সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার উপায় জেনে নিন

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার উপায় এবং যেসব সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করবেন তার নাম সমুহ জানুন। আপনারা অনেকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। এজন্য আজকে সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্পর্কে লিখছি।
আপনি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত এই আর্টিকেলটি পড়লে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার উপায় সম্পর্কে এ টু জেড তথ্য পাবেন আশা করছি।

পোস্ট সূচিপত্রঃ সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার উপায়

এই আর্টিকেল থেকে আপনি যা কিছু জানতে পারবেন তা এক নজরে দেখে নিন-

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার উপায়

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে টিকে থাকা খুব সহজ নয়। আপনি হয়তো মনে করছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করা অত্যন্ত সহজ। মনে রাখবেন আপনি যেমন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে এসেছেন ঠিক তেমনি আপনার মতই আরো প্রতিযোগী মানুষেরা মার্কেটিং করতে এসেছে। আর তাই এসব প্রতিযোগিতাশীল মানুষের সাথে টিকে থাকার জন্য আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এ সময় দিতে হবে।
সোশ্যাল-মিডিয়া-মার্কেটিং-করার-উপায়
কিভাবে বেশি গ্রাহক পাওয়া যায় এবং কিভাবে কোন সার্ভিস বা পণ্য অন্যদের চেয়ে বেশি বিক্রি করা যায় সে বিষয়ে কৌশল অবলম্বন করে সোশ্যাল মিডিয়ায় টিকে থাকতে হবে। এজন্য আপনার জানা প্রয়োজন সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনি কি করবেন আর কি করবেন না সেই বিষয় সম্পর্কে।

আর তাই আমি এই আর্টিকেলে এখন বিস্তারিত আলোচনা করবো মার্কেটিং করা বিষয়ে। নিচে তা বিস্তারিত আলোচনা দেওয়া হল।

সোশ্যাল মিডিয়াতে মার্কেটিং করার গুরুত্বপূর্ণ টিপস

মার্কেটিং করার সময় এমন কিছু বিষয় আছে যেগুলো করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অর্থাৎ মার্কেটিং করার গুরুত্বপূর্ণ টিপস যা কখনো করা যাবেনা, এখন আমি সে সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। এই সমস্ত বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করার সময় করা উচিত নয়। সোশ্যাল মিডিয়াতে মার্কেটিং করার উপায় সমুহ জানার পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতে মার্কেটিং করার সময় কি কি করা যাবেনা তা জানতে হবে।

লিংক দিতে ভোলা যাবে না : অর্থাৎ প্রতিটি পোস্টে আপনাকে লিংক ব্যবহার করতে হবে। আপনার ওয়েবসাইটে লিংক ব্যবহার করতে হবে। লিংক ব্যবহার করার মাধ্যমে সহজেই আর্টিকেলটি পড়ে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে খুব সহজেই সেই লিংকে প্রবেশ করে সেবা বা সার্ভিসটি নিতে পারবে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, আপনার সাথে যোগাযোগের লিংক ভালোভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করার জন্য দিতে হবে।

ফলে গ্রাহকরা খুব সহজেই আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারবে আপনার সেবাটি গ্রহণ করার জন্য। এজন্য সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর সময় অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটে অথবা ব্লগার পেইজে অথবা সেবা প্রদান করার পেইজে যোগাযোগের লিংক ছাড়াও আরো বিভিন্ন ধরনের লিংক রাখবেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করার সময় তাড়াহুড়া করা যাবে না : আপনি যখন সোশ্যাল মিডিয়াম মার্কেটিং করার সময় যখন লিখবেন তখন আপনাকে অবশ্যই থেমে থেমে সময় নিয়ে সাবধানতা অবলম্বন করে লিখতে হবে। কারণ এই পোস্টটি দেশের বিভিন্ন স্থানে সেবা গ্রহণকারীরা পড়বে। আর তারা যদি আপনার পোস্টটিতে ভুল বা অসংগতিপূর্ণ যুক্তিহীন কোন কিছু পায় তাহলে আপনার সার্ভিসটি তারা গ্রহণ করবে না।

