আপনি রোজা রাখতে পারবেন না তা নিম্নরূপ নিচে দেওয়া হল-
  • ঈদুল ফিতরের দিন।
  • ঈদুল আযহার দিন।
  • ঈদুল আযহার পরের ৩ দিন অর্থাৎ ১১, ১২ ও ১৩ ই জিলহজ্ব।

রোজার সময় কিছু শারীরিক পরিবর্তন

রোজার সময় দীর্ঘ সময় ধরে পানাহার গ্রহণ না করার জন্য রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যেতে পারে। যার কারণে আপনার শরীর একটু দুর্বলতা ভাব দেখা দিতে পারে। আর শরীরের দুর্বলতা ভাব দেখা দিলে মাথা ঘোরার সমস্যা হতে পারে।

এই মাথা ঘোরা থেকেই অনেকেই অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন। তবে যারা অতিরিক্ত দুর্বল তাদেরই সাধারণত এই সমস্যা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে পানি পান না করার কারণে আপনার ডিহাইড্রেশন হতে পারে। তবে প্রথম অবস্থায় ডিহাইড্রেশনের সমস্যা হলেও এটি আস্তে আস্তে অভ্যাস হয়ে যাবে।

রোজা রাখার ফলে ওজন কিছুটা হলেও কমতে পারে। যেহেতু শরীর থেকে বিভিন্ন টক্সিক পদার্থ ও তেল চর্বি বের হয়ে যায় সেহেতু এই ওজন কমা শরীরের জন্য অত্যন্ত ভালো। তবে আপনি যদি অস্বাস্থ্যকর খাবার খান তাহলে আপনার ওজন পূর্বের তুলনায় বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।


দীর্ঘ সময় পেট ফাঁকা থাকার কারণে এসিডিটির সমস্যা হতে পারে এজন্য সেহরির সময় নরমাল খাবার খাবেন। সেহরির সময় পেট ভরে খাবার খাওয়া যাবে না তাহলে আপনার এসিডিটির সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

এছাড়া এসিডিটির সমস্যা দূর করতে ইফতারির সময় অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার সমূহ পরিহার করে চলবেন। রোজা থাকা অবস্থায় যদি অতিরিক্ত শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় তাহলে অতি শীঘ্রই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।

রোজায় তারাবির নামাজ পড়ার নিয়ম

তারাবীহ নামাজ সুন্নতে মুয়াক্কাদা। তারাবীহ নামাজ সর্বমোট ২০ রাকাত। হাদিস শরীফে এর অনেক ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। পবিত্র মাহে রমজানে এশার নামাজের পর এবং বিতর নামাজের পূর্বে তারাবি নামাজ পড়তে হয়।
রোজায়-তারাবির-নামাজ-পড়ার-নিয়ম
এটা দু রাকাত করে জামাতের সাথে আদায় করতে হয়। তবে কারণবশত কেউ একা একা পড়লেও তা আদায় হয়ে যাবে। প্রতি চার রাকাত পর মোনাজাত করা অত্যন্ত সোওয়াব। ২০ রাকাত তারাবি নামাজ শেষে অবশিষ্ট তিন রাকাত বিতর ও দুই রাকাত হালকী নফল পরা উত্তম।

তারাবীহ নামাজের নিয়ত

তারাবীহ-নামাজের-নিয়ত

তারাবীহ নামাজে সূরা মিলাবার নিয়ম

মনে রাখবেন নামাজের ভিতরে পূর্ণ কোরআন শরীফ খতম করা উত্তম।

জামাআত ছাড়া একা নামাজ পড়লে নিম্নরূপ সূরা মিলাবে 👇
  • প্রথমে নিয়ত বাধার পর অর্থাৎ তাকবীরে তাহরীমের পর সানা (সুবাহানাকা) পাঠ করতে হবে।
  • এরপর আউযুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ সম্পূর্ণ পড়ে সুরাতুল ফাতেহা “আলহামদু লিল্লাহ” এর সাথে সুরা ক্বিরাত মিলিয়ে প্রথম দু রাকাত শেষ করতে হবে।
  • এভাবে দুই রাকাত, দুই রাকাত করে ২০ রাকাত শেষ করতে হবে।
  • পরে দুরুদ ও আস্তাগফিরুল্লাহ পাঠ করে মোনাজাত করতে হবে।

তারাবীহ নামাজে প্রতি চার রাকাত অন্তর নিম্নোক্ত দোয়া পড়তে হয়

তারাবীহ-নামাজে-প্রতি-চার-রাকাত-অন্তর-এই-দোয়া-পড়তে-হয়

তারাবীহ নামাজের ২০ রাকাতের পর পড়ার দোয়া

1তারাবীহ-নামাজের-২০-রাকাতের-পর-পড়ার-দোয়া
2তারাবীহ-নামাজের-২০-রাকাতের-পর-পড়ার-দোয়া

তারাবীহ নামাজের মোনাজাত

তারাবীহ-নামাজের-মোনাজাত

FAQs

প্রশ্নঃ রমজান মাসে রোজা কয়টি করতে হয়?
উত্তরঃ রমজান মাসে রোজা ৩০টি রোজা করতে হয়। তবে অনেক সময় চাঁদের উপর নির্ভর করে ২৯টি রোজাও করতে হতে পারে। এক্ষেত্রে একই পরিমাণ সওয়াব পাওয়া যাবে।

প্রশ্নঃ রোজা এর আরবি অর্থ কি?
উত্তরঃ রোজা এর আরবি অর্থ হচ্ছে সাওম।

প্রশ্নঃ রোজা বা সাওম এর অর্থ কি?
উত্তরঃ রোজা বা সাওম এর অর্থ হচ্ছে সংযত বা বিরত থাকা।

প্রশ্নঃ রোজা ইসলামের কয় নম্বর স্তম্ভ?
উত্তরঃ রোজা ইসলামের ৫ নম্বর স্তম্ভের মধ্যে তৃতীয় নম্বর।

প্রশ্নঃ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ কি কি?
উত্তরঃ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ হচ্ছে- কালেমা, নামাজ, রোজা, হজ্ব ও যাকাত।

শেষ আলোচনা

আমি আশা করছি আপনারা রমজান মাসে রোজা রাখার সঠিক নিয়ম খুব ভালোভাবে জানতে পেরেছেন। আমি চেষ্টা করেছি সহজ ভাবে এ বিষয়টি আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করার। তাছাড়া রোজা করার পূর্বে যেহেতু আপনাকে রোজা ভঙ্গের কারণগুলো আগে জানতে হবে। এজন্য আমি রোজা ভঙ্গের ১০টি কারণ উল্লেখ করে দিয়েছি। আপনাদের যদি এই বিষয়ে কোন তথ্য জানার থাকে তাহলে কমেন্টে প্রশ্ন করবেন। ইনশাল্লাহ আমরা আপনাদের উত্তর দিয়ে দিব।
এই পোস্ট শেয়ার করুন
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url