আর্টিকেলের মধ্যে উল্লেখ করুন আপনি কে এবং কোথায় থাকেন, এরপরে আপনি কোন পণ্য ব্র্যান্ড বা সার্ভিসটি অনলাইনে দিতে চান এ সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করুন। অবশ্যই এক্ষেত্রে আপনাকে একটি অডিয়েন্স টার্গেট মাথায় রেখে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে হবে। আপনি সময় নিয়ে ভালো পোস্ট লিখলে সেই কনটেন্ট থেকে সারা জীবন গ্রাহক পেতে থাকবেন।

গ্রাহকদের কমেন্টের রিপ্লাই দিতে ভুলবেন না : আপনি যে সেবা প্রদান করছেন সেই সেবা সম্পর্কে গ্রাহকরা কমেন্ট করবে। আপনাকে সমস্ত কমেন্ট গুলো অবশ্যই ভালোভাবে পড়তে হবে এবং রিপ্লাই প্রদান করতে হবে। যদি কমেন্টে কোন গ্রাহক অভিযোগ প্রদান করে তাহলে আপনাকে সে অভিযোগটি সাদরে গ্রহণ করতে হবে এবং সংশোধন করার চেষ্টা করতে হবে। সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগতে পারে এ সমস্ত বিষয়গুলো উল্লেখ করতে হবে।

কমেন্ট বক্স থেকে আপনি আপনার পণ্যের মান এবং সেবার সার্ভিস কেমন হচ্ছে সে বিষয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে ধারণা পাবেন। এই ধারণা নিয়ে আপনাকে প্রতিনিয়ত সার্ভিসগুলো আপডেট করতে হবে। তাহলে আপনি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে সফল হবেন। গ্রাহকের প্রশংসা করতে হবে এবং তাদের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।

সব সময় সেলফ প্রমোশন করার পোস্ট দিবেন না : মাঝে মাঝে আপনার গ্রাহকদের বিনোদন দিবেন, উপহার দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন, ডিসকাউন্ট দিবেন। তাহলে আপনার গ্রাহকরা আপনার ওয়েব সাইটে বেশি বেশি ভিজিট করবে। এছাড়া মাঝে মাঝে লাইভে আসবেন এবং ক্রেতাদের সাথে গল্প করবেন। সব ধরনের বিষয় তাদের সাথে গল্পের ছলে কথা বলবেন। এতে করে আপনার ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়বে। সেবা ক্রয়ের মাধ্যমে মাঝে মাঝে বড় বড় পুরস্কার দেয়ার ব্যবস্থা করবেন যেন ক্রেতারা আকৃষ্ট হয়।

আপনার গ্রাহকদের সাথে কখনো স্প্যাম করা যাবে না : গ্রাহকগন আপনার ব্যবসার সাফল্যের মূল হাতিয়ার। আর এই গ্রাহকদের সাথে যদি আপনি স্প্যাম করেন তাহলে আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করে উপকার পাবেন না, তাহলে আপনার ব্যবসায় আপনি লাভবান হবেন না। এজন্য আপনার গ্রাহকদের সাথে স্প্যাম করা থেকে বিরত থাকুন।

আপনি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করুন, আপনার সেবাগুলো গ্রাহকদের কাছে পৌঁছায় দিন তাতে কোন সমস্যা নেই কিন্তু এ সমস্ত সার্ভিস গুলো গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর জন্য বারবার গ্রাহকদের ইমেইল অথবা বার্তা প্রদান করবেন এটা ঠিক নয়। এতে আপনার ফলোয়ার সংখ্যা দিন দিন কমে যাবে। এজন্য এমন কাজ করবেন না যার ফলে গ্রাহকরা আপনার প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করে।

ক্যাপস লক চেপে লেখা যাবে না : একটি পুরো পোস্টে কিছু কিছু জায়গায় আপনি ক্যাপস লক চেপে ধরে বড় হাতের অক্ষর দিয়ে লিখতে পারবেন। তবে পুরো পোস্টটি ক্যাপস লক দিয়ে লেখা যাবে না। এতে আপনার পোস্টটি দেখতে ভালো লাগবে না এবং গ্রাহকরাও বিরক্ত হবে। স্পেসিফিন ভাবে যদি কোন লাইন দেখানোর প্রয়োজন পড়ে তাহলে আপনি ক্যাপস লক ব্যবহার করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে এই লাইনটি অবশ্যই ছোট হতে হবে।

সবকিছু হ্যাশট্যাগ দিয়ে লিখবেন না : পুরো পোস্টে যদি আপনি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেন তাহলে পুরো পোস্ট দেখতে ভালো লাগবে না। ট্যাগ এর মানে হল একটি জায়গা দৃশ্যমান করা। অর্থাৎ দৃশ্যমান করলে ওই জায়গাটি বেশি চোখে পড়ে। তবে বেশি চোখে পড়া মানে এই নয় যে পুরো পোস্টে জায়গায় জায়গায় আপনাকে হ্যাশট্যাগ দিতে হবে, বেশি জায়গায় হ্যাশট্যাগ হয়ে গেলে সে পোস্টটি সুবিধা জনক ভাবে গ্রাহকরা পড়তে পারবে না। এজন্য হ্যাশট্যাগ আপনি কোথায় কোথায় ব্যবহার করবেন তা ভালোভাবে মার্ক করে নিন।

কোন কিছুর পুনরাবৃত্তি করবেন না : ইতোমধ্যেই কোন বিষয় নিয়ে আপনি গ্রাহকদের জানিয়েছেন, ক্যাপশনে উল্লেখ করেছেন, এই সমস্ত ক্যাপশনগুলো দিয়েই বারবার পোস্ট তৈরি করবেন না। এতে গ্রাহকরা আপনার পোস্ট এর প্রতি আগ্রহ হারাবে। কোন মানুষেরই একই জিনিস বারবার দেখতে ও শুনতে ভালো লাগে না।

এজন্য আপনাকে ভিন্ন ভিন্ন ক্যাপশন দিয়ে পোস্ট লিখে গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণ ধরে রাখতে হবে। সোশ্যাল মার্কেটিং এ সফল হওয়ার উপায় হচ্ছে গ্রাহকরা। যার গ্রাহক আছে সে সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করে সফল আর যার গ্রাহক নাই সে অসফল। এজন্য কোন কিছুর পুনরাবৃত্তি না করে বারবার নতুন কিছু নিয়ে আসার চেষ্টা করুন, তাহলে আপনি ব্যবসায় লাভবান হবেন।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার উপায় সমুহ ও পদক্ষেপ

সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করে টিকে থাকতে হলে আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়াতে মার্কেটিং করার উপায় সমুহ ও পদক্ষেপ জানতে হবে। কি উপায় অবলম্বন করলে আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করা জেনে সহজেই সফল হতে পারবেন তা এখন আলোচনা করব। সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করার জন্য কি করবেন না এটা জানার পাশাপাশি, কি কি করতে হবে এটা জানাও আবশ্যক।

সময় নির্ধারণ করুন : সময় নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার অডিয়েন্স কোন সময়ে বেশি একটিভ থাকে সেই সময়ে পোস্ট করতে হবে, তবে আপনি বেশি ভিউ পাবেন এবং ক্রেতাদের বেশি সাড়া পাবেন। আপনি কোন দেশে থাকেন সেই দেশের সময় সামঞ্জস্য রেখে একটি সময় ঠিক করে সেই সময়ে পোস্ট করুন। ক্রেতাদের উপর টার্গেট করেও আপনাকে সময় নির্ধারণ করতে হবে।

আপনি যদি বেশী বয়সের ছেলে মেয়েদের টার্গেট করেন তাহলে আপনার সময় হবে একরকম, আবার আপনি যদি কম বয়সী ছেলে মেয়েদের টার্গেট করেন তাহলে আপনার সময় হবে অন্যরকম। তাই সময় মেনটেন করাটা খুব জরুরী। বিবাহিত ছেলেমেয়েরা সব সময় অনলাইনে থাকার সময় পায়না কারণ তাদের পারিবারিক অনেক কাজ থাকে।


এজন্য তারা পারিবারিক কাজ শেষ করে কখন ফ্রী সময় পায় এ বিষয়ে লক্ষ্য রেখে পোস্ট করতে হবে। আবার মনে রাখতে হবে প্রতিদিনের তুলনায় সাপ্তাহিক ছুটির দিন আপনার জন্য সময় ভিন্ন হতে পারে। কারণ ছুটির দিন মানুষরা বেশিরভাগ সময় বিশ্রাম নিতে পছন্দ করে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকে।

আপনার গ্রাহকদের সম্পর্কে জানুন : ব্যবসা করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে গ্রাহক। কারণ গ্রাহকদের মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারবেন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সফল হবেন। এজন্য গ্রাহক কি চায় এবং কি চায় না সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে।

আপনি এমন একটি সেবা নিয়ে কাজ করছেন যে সেবার কোন মূল্য নাই অর্থাৎ গ্রাহকরা যে সেবাটির প্রতি আকৃষ্ট নয় আপনি যদি সেই সেবা বা পণ্য নিয়ে কাজ করেন তাহলে আপনি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সফল হতে পারবেন না। দর্শকদের আগ্রহ আছে এমন বিষয় নিয়ে কাজ করুন। বিভিন্ন বয়সী দর্শকদের আলাদা আলাদা ভাবে টার্গেট করুন তাহলে আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করে সফল হবেন।

নতুন কিছু নিয়ে আসার চেষ্টা করুন : প্রতিনিয়ত আপনার সেবাতে নতুন নতুন কিছু যুক্ত করার চেষ্টা করুন কারণ দর্শকরা সব সময় নতুন কিছু গ্রহণ করতে বেশি পছন্দ করে। ট্রেন্ডিং প্রডাক্ট তো আপনি অবশ্যই রাখবেন কিন্তু তার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য নতুন কিছুর চেষ্টা করুন।

আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করে সফল তারা শুধুমাত্র একটি প্রোজেক্ট নিয়ে কাজ করে না, তারা বর্তমানে ট্রেন্ডিং পণ্য বা সেবা নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা করে, যেন নতুন কিছু নিয়ে আসা যায়। এছাড়াও আপনার ক্ষেত্রে আপনি নতুন কিছু মাঝে মাঝে নিয়ে আসবেন যেন গ্রাহকরা পুরনো কনটেন্ট দেখতে দেখতে আগ্রহ না হারায়।

সঠিকভাবে পরিকল্পনা করুন : একটি ব্যবসার মূল হাতিয়ার হচ্ছে সঠিক বাস্তব সম্পন্ন পরিকল্পনা। আপনার পরিকল্পনা যদি খারাপ হয় তাহলে আপনি প্রতিযোগিশীল সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এ টিকতে পারবেন না। আপনার সফল হওয়ার মূল চাবিকাঠি হচ্ছে পরিকল্পনা। একটি সঠিক পরিকল্পনা আপনার সফলতাকে ফিফটি পার্সেন্ট এগিয়ে নিয়ে যাবে। এজন্য সময় নিন, ভাবুন তারপরে পরিকল্পনা করুন।

পরিকল্পনা করার ক্ষেত্রে অবশ্যই অনলাইন সেক্টরকে প্রাধান্য দিবেন ফলে আপনার পরিকল্পনা করতে খুব সহজ হবে। আপনি অন্যদের থেকে কিভাবে আলাদা ব্যতিক্রমী সেবা বা পণ্য নিয়ে আসতে পারবেন সেই সম্পর্কে পরিকল্পনা করুন। সময় ব্যয় হোক, দেরি হোক তবুও আপনি যদি পরিকল্পনা মোতাবেক সামনে আগান তাহলে আপনি সফল হবেন আরও অনেক বেশি।

মার্কেটিং করার কাজ উপভোগ করুন : আপনি যে কাজটি করবেন সে কাজের প্রতি আপনার অবশ্যই আগ্রহ থাকতে হবে। আগ্রহ ব্যতীত কোন সময় একটি কাজে লং টাইম থাকা যায় না। একটি জিনিস লক্ষ্য করবেন, আপনার যে বিষয়ে আগ্রহ আছে আপনি এ বিষয়ে অনেক সময় ব্যয় করতে পছন্দ করেন। আর যে বিষয়ে আগ্রহ নেই সে বিষয়ে কিছুক্ষণ কাজ করার পরে আপনারা ভালো লাগবে না। এজন্য সোসাল মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে নিজেকে উপভোগ করুন, ভালো লাগাতে শিখুন।

আপনাকে পেছন থেকে অনেকেই অনেক কিছু বলতে পারে, তবে আপনি পিছুপা হবেন না। আপনি আপনার লক্ষ্যে এগিয়ে যান। কারণ বর্তমান সময়ে কেউ চায় না মানুষ সফল হোক। মানুষ শুধু পারে নিন্দা করতে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কাজ করার ক্ষেত্রে আপনিও অনেক কথার সম্মুখীন হবেন। এসব কথাগুলো এড়িয়ে চলে আপনি আপনার মত করে কাজ করেন। তাহলে ইনশাল্লাহ একদিন আপনি সফল হবেন।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলতে কি বুঝায়?

একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ার সেক্টরগুলোকে কাজে লাগিয়ে কোন পণ্য বা সেবার প্রচারণা চালানোকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলে। আরো ভালোভাবে বলা যায় গুগল, ফেসবুক, ইউটিউব সহ আরো ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে মার্কেটিং এর জন্য ব্যবহার করাকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলে। আশা করছি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলতে কি বুঝায় সে সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া বলতে কি বুঝায়?

সোশ্যাল মিডিয়া বলতে Facebook, Instagram, Youtube এই সমস্ত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম গুলো কে বোঝায়। এই সমস্ত অনলাইন প্লাটফর্ম গুলো মানুষ ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহার করে। সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া মার্কেটিং করে সুবিধা অর্জন করা বর্তমানে অসম্ভব প্রায়। আশা করছি সোশ্যাল মিডিয়া বলতে কি বুঝায় সে সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার গুরুত্ব

বর্তমানে ব্যবসা উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করার গুরুত্ব অপরিসীম। সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্য ছাড়া এখন এই প্রযুক্তির যুগে মার্কেটিং করে লাভবান হবেন না। বর্তমানে যারাই মার্কেটিং করে সফল হচ্ছে তারা সবাই সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং কৌশল অবলম্বন করেছে। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় শুধু মার্কেটিং করলেই হবে না, সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করতে হলে অনেকগুলো কৌশল মেনে মার্কেটিং করতে হবে, তাহলে আপনি এই সোশ্যাল মিডিয়াগুলো থেকে অনেক বেশি গ্রাহক পাবেন এবং লাভবান হবেন।
সোশ্যাল-মিডিয়া-মার্কেটিং-করার-গুরুত্ব
আপনার যারা প্রতিযোগী রয়েছে তাদের দিকে লক্ষ্য রেখে, কিভাবে গ্রাহকদের উচ্চ সুবিধা দেওয়া যায় এবং সামঞ্জস্য মোতাবেক পণ্য বা কোর্সের দাম নির্ধারণ করা যায় এ বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকলে আপনি সব সময় বুঝতে পারবেন আপনার ব্যবসার জন্য আসলে কোনটি প্রয়োজন এবং কোনটি প্রয়োজন নেই।

যেসব সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করবেন

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার জন্য আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়ার নামগুলো জানতে হবে। অনেক সোশ্যাল মিডিয়া রয়েছে কিন্তু সব সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি ভিজিটর আসে না। যে সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া গুলো বেশি পপুলার সে সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনাকে মার্কেটিং করতে হবে। আমি এখন যে দশটি সোশ্যাল মিডিয়ার নাম বলবো এগুলো মানুষ সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে।

যেসব সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করবেন:
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter / x
  • YouTube
  • medium
  • reddit
  • Quora
  • Pinterest
  • LinkedIn
  • Tumblr
উপরোক্ত সোশ্যাল মিডিয়া গুলো মানুষ বেশি ব্যবহার করে। এজন্য এসব সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে আপনি মার্কেটিং করতে পারবেন। আরো কিছু সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সেক্টর রয়েছে যেমন : Whatsapp channel, Telegram channel or group, WeChat, VK ইত্যাদি।

সোশ্যাল মিডিয়া কি মার্কেটিং এর জন্য কার্যকর?

বর্তমান বিশ্ব চলছে সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর। মানুষজন এখন কাজকর্মে অনেক ব্যস্ত। এজন্য সকলেই বর্তমানে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এর উপর নির্ভরশীল। বাসায় বসেই মানুষ এখন হাজার হাজার সেবা বা প্রোডাক্ট পছন্দ করছে। আবার নিজের বাসায় থেকেই সেই প্রডাক্ট পাওয়া যাচ্ছে। সেবা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষরা হোম ডেলিভারি দিয়ে যাচ্ছে।

অর্থাৎ আমরা বুঝতে পারছি বর্তমানে প্রযুক্তির যুগে ইন্টারনেট ব্যবহার করে মানুষ খুব সহজেই ঘরে বসে সার্ভিস নিতে পারছে। এজন্য বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপনি এই প্রতিযোগিতাশীল মার্কেটে টিকে থাকতে হলে আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে হবে।

আপনি যদি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করেন তাহলে আপনি ভবিষ্যতে এর কার্যকারিতা ভোগ করবেন। সোশ্যাল মিডিয়ার দ্বারা আপনি শুধু নিজ দেশে নয় বরং সারা বিশ্বে মার্কেটিং করতে পারবেন। নিজ দেশ ছাড়াও সারা বিশ্বের দর্শকদের টার্গেট করতে পারবেন।

প্রত্যেকটি মানুষের হাতে হাতে এখন স্মার্টফোন। ইন্টারনেটের গতি দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে মানুষের ইন্টারনেট ব্যবহার করা সহজ হয়ে যাচ্ছে, ফলে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সার্চ দিয়ে এমন কোন প্রোডাক্ট নেই যা আপনি খুঁজে পাবেন না।

তবে হ্যাঁ আপনাকে প্রতারনার হাত থেকেও বাঁচতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া যেহেতু ম্যানুয়ালি কাউকে দেখা যায় না বা সেবা প্রদান করা যায় না সেহেতু এখানে প্রতারণার স্বীকার অনেকেই হয়ে থাকেন। এ বিষয়ে আপনাদেরকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

সুতরাং বোঝা যাচ্ছে কম বয়স থেকে শুরু করে বৃদ্ধ বয়স্ক পর্যন্ত অনেক মানুষ এখন ইন্টারনেট প্রযুক্তি এর উপর নির্ভরশীল। আর তাই সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে বর্তমানে অনেক সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান লাভবান হচ্ছেন। আশা করছি আপনি সোশ্যাল মিডিয়া কি মার্কেটিং এর জন্য কার্যকর এই প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কারা করতে পারে?

অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কারা করতে পারে? আপনারা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং যে কেউ করতে পারবেন। ছেলে হোক বা মেয়ে হোক যে কেউ বাসায় বসে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে পারবেন। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং শেখানোর জন্য বর্তমানে অনেক কোর্স দেখতে পাওয়া যায়।

আপনি চাইলে এই কোর্সগুলো করতে পারেন অথবা কোর্স না করেও ইউটিউবের সাহায্য নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং শিখতে পারেন। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার উপায় জানতে হলে বেশি বেশি মার্কেটিং সম্পর্কে স্টাডি করুন এবং কৌশল গ্রহণ করুন। পরিকল্পনা অবশ্যই থাকা লাগবে।

সুতরাং পরিকল্পনা মাফিক আপনারা যদি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে চান তবে যে কেউ সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনার সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্পর্কে অবশ্যই জ্ঞান থাকা আবশ্যক বলে আমি মনে করি। কারণ যে বিষয়ে যার জ্ঞান নেই সে সেই বিষয়ে অজ্ঞ।

একজন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটার কখন একটি বিস্তৃত পরিকল্পনা তৈরি করে?

একজন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটার মার্কেটিং করার আগে তিনি যে সেবাটি নিয়ে মার্কেটিং করতে চায় সেটি নিয়ে গবেষণা করেন, পরিকল্পনা করেন। পরীক্ষামূলকভাবে গবেষণা এবং পরিকল্পনাটি সফল হলে তারপরে তিনি বিস্তরভাবে মার্কেটিং করার সিদ্ধান্ত নেন। আবার অনেক সময় দেখা যায় প্রতিযোগিতায বেড়ে গিয়েছে এবং প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ার কারণে আপনার সেবাটি বা পণ্যটি মানুষ কম গ্রহণ করছে।

ঠিক তখনই আপনাকে নতুনভাবে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর জন্য বিস্তর পরিকল্পনা তৈরি করা দরকার। অর্থাৎ প্রতিনিয়ত আপনাকে আপনার সেবাটিকে আপডেট রাখতে হবে। ব্যাকডেটেড কোন কিছু দর্শক এখন গ্রহণ করেনা। একজন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটার কখন একটি বিস্তৃত পরিকল্পনা তৈরি করে আশা করছি এই প্রশ্নের উত্তর বুঝতে পেরেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করে কিভাবে ব্যবসা গড়ে তোলা যায়?

অনেকেই বুঝতে পারেন না সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করে কিভাবে ব্যবসা গড়ে তোলা যায়। একটি উন্নতমানের সেবা ছাড়াও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাই পারে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যবসা গড়ে তুলতে। সোশ্যাল মিডিয়ায় গড়ে তোলার জন্য দর্শকদের আকর্ষণ ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দর্শকরা যেন আকৃষ্ট হয় সেভাবে আপনাকে বিজ্ঞাপন দিতে হবে। বিজ্ঞাপন দেওয়ার সময় আপনাকে ক্রেতাদের টার্গেট করতে হবে।

একটি নির্দিষ্ট সময়ে অর্থাৎ যে সময় মানুষ কাজ থেকে বিরত থাকে এবং অনলাইনে বেশি থাকে সে সময় বিজ্ঞাপন কে প্রকাশ করুন। আপনার সেবাটি কোন বয়সের লোকদের জন্য তা বিবেচনা করে বিজ্ঞাপন দিতে হবে। আপনি গুগল, ফেসবু্‌ ইউটিউব বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আপনার সেবাটির পরিচিতি বাড়াতে পারেন এবং আপনার ব্যবসাকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এ প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কোর্স

আলাদাভাবে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কোর্স শেখার প্রয়োজন নেই। আপনি যদি কোর্স করতে চান তাহলে অবশ্যই ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করবেন কারণ এই একটি কোর্সের মাধ্যমেই আপনি সবকিছু শিখতে পারবেন। 

বাংলাদেশের অনেক ভালো ভালো ডিজিটাল মার্কেটিং আইটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে আবার অনেক আইটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা ধোকাবাজ। তাই সবদিক পর্যালোচনা করে এবং দেখে শুনে খোঁজখবর নিয়ে তারপর ডিজিটাল মার্কেটিং কর্সে ভর্তি হন।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে আয়

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে আয় করতে হলে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার উপায় জানতে হবে। ম্যানুয়ালি কোন জায়গায় মার্কেটিং করার চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করে অনেক বেশি ইনকাম করা যায়। 

কারণ আপনি একটি জায়গায় ব্যবসা করলে নির্দিষ্ট একটি এলাকার মানুষদেরকে পাবেন। আর আপনি যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করেন তাহলে আপনি সারা বিশ্বের মানুষের কাছে আপনার সেবাটি দেখাতে পারবেন, ফলে আপনার ইনকাম বেশি হবে।
সোশ্যাল-মিডিয়া-মার্কেটিং-করে-আয়
মার্কেটিং করার আরো একটি সুবিধা হচ্ছে আপনি বাসায় বসে মার্কেটিং করতে পারেন। আপনি যদি ব্যস্ত থাকেন সে ক্ষেত্রে আপনার পারিবারিক কেউ অনলাইনে থেকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং টি চালিয়ে যেতে পারবে। এক্ষেত্রে শুধু আপনার ওপরই নির্ভর করা লাগবেনা।

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং অত্যন্ত জনপ্রিয় কারণ ক্রেতারা বাইরে না গিয়ে ঘরে বসে, মোবাইলের মাধ্যমে আপনার সেবাটি যদি ভালো লাগে, তাহলে তারা সেই সেবা নিতে পারবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং এর জন্য আপনি যদি ভালো একটি সেবা নিয়ে আসেন এবং ভালোভাবে বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন তাহলে এই সেক্টর থেকে আপনি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ইনকাম করতে পারবেন।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং শিখতে কতদিন সময় লাগে?

সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং শেখার আগে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে যে, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং শিখতে কতদিন সময় লাগে? আপনি যদি একটি ভালো আইটি প্রতিষ্ঠানে যান তাহলে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং শিখতে আপনার সর্বোচ্চ ৫ থেকে মাস সময় লাগতে পারে। 

ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টর অনেক বড় একটি সেক্টর তাই এই সেক্টর সম্পর্কে পুরোপুরি ধারণা নিতে প্রায় এক বছর সময় লেগে যেতে পারে। তবে বেসিক ধারণা পেতে ৫ থেকে ৬ মাস দরকার হয়। আপনাকে এমন একটি আইটি প্রতিষ্ঠানে যেতে হবে যেখানে আপনি লাইফটাইম সুবিধা পাবেন অর্থাৎ কোর্স শেষ হওয়ার পরেও তারা আপনাকে সুবিধা দিবে। 

মার্কেটিং এর বিভিন্ন কলা কৌশল, গাইডলাইন, নীতিমালা সমূহ প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। তাই এ সমস্ত আপডেট বিষয়গুলো জানতে, আপনাকে লাইফটাইম সাপোর্ট দিবে এমন একটি প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল মার্কেটিং শেখা উচিত।

SMM এর অংশ কি কি?

Smm এর অর্থ হল Social media marketing। Smm এর অংশ কি কি বলতে সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম গুলোকে বোঝায়। যেমন আমি উপরে আলোচনা করেছি Facebook, Instagram, Youtube, Pinterest, Linkedin ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া সেক্টর গুলো সম্পর্কে যেখানে মার্কেটিং করা হয়।

FAQ

১) সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং মানে কি?
উত্তরঃ সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং হচ্ছে সেই মার্কেটিং যা সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়ায় প্লাটফর্ম গুলোতে করা হয়। যেমনঃ Instagram, Twitter, Facebook, Medium, Quora, Linkedin ইত্যাদি।

২) SMM এর ফুল ফর্ম কি?
উত্তরঃ SMM এর ফুল ফর্ম হচ্ছে- Social Media Marketing।

৩) সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর নির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই কেন?
উত্তরঃ সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করা হচ্ছে নিজ স্বাধীন একটি পেশা। এখানে আপনি আপনার নিজের মালিক আপনি আপনার নিজের পরিচালনা করি। ঠিক এজন্যই সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর কোন নির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই।

৪) ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স ফি কত?
উত্তরঃ ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোর্স ফি কত টাকা হবে তা নির্ভর করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উপর কারণ প্রতিটি আইটি প্রতিষ্ঠানে কোর্স ফি একই রকম হয় না। তবে ৮ হাজার থেকে শুরু করে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কোর্স ফি তারা গ্রহণ করে।

৫) Sem এর পূর্ণরূপ কি?
উত্তরঃ Sem এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Search Engine Marketing।

৬) কেন সোশ্যাল মিডিয়া ভোক্তাদের জন্য এত আকর্ষণীয়?
উত্তরঃ সোশ্যাল মিডিয়া বর্তমানে ভোক্তাদের কাছে আকর্ষণীয় হওয়ার কারণ হচ্ছে ভোক্তারা ঘরে বসেই হাজার হাজার পণ্য পছন্দ করতে পারছে এবং অর্ডার করতে পারছে।

৭) SEO মার্কেটিং কি?
উত্তরঃ বিনা খরছে গুগলে সেবা বা পণ্য প্রচারের জন্য যে টেকনিক অবলম্বন করে মার্কেটিং করা হয় তাকে বলা হয় SEO মার্কেটিং।

৮) গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে কত টাকা লাগে?
উত্তরঃ গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স করতে ৮,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা লাগতে পারে।

৯) ১ মাসে ডিজিটাল মার্কেটিং শেখা যাবে কি?
উত্তরঃ এক মাসে ডিজিটাল মার্কেটিং শেখা কখনো সম্ভব নয় কারণ ডিজিটাল মার্কেটিং ফ্রিল্যান্সিং জগতে সবচেয়ে বড় একটি সেক্টর। 

১০) একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এর বেতন কত?
উত্তরঃ প্রতিটি ডিজিটাল মার্কেটারের বেতন একই রকম হয় না। কারণ ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন সেক্টর রয়েছে। অনেকে আছে যারা ফাইবার বা আপওয়ার্কে ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কিত কাজ করে, আবার অনেকে রয়েছে শুধুমাত্র নিজের জন্য ওয়েবসাইটে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ করে। এজন্য প্রতিটি ডিজিটাল মার্কেটারের বেতন ভিন্ন ভিন্ন হয়।

শেষ মন্তব্য

বর্তমান ইন্টারনেট প্রযুক্তির যুগে ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তা হবার ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার উপায় জানতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার মার্কেটিং ছাড়া বর্তমানে সফল হওয়া যাবেনা। কারণ মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক এডভান্স। মানুষ জানে ঘরে বসে কিভাবে সকল ধরনের সেবা পেতে হয়।

এজন্য মানুষকে গবেষণা করে, আপনাকে আপনার সেবা মোতাবেক সোশ্যাল মার্কেটিং এ বিজ্ঞাপন দিতে হবে, আপনার সেবা বা পণ্যকে মানুষের কাছে পৌঁছায় দিতে হবে। আপনি দেশের বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে তাকান, তাহলে আপনি দেখতে পাবেন তারা সকলেই এখন অনলাইন জগতে প্রভাব বিস্তার করছে মার্কেটিং করার মাধ্যমে।
এই পোস্ট শেয়ার করুন
Next Post
No Comment
Add Comment
comment url